জাতীয়

রাজশাহীতে কাঁচামরিচের ঝাল কমে ৬০ টাকা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
রাজশাহীতে স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে অধিকাংশ সবজি। এদিকে চাল, ডিম, মুরগি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারও রয়েছে স্থিতিশীল। তবে সবচেয়ে বেশি কমেছে কাঁচামরিচের দাম। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ২৪০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে তা কমে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে নগরীর সাহেববাজার ও আশপাশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। বর্তমানে বাজারে শসা ৩৫-৪০ টাকা, করলা ৩০ টাকা, আলু ২০-২৫, পেঁয়াজ ৪৫-৫০, পটল ৩০, ঢেঁড়স ২৫-৩০, বেগুন ৪০, ফুলকপি ৬০-৭০, ঝিঙা ৩০, চিচিঙ্গা ৩০, বরবটি ৪০, কচুর লতি ৪০, কাঁচা পেঁপে ২৫ এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচাকলা প্রতি হালি ২৫ টাকা, ওল ৫০, লাউ প্রতিটি ৩০-৩৫ এবং চালকুমড়া প্রতি পিস ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে গাজর ও টমেটোর দাম কিছুটা বেড়েছে। গাজর ১৪০ টাকা এবং টমেটো ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আদা ১৮০ টাকা, নাটোরের রসুন ৮০ এবং দেশি রসুন ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহীতে অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। এতে স্বস্তিতে বাজার করছেন ক্রেতারা। দাম কম থাকলে বেচাকেনাও বেশি হয় বলে জানান বিক্রেতারা। এদিকে মুরগি ও ডিমের বাজার গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫-৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০, ফার্মের লাল ডিম ৪৬ এবং সাদা ডিম ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি ২৫০-২৬০, দেশি মুরগি ৫৫০, সাদা লেয়ার ২৯০, লাল লেয়ার ৩৪০, ফাউমি মুরগি ৩৩০ এবং হাঁস ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন নেই। রুই ২৭০-৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০, তেলাপিয়া ১৭০-২১০, পাঙাশ ১৮০-২০০, চাষের কৈ ২০০-২২০, চাষের শিং ৩০০-৩৫০, টেংরা ৬০০-৭০০, বোয়াল ৬৫০-৮০০, চিংড়ি ৬৫০-৯০০, কোরাল ৭৫০, দেশি কৈ ৮০০-১০০০ এবং দেশি শিং ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার করতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত সপ্তাহের মতোই এ সপ্তাহে সবজির দাম রয়েছে। বাজারে সবজির দাম আমাদের ক্রয়ক্ষমতার নাগালের মধ্যেই আছে। এভাবে থাকলে আমাদের জন্য ভালো। মাস্টারপাড়ায় বাজার করতে এসে মাসুম বলেন, ‘রাজশাহীতে দিন দিন সবজির দাম কমছে। রাজশাহীতে বেশ ভালো পরিমাণে সবজির আবাদ করা হয়। কিন্তু গত এক মাসে দেশে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে রাজশাহীসহ সারা দেশে সবজির দাম বেড়েছিল। তবে এখন অনেকটাই ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এসেছে। বাজার যদি এমনই থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য অনেক উপকার হবে।’ সবজির দাম কমার কারণ জানতে চাইলে সবজি বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘রাজশাহীতে সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকা থেকে পর্যাপ্ত সবজি রাজশাহীর বাজারে আসছে। সরবরাহ বাড়ায় প্রায় সব ধরনের সবজি ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারাও খুশি।’ আরেক সবজি বিক্রেতা কালাম বলেন, ‘গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এখন ৪০ টাকার মধ্যেই প্রায় সব ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম অনেক কমেছে। এভাবে থাকলে সবার জন্য ভালো।’ বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী হালিম বলেন, ‘গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও একই দামে মুরগি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এ সপ্তাহেও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।’ মনির হোসেন মাহিন/কেজে/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>