বিজ্ঞাপন
পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। জনকল্যাণমুখী নানান উদ্যোগে সরকারের আকাঙ্ক্ষা দৃশ্যমান হলেও সেগুলোকে টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কার জরুরি বলে মনে করছেন সাবেক অর্থসচিব এবং সাবেক মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী।
এই অর্থনীতিবিদের মতে, দীর্ঘদিনের অনিয়মে দুর্বল হয়ে পড়া আর্থিক খাত সংস্কারে এখনই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতিকাঠামো ও কার্যকর উদ্যোগ। একই সঙ্গে সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর নকশাগত ত্রুটি সংশোধনের পাশাপাশি বাস্তব প্রয়োগেও পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি মনে করেন, সরকারের সামনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, জনসমর্থন এবং বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তুত করা সুপারিশ বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে বিরোধী দলসহ সব পক্ষকে আস্থায় নিয়ে সংস্কার এগিয়ে নেওয়াই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
সরকারের প্রথম ছয় মাসের সাফল্য-ব্যর্থতা, অর্থনৈতিক সংস্কার, ব্যাংক খাতের সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন ও সামনের সুযোগ-চ্যালেঞ্জ নিয়ে জাগো নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাঈদ শিপন।
জাগো নিউজ : সরকারের প্রথম ছয় মাসকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : শুধু প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কথা বললে বলতে হয়, তার মধ্যে জনকল্যাণের একটি প্রবল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং তিনি সেটি প্রকাশ করছেন। জনগণও সেটি দেখছে। ফ্যামিলি কার্ড, পরিবেশ নিয়ে উদ্যোগ, স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ—এসব ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগতভাবে একটি জনকল্যাণমুখী অভিপ্রায় দেখা যাচ্ছে।
তবে এটিকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নেওয়া না হয়, তাহলে এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনকল্যাণের আকাঙ্ক্ষাকে গভীরভাবে প্রোথিত ও টেকসই করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে।
জাগো নিউজে : তাহলে সরকারের এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোকে টেকসই করার মূল শর্ত কী?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : এখানে ডিজাইন ও প্র্যাকটিস, দুটোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর নকশাতেও সমস্যা আছে, আবার সেই কাঠামো বাস্তবে যেভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, সেখানেও সমস্যা আছে। ক্ষমতার বিভাজন, নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যের ব্যবস্থার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে ঘাটতি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির ক্ষেত্রেও ঘাটতি আছে। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। আবার সাংবিধানিক কাঠামোর পাশাপাশি সংসদ প্রণীত বিভিন্ন আইনেও অনেক জায়গায় ঘাটতি রয়েছে।
আরও পড়ুন
মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান
এসব নকশাগত সমস্যা মেরামত করা না হলে এবং মেরামত করা নকশাকে বাস্তবে প্রয়োগ করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা না হলে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
জাগো নিউজ : প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছেন, সেটি বাস্তবায়নে কী ধরনের বাধা রয়েছে?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : প্রধানমন্ত্রীর জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে রূপ দেওয়া অসম্ভব নয়, তবে চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ, এর জন্য শুধু রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা থাকলেই হবে না, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকেও সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের উপযোগী করতে হবে। কাজেই দুটি বিষয় যুগপৎভাবে চলতে হবে।
