জাতীয়

আরজি কর মামলায় তৃণমূলের সাবেক বিধায়কসহ ২ নেতা গ্রেফতার, বিজেপির উল্লাস

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
7 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ২০২৪ সালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। এ ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে ব্যারাকপুর পুলিশ। তদন্তের শুরুতেই পানিহাটির তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং সাবেক সিপিআই(এম) কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখার্জিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গভীর রাতে উড়িষ্যার একটি বিলাসবহুল হোটেল থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে কলকাতার রাজারহাট-নিউটাউনের একটি গোপন আস্তানা থেকে গ্রেফতার করা হয় সাবেক সিপিআই(এম) কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখার্জিকে। এই মামলায় পানিহাটি পৌরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ দে এখনো অধরা রয়েছেন। আরও পড়ুন কলকাতার আরজি করের ঘটনায় নতুন মোড় নির্যাতিতার মা ও বিজেপির বিধায়ক রত্না দেবনাথ এবং বাবা শেখর রঞ্জন দেবনাথ অভিযোগ করেন, তাদের মেয়ের মৃত্যুর পর মরদেহ দ্রুত বাড়ি থেকে পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, মরদেহ সৎকারের পর সঞ্জীব মুখার্জি ও পানিহাটি পৌরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ দের পিঠ চাপড়ে নির্মল ঘোষ বলেছিলেন, ‘খুব ভালো কাজ হয়েছে, ওয়েল ডান বয়।’ পরিবারের দাবি, তারা পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ জানালেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। গ্রেফতারের পর বিজেপির উল্লাস নির্মল ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর পানিহাটিতে বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়। তারা পরস্পর মিষ্টিমুখ করেন। এ সময় ঢাক-ঢোল বাজিয়ে এবং গেরুয়া আবির মেখে মিছিল বের করেন দলটির কর্মী-সমর্থকেরা। আরও পড়ুন আরজি করের ঘটনায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত এ ছাড়া নির্মল ঘোষের ছবিতে জুতোর মালাও পরানো হয়। পানিহাটির বিজেপির যুব নেতা জয় সাহা বলেন, পানিহাটিবাসীর জন্য দিনটি অন্তত আনন্দের। তিনি বলেন, তাদের বোন ‘অভয়া’ (ছদ্মনাম) আত্মার শান্তি পেয়েছেন। নির্মল ঘোষকে ‘কুখ্যাত অপরাধী’ ও পানিহাটির ‘আপদ’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ‘কালো রাজত্ব’ কায়েম ছিল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তোলাবাজি, হুমকি ও দুর্নীতির অভিযোগে নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকেও গ্রেফতার করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের খড়দহ থানার পুলিশ। আরজি কর মামলার আগের তদন্ত ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাতে কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় এক নারী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন। ঘটনার পর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে যায়। আরও পড়ুন জয়ী হয়ে আরজি করের ভুক্তভোগীর মা বললেন মেয়ে অবশ্যই বিচার পাবে তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে সিবিআই। পরে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ওই রায়ের পরও নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সঞ্জয় রায়ের একার পক্ষে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। এ ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। ডিডি/কেএএ/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>