বিজ্ঞাপন
দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য উপযোগী গাছের প্রজাতি নির্ধারণে এরই মধ্যে ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কাঠের জ্বালানি ব্যবহারকারী ইটভাটা বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে সিঙ্গেল ইউজ পলিথিনের পরিবর্তে পচনশীল বিকল্প ব্যবহারের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সিসিইআর) এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও সিসিইআর-এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত বলেন, বাংলাদেশ যে অপরাধ করেনি, তার পরিণতিই আজ ভোগ করতে হচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ৪০ থেকে ৫০টি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে উল্লেখ করে এসব অঙ্গীকারের আরও কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের নিজস্ব দায়বদ্ধতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ যে অপরাধ করেনি, তার পরিণতিও ভোগ করতে হচ্ছে: আইনুন নিশাত
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ মাহফুজ আনোয়ার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত এবং বৃহত্তম গভীর-সমুদ্র সাবমেরিন ক্যানিয়ন বাংলাদেশে রয়েছে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুর পারভেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল’ বা ‘আরআরআর নীতি’র গুরুত্ব তুলে ধরেন। বর্জ্যকে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সম্পদে পরিণত করার জন্য সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংকসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পাঁচটি টেকনিক্যাল সেশনে জলবায়ু সহনশীলতা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, প্রকৃতিনির্ভর সমাধান ও তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়।
এএএইচ/এমকেআর
বিজ্ঞাপন