বিজ্ঞাপন
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেড. আই. খান পান্নার বিরুদ্ধে পৈতিক সূত্রে পাওয়া জমি ভোগ দখলে নিতে ১১ বার হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন আপন ছোট ভাই মো.নজরুল ইসলাম খান। জমি জমা নিয়ে বেশকিছু দিন ধরে ভাই-বোনদের মধ্যে চলা বিরোধের জের ও হত্যার হুমকিতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্রাব) আয়োজিত ‘পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি আত্মসাত, মামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে সরকারের কাছে জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন এসব অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী মো. নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমার বাবা নুরুল ইসলাম খান। তার মৃত্যুতে আমরা তিন ভাই ও এক বোন সম্পত্তির ওয়ারিশ। আমার সম্পত্তির পরিমাণ ৩.২২ শতাংশ যার ২.৩২ শতাংশ আমি আমার বন্ধু সাইফুল্লাহ খান লাবুর কাছে বিক্রি করে দুজনে একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করি। ০.৮৬ শতাংশ নাহিদুল ইসলাম রাজু ও রেজাউল ইসলাম সাব্বিরের কাছে বিক্রি করি।’
তিনি বলেন, ‘আমি অবিবাহিত এবং নিঃসন্তান। আমার সম্পূর্ণ দেখাশোনা এবং ভরণ পোষণ, চিকিৎসাসহ যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন আমার বন্ধু সাইফুল্লাহ খান লাবু এবং নাহিদুল ইসলাম রাজু। জমি জমা নিয়া অনেক দিন থেকে আমার ভাই বোনদের মধ্যে বিরোধ চলছে। আমার সম্পত্তি আমার বড় ভাই জহিরুল ইসলাম পান্না (জেড. আই. খান পান্না), তার মেয়ে নাদিমা মোহম্মদী খান, আমার ছোট বোন খাদিজা সামসুন্নাহার এবং তার স্বামী মনসুরুল আলম মন্টু, আমার মেজো ভাই কামরুল ইসলাম খান বাবু এবং তার মেয়ে শাফিনাজ জেরিন খান মিলে আমার থেকে জোর জবরদস্তি লিখে নেওয়ার পাঁয়তারা করে। আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং গুম, প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়।’
এসময় তিনি জেড. আই. খান পান্নার বিরুদ্ধে নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ধরেন। ১১ বার হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করে বলেন, তিনি এমন নিকৃষ্টতম কাজ করেছেন যদি প্রকাশ করি মানুষ তার গায়ে থুথু মারবে, বাসা থেকে বের হতে পারবে না। তার এমন নিকৃষ্ট কার্যকলাপ সে আমার চোখের সামনে ঘটিয়েছে।
হামলার অভিযোগ তুলে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যাদের কাছে জমি বিক্রি করি, যারা বিশ বছর যাবৎ আমার দেখাশোনা করে তাদের ওপরে গত ১৮ জুলাই হামলা করে, দোকানপাট ও আমার বাসা ভাঙচুর করে। বাধা সৃষ্টি করলে লোকজন নিয়ে আমাদের মারধর করে। পরবর্তীতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে।’
তিনি বলেন, ‘আমার ভাই, তার ছেলে মেয়েরা এবং আমার বোন, তার স্বামী ও সন্তানেরা যেকোনো সময় আমাকে গুম বা হত্যা করতে পারে। আমি ও আমার শুভাকাঙক্ষীরা যাতে হয়রানির শিকার না হই। এসময় নিরাপদে বসবাসের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
কেআর/এসএনআর
বিজ্ঞাপন