ব্রেকিং নিউজ
ছায়া প্রধানমন্ত্রীর একটা গরম আছে না: রাশেদ খাঁন অনলাইনে ব্যবহারকারীদের হয়ে বিভিন্ন কাজ করে দেবে চ্যাটজিপিটি   সরকারের ছয় মাস: উচ্চশিক্ষায় যেসব পরিবর্তন প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি করল ড্রিপ ল্যাবের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন বাংলাদেশ-চীনের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব রাবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় রবিবার তদন্ত প্রতিবেদন আইনশৃঙ্খলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হাসনাতের প্রশ্ন ‘তিনি সফল না ব্যর্থ?’ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে দলনিরপেক্ষ থাকব: রাষ্ট্রপতি নেপালের দুর্যোগে সংসদে শোক, সেনাবাহিনী ও মেডিকেল টিম পাঠানোর প্রস্তুতি জাপানের গবেষণাগারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর যাত্রা
জাতীয়

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে নিদর্শন নষ্টে ১০ বছর কারাদণ্ড

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শন ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’-এ। অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধনের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জাতীয় সংসদে আইনটি পাস হওয়ার পর চলতি বছরের ১০ এপ্রিল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’-এর গেজেট জারি হয়। আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো স্থাবর নিদর্শন বা এর কোনো অংশ ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। আরও পড়ুন ছুটির দিনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ভিড় এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। জাদুঘরের সংগৃহীত বা নিবন্ধিত কোনো নিদর্শনের ওপর খোদাই, লেখা, লিপি উৎকীর্ণ বা স্বাক্ষর করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে জাদুঘরের কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অপরাধের ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জাদুঘরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী ২২, ২৩ ও ২৪ ধারায় উল্লিখিত অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রচলিত দণ্ডের পাশাপাশি শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম নেওয়া যাবে। আরও পড়ুন সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করবে শিক্ষার্থীরা আইনে ক্ষতিগ্রস্ত নিদর্শন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অর্থদণ্ডের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, ২২, ২৩ ও ২৪ ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুরোটা বা এর কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত নিদর্শনকে অপরাধ সংঘটনের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজে ব্যয় করা যাবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিদর্শন প্রদর্শন ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, অন্য কোনো জাদুঘর বা কোনো ব্যক্তির সঙ্গে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নিদর্শন বিনিময় করতে পারবে জাদুঘর। এ ছাড়া উপহার দেওয়া বা নেওয়াও যাবে। তবে এ ধরনের স্থায়ী বা অস্থায়ী বিনিময় এবং উপহার দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তি করতে হবে। এ জন্য পর্ষদের সুপারিশ ও সরকারের পূর্বানুমোদন নিতে হবে বলে আইনে উল্লেখ করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের লক্ষ্যে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জাদুঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। আরও পড়ুন নাহিদ ইসলাম / জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাসে আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি ও গাইডেড ট্যুরের পাশাপাশি অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রয়েছে। জাদুঘরটি উদ্বোধনের ঘোষণা এর আগে একাধিকবার দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাদুঘর পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। পরে তৎকালীন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট উদ্বোধনের ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। গত ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন। এরপর থেকে জাদুঘরটি জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। আরএমএম/এসএইচএস
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>