সারাদেশ

কুমিল্লায় ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, মাদরাসা সুপারকে গণপিটুনি

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
9 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মাদরাসা শিক্ষক ও স্থানীয় মসজিদের ইমামকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে দেবিদ্বারউপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর পশ্চিম ও উত্তরপাড়া নূরে মদিনা মাদরাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মো. মিজানুর রহমান (৫০) বরুড়া উপজেলার পোমতলা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি ওই মাদরাসার সুপার এবং স্থানীয় মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানের ছেলে সিয়াম (১২) তার বাবার মোবাইলে অনৈতিক ভিডিও দেখতে পেয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরবর্তীতে সে বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং মাদরাসার বাবুর্চি মো. ইব্রাহিমকে ভিডিওগুলো দেয়। পরবর্তীতে ইব্রাহিমের কাছ থেকে ভিডিওগুলো স্থানীয় যুবকদের হাতে পৌঁছালে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিজানুর রহমানকে আটক করে বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে কয়েকজন তাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করলেও স্থানীয়রা ধাওয়া করে চরবাকর-হোসেনপুর সীমান্ত এলাকায় তাকে ধরে ফেলে। পরবর্তীতে তাকে পুলিশে হস্তান্তর করে। স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর রহমান দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে এই এলাকায় বিভিন্ন মাদরাসায় শিক্ষকতা করছেন। মাঝে ১৭ বছর তিনি প্রবাসে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বেও তিনি একাধিকবার নারীঘটিত অনৈতিক অপরাধে জড়িত থাকার কারণে নানা জায়গা থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। গত দেড় বছরে তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে অন্তত তিনটি সালিসও বসেছিল। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানায়, হুজুর প্রায় দেড় বছর ধরে তাকে বিরক্ত করছিলেন। এক পর্যায়ে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিলে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও কুফুরি কালামের ভয় দেখিয়ে অচেতন করে ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে আটক মিজানুর রহমান দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিওগুলো তার নয়। বিয়ে পড়ানো কেন্দ্র করে গ্রামের একটি মহল শত্রুতা করে তার বিরুদ্ধে এ চক্রান্ত করেছে। একই সঙ্গে জনতার হামলার সময় তার ১২ বছরের ছেলে সিয়াম নিখোঁজ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কাজের অভিযোগে মাদরাসা সুপারকে আটকে রেখে মারধরের সংবাদ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>