জাতীয়

এসএসসির ফল খারাপ হলে খাতা চ্যালেঞ্জ, আবেদন শুরু ১১ আগস্ট

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
6 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যে কোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আরও পড়ুন এসএসসির ফল জানতে এসএমএসে যুক্ত হলো নতুন নম্বর আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কখন খাতা চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে পরীক্ষায় প্রত্যাশিত নম্বর না এলে সব শিক্ষার্থীরই মন খারাপ হয়ে যায়। ফলাফল কেমন হলে খাতা চ্যালেঞ্জ করা যাবে, সেটি নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যায় অনেক পরীক্ষার্থী। যেসব বিষয় নিয়ে সন্দেহ এলে খাতা চ্যালেঞ্জ করা প্রয়োজন সেগুলো হলো- অপ্রত্যাশিতভাবে কম নম্বর পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো ছিল, প্রশ্নও নিজের মতো করে ঠিকঠাক উত্তর দেওয়া হয়েছে। অথচ ফলাফলে নম্বর আশানুরূপ নয়। এমন ক্ষেত্রে মূল্যায়নে বা নম্বর গণনায় ত্রুটি থেকে থাকতে পারে। ফলাফলে অপ্রত্যাশিত পার্থক্য থাকলে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্যতিক্রম ফল সব বিষয়ে ভালো নম্বর পেলেও কোনো একটি বা দুটি নির্দিষ্ট বিষয়ে হঠাৎ কম নম্বর পাওয়া গেলে সেটি সাধারণত ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়। হয়তো পরীক্ষক প্রশ্নপত্রের কোনো অংশ মিস করেছেন, কিংবা যোগফলে ভুল হয়েছে। এমন অসংগতি থাকলে পুনর্নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া উচিত। আরও পড়ুন এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলো ৮ বোর্ডে, ৯ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশ খাতায় নম্বর যোগে ভুল সন্দেহ হলে পরীক্ষক প্রশ্নভিত্তিক নম্বর লিখে শেষে মোট নম্বর যোগ করেন। কখনও দেখা যায়, যোগ করার সময় ১-২ মার্কস বাদ পড়ে গেছে বা যোগে হয়েছে। খাতা পুনর্নিরীক্ষায় এসব যোগফল পুনরায় পরীক্ষা করা হয় এবং ত্রুটি ধরা পড়লে সংশোধন করা হয়। নম্বর স্থানান্তরে ভুল হওয়ার শঙ্কা থাকলে খাতায় লেখা নম্বর বোর্ডের ডাটাবেজে ম্যানুয়ালি বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়। এ পর্যায়ে ভুল সংখ্যা বা ভুল বিষয় ইনপুট হলে ফলাফল ভিন্ন হয়ে যেতে পারে। পুনর্নিরীক্ষায় বোর্ড এ তথ্যগুলোর সঠিকতা পুনরায় যাচাই করে। পাসের খুব কাছাকাছি অবস্থান অনেক সময় শিক্ষার্থী মাত্র ১ বা ২ নম্বরের জন্য ফেল করে। এ ধরনের ক্ষেত্রে খাতার নম্বর যোগে ভুল হলে, পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে। তাই এমন অবস্থায় আবেদন করা যুক্তিযুক্ত। গ্রেড পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলে যদি কোনো শিক্ষার্থী ৫৯, ৬৯ বা ৭৯ নম্বরের মতো সীমার কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, তাহলে মাত্র ১-২ নম্বর বাড়লেই তার গ্রেড এক ধাপ উন্নতি পেতে পারে। এ কারণে অনেকেই গ্রেড উন্নতির সম্ভাবনায় খাতা চ্যালেঞ্জ করেন। প্রশ্নপত্রের কোনো অংশ বাদ পড়েছে সন্দেহ হলে পরীক্ষক খাতা মূল্যায়নের সময় কখনও পুরো প্রশ্নপত্র উল্টে না দেখলে কিছু অংশ অমূল্যায়িত থেকে যেতে পারে। যেমন- পৃষ্ঠার পেছনের উত্তর, বা ছোট কোনো অংশ বাদ পড়া। পুনর্নিরীক্ষায় এসব ভুল ধরা পড়ে এবং সংশোধন করা হয়। দুই পত্রের মধ্যে অস্বাভাবিক পার্থক্য ভালো পরীক্ষা দেওয়ার পরও একই বিষয়ের দুই পত্রের নম্বরের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য থাকলে। এক্ষেত্রে নম্বর গণনায় ভুল থাকলে রেজাল্ট পরিবর্তন হবে। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সেক্ষেত্রে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। এএএইচ/এমএএইচ/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>