এই ছয় মাসে সরকারের উদ্যোগ ও আকাঙ্ক্ষা প্রবলভাবে দেখা যাচ্ছে। এটিই একটি সাফল্য। জাতির সামনে একটি আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা তৈরি হচ্ছে, এটিও সাফল্য। কিন্তু একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর নকশায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রেও উন্নতি করতে হবে।
জাগো নিউজ : প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার কি খুব দ্রুত করা সম্ভব?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : সহসা সবকিছু করা সম্ভব না হলেও দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। ধাপে ধাপে এগোতে হবে। এটি দুই বা তিন মাসের মধ্যে করা যাবে না। কিন্তু জনগণকে সংকেত দিতে হবে যে, আমরা সঠিক দিকনির্দেশনায় এগোচ্ছি।
জাগো নিউজ : জনগণের কাছে সেই দিকনির্দেশনা কীভাবে স্পষ্ট করা যেতে পারে?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : দিকনির্দেশনাটা জাতিকে জানাতে হবে। যেমন- মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচারকদের নিয়োগ এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে আরও স্বাধীন ও কার্যকর করার বিষয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারের হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রেখে তাদের আইন প্রয়োগের প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা ও পরিসর দিতে হবে। এসব ক্ষেত্রে সরকারের দিকনির্দেশনা স্পষ্ট থাকতে হবে।
জাগো নিউজ : জনগণের প্রত্যাশা তো খুব বেশি। দ্রুত পরিবর্তন না এলে হতাশা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কি নেই?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : অবশ্যই প্রত্যাশা অনেক থাকবে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তিন মাসের মধ্যেই সবকিছু বদলে যাবে। কোনো গণতন্ত্র এভাবে চলে না। গণতন্ত্র হলো কাজ করতে করতে শেখার প্রক্রিয়া। তবে সেই কাজের মধ্যেও জনগণকে এমন একটি আস্থা দিতে হবে যে, সরকার সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। জনগণ যেন হতাশ না হয়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
জাগো নিউজ : ১৭ বছরের যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কথা বলছেন, সেটি কাটিয়ে উঠতে কতটা সময় লাগতে পারে?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : ১৭ বছরের একটি জগদ্দল পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ডিজাইন ও প্র্যাকটিস দুই ক্ষেত্রেই আমরা যোজন যোজন দূরে চলে গেছি। সেখান থেকে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এটি ধীরে ধীরে একটি সাংস্কৃতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়া। যুক্তরাজ্যের মতো দেশেও ৬০০-৭০০ বছরের চর্চার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে আজকের পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা এক ধাক্কায় সেই জায়গায় যেতে পারবো না।
জাগো নিউজ : অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গত ছয় মাসে সরকারের সবচেয়ে বড় ঘাটতি কোথায় দেখছেন?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : ব্যর্থতা বলতে আমি প্রথমেই বলবো আর্থিক খাতের কথা। আর্থিক খাতের সংস্কার এখন অত্যন্ত জরুরি। কারণ, আর্থিক খাত হচ্ছে অর্থনীতির ‘লাইফ ব্লাড’। ব্যাংক ও ব্যাংকিং খাতসহ পুরো আর্থিক খাত ১৭ বছরের যে দুঃশাসনের কারণে যেভাবে ভেঙে পড়েছে, সেটিকে এখন কঠিনভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এখানে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জাগো নিউজ : আর্থিক খাত সংস্কারে কী ধরনের কঠিন সিদ্ধান্তের কথা বলছেন?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : প্রয়োজন হলে কিছু ব্যাংকের অবসায়ন বা বিলুপ্তির সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমানতকারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তারপরও প্রয়োজনীয় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দেশে ৫৭টি ব্যাংক রয়েছে। এতগুলো ব্যাংকের প্রয়োজন আছে কি না, সেটিও প্রশ্ন। এসব কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিকাঠামো প্রয়োজন।
