বিজ্ঞাপন
রাজধানীর মঞ্চে আসছে পালাকার নাট্যদলের নতুন প্রযোজনা ‘এককোটি মনোয়ারা’। বদরুজ্জামান আলমগীরের রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন মীর মেহবুব আলম নাহিদ। আগামী ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হবে। পরদিন একই সময়ে ও একই মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় প্রদর্শনী।
পালাকার জানিয়েছে, ব্যক্তি, রাষ্ট্র, ন্যায়বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার অদম্য আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘এককোটি মনোয়ারা’। সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীকী উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে নাটকটি দর্শকের সামনে তুলে ধরবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
নাটকের গল্পে দেখা যাবে একটি রুদ্ধদ্বার মিলনায়তন। মুহূর্তেই সেটি পরিণত হয় প্রতীকী আদালতে। দুই আইনজীবীর তর্ক, ইতিহাসের খণ্ডচিত্র, স্মৃতির অনুরণন এবং সমকালীন বাস্তবতার নানা অনুষঙ্গের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় সাধারণ মানুষের এক অসাধারণ গল্প।
শ্রমজীবী আবুল ফজলের হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোখসানার দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং এক প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামই হয়ে ওঠে নাটকের অন্যতম মূল উপজীব্য। ব্যক্তিগত বেদনা একসময় ছাড়িয়ে যায় ব্যক্তির গণ্ডি, পরিণত হয় বৃহত্তর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রশ্নে।
আরও পড়ুন
সুচন্দার অনুরোধে যে গান গাইলেন ইলিয়াস কাঞ্চন
নির্দেশক মীর মেহবুব আলম নাহিদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি নাট্য প্রযোজনা নয়; বরং আমাদের সময়, রাষ্ট্র, মানুষ, স্মৃতি, ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধের প্রশ্নকে নতুনভাবে ভাবার এক শিল্পিত প্রয়াস।’
তিনি বলেন, নাটকটিতে রাষ্ট্র, ক্ষমতা, বিচার, স্মৃতি, মাতৃত্ব, প্রতিরোধ এবং মানুষের বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা একটি ভিন্ন নাট্যভাষায় মিলেমিশে গেছে। বাস্তবতা ও প্রতীকের সংমিশ্রণে নির্মিত এই আখ্যান দর্শককে শুধু গল্প শোনাবে না, বরং নিজের ভেতরেই কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বাধ্য করবে।
নির্দেশকের ভাষ্য, ‘কে এই মনোয়ারা? তিনি কি একজন অনাগত শিশু, একজন মা, নাকি একটি স্বপ্ন? কেন একজন মনোয়ারা ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে কোটি মনোয়ারা? কী সেই শক্তি, যা ব্যক্তিগত বেদনা থেকে জন্ম দেয় সম্মিলিত প্রতিরোধের? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এই নাটকে।’
আরও পড়ুন
ডন গ্রেফতারের পর যা বললেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী
‘এককোটি মনোয়ারা’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন একামণি ঘোষ, মনীষা ঘোষ, ফাহমিদা মল্লিক শিশির, মুনিরা অবনী, চারু পিন্টু, রমিজ পাটোয়ারী, তাজিন বিনতে খালেদ দৃষ্টি, টগর তিহান, তানজিদা ইসরাত জাহান ঋতু ও জ্যাকলিন কাব্য।
নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনা ও কোরিওগ্রাফিতে রয়েছেন অনিকেত পাল বাবু, আলোক পরিকল্পনায় অম্লান বিশ্বাস এবং পোশাক পরিকল্পনায় মুনিরা অবনী।
এমএমএফ
বিজ্ঞাপন