বিজ্ঞাপন
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম।
তিনি বলেন, রাজপথে নেমেছিলাম একটা পরিবর্তনের জন্য। সে পরিবর্তন অধরাই থেকে গেলো। আমরা মনে করি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় মুগ্ধমঞ্চে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রোকেয়া বেগম বলেন, আমি শহীদ জাবের ইব্রাহিমের মা। প্রায় ১৪০০ শহীদের স্মরণে আমি এখানে এসেছি। জুলাই আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে। আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি না।
আরও পড়ুন
জুলাইযোদ্ধাদের চিকিৎসায় ছিল চাপ-বদলি ও জীবন বাঁচানোর লড়াই
তিনি বলেন, আমাদের ছেলেরা জীবন দিয়েছে সুন্দর একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য। আমি সবার কাছে জুলাই শহীদ এবং বীরদের জন্য দোয়া চাচ্ছি। আমাদের শহীদরা যেন জান্নাতের শ্রেষ্ঠ জায়গায় থাকে।
এমপি রোকেয়া বেগম বলেন, আমি আশা করবো আপনারা আমাদের ইসলামের যে শহীদরা আছেন, একাত্তরের যে শহীদরা আছেন, পিলখানার শহীদ, শাপলা চত্বরের শহীদ এবং একই সঙ্গে ২৪-এর শহীদদের স্মরণ করবেন। তাদের জানবেন এবং তাদের জন্য দোয়া করবেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদযাপন কমিটি, উত্তরার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ ও অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব কামরুল হাসান।
আরও পড়ুন
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত, টিকিট ৫০ টাকা
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শেখ ফাহমিন জাফরের মা কাজী লুলুন মাখমিন, শহীদ জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন, শহীদ আব্দুন নূরের বাবা মাওলানা বাশার, শহীদ আসাদুল্লাহর স্ত্রী ফারজানা আক্তার, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভিনের মা বিলকিস জামান, শহীদ নাইমা সুলতানার মা আইনুন নাহার এবং শহীদ রিদয়ান শরীফ রিয়াদ জয়ের মা রুপালি আক্তার।
এছাড়া বিশিষ্ট আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল, উত্তরা ইউনাইটেড ক্লাবের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, তারিক হাসান, তাহমিদ হুজাইফা, তালহা জোবায়ের সজিব, ইমরান হোসাইন ইমু, আহমেদ সামরান, আতিক হাসান রুবেলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল জুলাই চিত্র প্রদর্শনী, শহীদ পরিবার ও আহতদের জুলাইয়ের স্মৃতিগাথা, আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণী, বিদ্রোহের উত্তরা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ কাশিদার কাওয়ালী সন্ধ্যা। এতে উত্তরার সহস্রাধিক ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক অংশ নেন।
এফএইচ/বিএ
বিজ্ঞাপন