জাগো নিউজ : তাহলে কি আপনি মনে করেন, ব্যাংক খাত সংস্কারে এখনো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : আমি বলছি না যে নীতিকাঠামো এখনই তৈরি করে ফেলতে হবে। কিন্তু সেটি তৈরির জন্য একটি টাস্কফোর্স বা কমিটি কাজ করছে এমন উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়। এটিই আমার কাছে উদ্বেগের বিষয়।
জাগো নিউজ : সরকারকে কি এই মুহূর্তে আর্থিক খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : আর্থিক খাত অর্থনীতির লাইফ ব্লাড। ফলে এই খাতের সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের সমস্যার কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটি সমাধানে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি এবং একটি নীতিকাঠামো থাকা প্রয়োজন।
জাগো নিউজ : সামগ্রিকভাবে এই ছয় মাসে সরকারকে কত নম্বর দেবেন?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : আসলে বিষয়টি এভাবে নম্বর দেওয়ার নয়। এটি কোনো ‘নম্বর গেম’ নয়। এখানে পরিমাণগত ও গুণগত দুই ধরনের অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো নম্বর দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
আরও পড়ুন
সানলাইফে ‘কাগুজে’ সম্পদের পাহাড়, গ্রিন ডেল্টার ৮৫০ কোটি টাকা উধাও
একদিকে সরকারের উদ্যোগ ও আকাঙ্ক্ষা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে। কাজেই নম্বর না দিয়ে বিষয়টি এভাবে বোঝা দরকার যে, উদ্যোগগুলোকে আরও সুশৃঙ্খলভাবে সাজাতে হবে। সাংবিধানিক কাঠামো, আইনি কাঠামো এবং বাস্তব প্রয়োগ এই তিন ক্ষেত্রেই একসঙ্গে এগোতে হবে। অর্থাৎ, ডিজাইন ও প্র্যাকটিস দুই দিকেই কাজ করতে হবে।
জাগো নিউজ : সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় সুযোগ কী?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো—এই সরকার দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে গঠিত হয়েছে। এটি একটি বড় শক্তি। দ্বিতীয়ত, সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ১১টি সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট সামনে আছে। এগুলোর বিভিন্ন সুপারিশ ও বিষয়বস্তু সংক্ষেপ করে রিপোর্টও রয়েছে। আর্থিক খাতের ক্ষেত্রে টাস্কফোর্সের রিপোর্ট রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে সংস্কার নিয়ে যেসব রিপোর্ট তৈরি হয়েছে, সেগুলোও রয়েছে।
কাজেই এই সরকারের জন্য বড় সুযোগ হলো—তাদের নতুন করে ‘চাকা আবিষ্কার’ করতে হচ্ছে না। সমস্যাগুলো কী, সেগুলো অনেকটাই চিহ্নিত। পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধানও চিহ্নিত করা আছে।
জাগো নিউজ: তাহলে কি সরকার চাইলে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারে?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : বড় একটি কাজ এরই মধ্যে হয়ে আছে, আমরা সমস্যাগুলো জানি এবং সমাধানের বিভিন্ন প্রস্তাবও জানি। ফলে নতুন করে সবকিছু আবিষ্কার করতে হচ্ছে না। এটি সরকারের জন্য বড় সুযোগ। এর সঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও রয়েছে। ফলে সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের একটি শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে।
জাগো নিউজ : সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : চ্যালেঞ্জ হলো সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। সবার জনমতকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিরোধী দলকেও আস্থায় নিয়ে সংস্কারের কাজ এগিয়ে নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ।
জাগো নিউজ : জনগণের কাছে সরকারের প্রতি আস্থা ধরে রাখতে হলে এখন সবচেয়ে বেশি কী প্রয়োজন?
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : জনগণকে সংকেত দিতে হবে যে সরকার সঠিক দিকনির্দেশনায় এগোচ্ছে। সবকিছু দ্রুত করা সম্ভব নয়, কিন্তু দিকনির্দেশনা স্পষ্ট থাকতে হবে।
একদিকে জনকল্যাণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের উদ্যোগ থাকতে হবে, অন্যদিকে সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে এবং বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রেও উন্নতি আনতে হবে। অর্থাৎ, ডিজাইন ও প্র্যাকটিস দুই ক্ষেত্রেই যুগপৎভাবে এগোতে হবে। এভাবেই জনগণের প্রত্যাশা ধরে রেখে ধাপে ধাপে একটি কার্যকর ও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা সম্ভব।
এমএএস/এমকেআর
বিজ্ঞাপন