ব্রেকিং নিউজ
কোক স্টুডিওকে ভাড়া দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ বছরের পুরোনো বাড়ি ২০০ কর্মী নিয়োগ দেবে ওয়ালটন প্লাজা, ২৪ বছর হলেই আবেদন আজ সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং থাকবে ঢাকায় নরসিংদী বিআরটিসি'র নতুন ম্যানেজারের যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পাংশায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান কিশোরগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিশাল জশনে জুলুস কারিনার সঙ্গে প্রেমের আগে সাইফকে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন অক্ষয় বন্ধ ছয় চিনিকল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান যশোরে জবানবন্দি দিতে গিয়ে মাকে হত্যাকারি মামুন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তী নালিতাবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ- ৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা
জাতীয়

অন্তর্বর্তী সরকার পারেনি, এখন বিএনপিও ‘নীরব’

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
3 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রের অন্যান্য খাতের মতো জনপ্রশাসনেও বড় ধরনের সংস্কারের প্রত্যাশা তৈরি হয়। সেই প্রত্যাশা থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করে। কমিশন চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিয়ে দুই শতাধিক সুপারিশও করে। তবে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে, ক্ষমতায় আসার ছয় মাসেও বর্তমান বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন সংস্কারে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে বড় কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। জনপ্রশাসন সংস্কারের প্রত্যাশা ছিল মূলত রাষ্ট্রের পুরোনো কাঠামো বদলে প্রশাসনকে জনবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা। কিন্তু সংস্কারের রূপরেখা তৈরি হওয়ার পরও বাস্তবে প্রশাসনের কাঠামো ও সেবা প্রদানের পদ্ধতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে সাধারণ মানুষ, কমিশনের সদস্য, সাবেক আমলা ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হয়েছে। কী কারণে সংস্কারের সুপারিশ বাস্তবায়ন হয় না- তার কিছু সম্ভাব্য কারণও জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চার মাসের মধ্যে কমিশন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা কমানো, সমপ্রকৃতির মন্ত্রণালয়গুলোকে পাঁচটি গুচ্ছে ভাগ করা, নতুন দুটি বিভাগ গঠন, দেশকে চারটি প্রদেশে বিভক্ত করা, রাজধানীর জন্য পৃথক সরকারব্যবস্থা, ডিসি ও ইউএনওর পদবি পরিবর্তন, সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন, বাধ্যতামূলক অবসর ও ওএসডি প্রথা বাতিল, মন্ত্রিসভা কমিটির মাধ্যমে সচিব নিয়োগ, উপসচিব পদে পদোন্নতিতে কোটা পুনর্বিন্যাস এবং ন্যায়পাল নিয়োগসহ দুই শতাধিক সুপারিশ করা হয়। আরও পড়ুন দেশকে ৪ প্রদেশে বিভক্ত করার সুপারিশ কমিশনের প্রতিবেদনটি ১৭টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত ছিল। বাস্তবায়নের সুবিধার্থে সুপারিশগুলোকে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি হিসেবে ভাগ করা হয়। স্বল্পমেয়াদি সুপারিশ বাস্তবায়নের সময়সীমা ছিল ছয় মাস এবং মধ্যমেয়াদি সুপারিশের জন্য এক বছর। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের নিজস্ব জরিপেও প্রশাসনের চিত্রের একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গিয়েছিল। জরিপে ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ জনপ্রশাসনে সংস্কারের পক্ষে তাদের মত দিয়েছিলেন। ৮০ শতাংশ মানুষ মনে করেন জনপ্রশাসন ব্যবস্থা জনবান্ধব নয়। কিন্তু এরপরও সুপারিশ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সেটা কমিশন গঠন করা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও নয়, এমনকি বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ছয় মাসেও নয়। সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর বক্তব্যেও জনপ্রশাসনের পুরোনো সমস্যাগুলোই সামনে এসেছে। বিশেষ করে প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের এখানে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা, সিনিয়র স্কেলের পরীক্ষা নিয়ে নানান ধরনের তদবির হয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব অনেক সময় আমলাতন্ত্রকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করতে চায়। অন্য অনেক দেশে এ বিষয়গুলো এতটা প্রকট নয়।’ তার মতে, প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে শুধু কর্মকর্তা পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তিনি ইংল্যান্ড ও ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থার উদাহরণ টানেন। সংস্কারের উদ্যোগ সরকারের পাশাপাশি প্রশাসনের ভেতর থেকেও আসা প্রয়োজন। আমরা যারা আমলা আছি, তাদেরই সরকারের কাছে প্রয়োজনীয়তাটা তুলে ধরতে হবে। এটির প্রাথমিক দায়িত্ব আমলাদেরই।—মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকেও জনপ্রশাসন সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছেন তিনি। চারটি প্রদেশ গঠনের পক্ষে মত দিয়ে আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে চারটি প্রদেশ করা উচিত। আগের চারটি বিভাগের ভিত্তিতে চারটি প্রদেশ করা যেতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘এভিয়েশন, আন্তঃজেলা ও আন্তঃপ্রাদেশিক সড়ক, রেলওয়েসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কেন্দ্রের অধীনে থাকবে। আর দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ, জেলা প্রশাসনসহ অন্য বিষয়গুলো বিকেন্দ্রীকরণ করা উচিত।’ এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘বিকেন্দ্রীকরণ না হলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ক্ষমতার যে কেন্দ্রীভবন রয়েছে, সেটি থেকেই যাবে।’ জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব দিয়েছিল, আমরা আমাদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও যতটুকু আন্তরিকতা ছিল, তা দিয়ে পরিশ্রম করে কাজটা করে দিয়েছি। এখন বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের।’ আরও পড়ুন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ঘিরে জনপ্রশাসনে ফের অসন্তোষ তিনি মনে করেন, সংস্কারের উদ্যোগ সরকারের পাশাপাশি প্রশাসনের ভেতর থেকেও আসা প্রয়োজন। তার ভাষায়, ‘আমার ব্যক্তিগত ধারণা হচ্ছে, ইনিশিয়েটিভ শুড বি টেকেন ফ্রম দ্য ব্যুরোক্রেসি ইটসেলফ। আমরা যারা আমলা আছি, তাদেরই সরকারের কাছে প্রয়োজনীয়তাটা তুলে ধরতে হবে। এটির প্রাথমিক দায়িত্ব আমলাদেরই।’ আইয়ুব মিয়ার বক্তব্যে মূল হতাশার জায়গাটিও উঠে আসে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এখন পর্যন্ত বড় কোনো পরিবর্তন দেখেননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে কোনো পরিবর্তন আমি এখনো পর্যন্ত শুনিনি। এর বাইরে কী হচ্ছে, সেটা জানি না।’ কমিশনের সুপারিশে শুধু প্রশাসনের কাঠামো পরিবর্তনের কথা বলা হয়নি, প্রযুক্তিনির্ভর জনসেবার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। আইয়ুব মিয়া বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভিস খুব দ্রুত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অতি দ্রুত আমাদের জীবনের সর্বস্তরে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সুতরাং জনপ্রশাসনের সিস্টেমেও এই ডিজিটাল সিস্টেমটা আসা দরকার।’ প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে শুধু কর্মকর্তা পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ইংল্যান্ড ও ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থার উদাহরণ টানেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে সরকারি সেবাকে আরও সমন্বিত করার সুপারিশের কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমরা এটাকে আরও কমপ্রিহেনসিভ করার জন্য একটি সেন্ট্রাল ওয়েব পোর্টাল করার কথা বলেছি। এটা আমাদের রিপোর্টের মধ্যে আছে। এসব কাজ আজ হোক, কাল হোক, করতেই হবে। যত তাড়াতাড়ি করা যায়, ততই ভালো।’ প্রশাসনের কাঠামোগত পরিবর্তনের বিষয়টিও কমিশনের সুপারিশে গুরুত্ব পেয়েছিল। ক্যাডার ব্যবস্থা, সিনিয়র পর্যায়, বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায় এবং পদোন্নতিতে মেধার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল বলে জানান আইয়ুব মিয়া। তবে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কমিশনের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সদস্য মেহেদী হাসানের বক্তব্যেও সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়ার হতাশা স্পষ্ট। তার মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষাই ছিল বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন। কিন্তু সেই পরিবর্তন এখনো দৃশ্যমান নয়। মেহেদী হাসান বলেন, ‘প্রত্যাশাটা সংস্কার কমিশনের না, প্রত্যাশাটা বাংলাদেশের জনগণের। জুলাই গণঅভ্যুত্থানই হয়েছে পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে। আমরা যে সিস্টেমের মধ্যে ছিলাম, সেই সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করেই আন্দোলন শুরু হয়েছিল।’ আরও পড়ুন সংস্কার কমিশনের খসড়া প্রস্তাব ঘিরে উত্তাল প্রশাসন  তার মতে, সমস্যাটি ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশাসনের প্রতিষ্ঠান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই মূল সমস্যা রয়েছে। ফলে শুধু কর্মকর্তা বদল করে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। ‘আমাদের সমস্যা সিস্টেমেটিক। প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, কাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং সেই প্রসেসগুলোর মধ্যেই সমস্যা। ব্যক্তি পরিবর্তন করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না’—বলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া মেহেদী। একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো রাজনৈতিক দলের স্লোগান দিতে পারেন বা কোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতে পারেন। কিন্তু সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি কতটা নিরপেক্ষ থাকবেন, সেটাকে সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে।—মেহেদী হাসান জনপ্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকলেও সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় তাকে নিরপেক্ষ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। মেহেদী হাসান আরও বলেন, ‘একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো রাজনৈতিক দলের স্লোগান দিতে পারেন বা কোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতে পারেন। কিন্তু সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি কতটা নিরপেক্ষ থাকবেন, সেটাকে সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে।’ ‘আমরা যে উদ্যম নিয়ে কাজ করেছিলাম, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে মূল বিষয় ছিল সিস্টেম পরিবর্তন করা, সেই জায়গায় এখনো বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।’ আরও পড়ুন আন্তঃক্যাডার দ্বন্দ্ব, সরকারের কঠোরতায় নমনীয় দু’পক্ষ জনসেবা সহজ করতে কমিশনের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ছিল ওয়ান স্টপ সার্ভিস, নিয়মিত গণশুনানি এবং তথ্য অধিকার আইন সংস্কার। এসব বাস্তবায়ন হলে সরকারি অফিসে ঘুষ, হয়রানি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো সম্ভব বলে মনে করেন মেহেদী হাসান। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার মূল্যায়নও আশাব্যঞ্জক নয়। তার মতে, প্রশাসনের অস্থিরতা এখনো কাটেনি। এর প্রভাব পড়ছে সরাসরি জনসেবায়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মানুষ এখনো সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তির কথা বলছে। তার মতে, জনপ্রশাসনের অস্থিরতা দূর না হওয়ায় মানুষের ভোগান্তিও কমছে না।’ ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘জনপ্রশাসন যতদিন সঠিক পথে না আসবে, ততদিন মানুষের ভোগান্তি শেষ হবে না। জনসেবার মান আগের চেয়ে ভালো হয়নি, এক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে না।’ আরএমএম/এমকেআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>