ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

৬ মাস পর শুকনা জায়গা পেল বুকসমান কাদায় বেঁধে রাখা সেই চার মহিষ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বুকসমান কাদায় বেঁধে রাখা সেই চারটি মহিষ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পশুগুলোর ভিডিও প্রকাশ হলে বিষয়টি মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেনের নজরে আসে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে মহিষগুলোকে উদ্ধার করে শুকনা ও নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামে আব্দুল আলিম ছয়মাস ধরে বুকসমান কাদায় চারটি মহিষ বেঁধে রেখেছিলেন। মহিষগুলোকে কাদাপানির মধ্যেই খাবার দেওয়া হতো। বুকসমান কাদার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকতো মহিষগুলো। অবলা প্রাণীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আরও পড়ুন পরিবেশের বন্ধু লজ্জাবতী বানর হারিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে এমন অস্বাভাবিক ও কষ্টকর পরিবেশে থাকার কারণে মহিষগুলোর অবস্থা দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছিল। কাদা থেকে তুলে শুকনা ও নিরাপদ স্থানে রাখার অনুরোধ করলেও মহিষের মালিক আব্দুল আলিম কারও কথা শোনেননি। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা কাদায় আটকে থাকা মহিষগুলোর দুর্দশার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি মহিষগুলো উদ্ধারের উদ্যোগ নেন। স্থানীয় পশুপ্রেমী নাজমুল হোসেন বলেন, ‘প্রাণীরা মানুষের মতো নিজেদের কষ্টের কথা বলতে পারে না। কিন্তু তাদেরও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। চারটি মহিষকে দীর্ঘদিন ধরে বুকসমান কাদার মধ্যে আটকে রাখার দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।’ আব্দুল আলিমের বৃদ্ধ মা সত্যা খাতুন বলেন, ‘ছেলেকে একাধিকবার বলেছি মহিষগুলোকে ভালো স্থানে রাখতে কিন্তু সে কারও কোনো কথাই শুনত না। কাদাপানিযুক্ত স্থানে বেঁধে রাখত। সবসময় ওখানেই খেতে দিত।’ আরও পড়ুন বাড়ি থেকে খোয়া যাচ্ছিল হাঁস-মুরগি, ধরা পড়লো অজগর তিনি আরও বলেন, ‘বাড়ির সবাই আলিমকে বলতো মহিষগুলোকে শুকনা জায়গায় রাখতে। একথা শুনলেই সে তাদের ওপর চড়াও হতো। বকাঝকা করত সবাইকে।’ এ বিষয়ে ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘মহিষগুলোকে উদ্ধার করে শুকনা স্থানে রাখা হয়েছে। মহিষের মালিককে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এসময়ের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, শুকনা মেঝে, খাবার-পানি এবং নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এম শাহাজান/এসআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>