জাতীয়

ঢাবির ফজলুল হক হলে প্রক্টরিয়াল টিমের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে শিক্ষার্থী হেনস্তার অভিযোগের তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের সঙ্গে হলের শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে হল প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তদন্তের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ নিতে এসে প্রক্টরিয়াল টিম হলের একটি তালাবদ্ধ কক্ষের তালা খুলে ফুটেজ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ফুটেজের একটি কপি চাইলেও প্রক্টরিয়াল টিম তাতে সম্মত হয়নি। এতে ফুটেজ মুছে ফেলা বা বিকৃত করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হলের ভিপি আবু নায়েম। ঘটনার বিষয়ে আবু নায়েম বলেন, শিক্ষার্থীরা গেটে তালা মেরে রেখেছিলেন। প্রক্টরিয়াল টিম এসে তালা কেটে ফুটেজ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা তদন্তের সুবিধার্থে শিক্ষার্থীদের একটি কপি দিয়ে মূল ফুটেজ নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা এতে রাজি হননি। এ কারণে আমাদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে ফুটেজটি মুছে ফেলা বা বিকৃত করা হতে পারে। আরও পড়ুন ফজলুল হক হলে শিক্ষার্থী হেনস্তার অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি ছাত্রদলের তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন। তিনি বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ও প্রক্টরিয়াল টিমের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ করছেন। প্রক্টর বলেন, শিক্ষার্থীরা সেখানে একটি তালা দিয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে সেটি খোলা হয়েছে। তদন্তের জন্য তথ্য বা ফুটেজ কপি করার সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং কেন এটি নেওয়া হচ্ছে— তা জানতে চায়। তাদের দাবি ছিল, তাদের কাছে কপি না দিয়ে তদন্ত দল সেখান থেকে যেতে পারবে না। তিনি জানান, তদন্ত দল বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ কপি করার কাজ করছে এবং প্রক্রিয়াটি এখনো শেষ হয়নি। আরও পড়ুন ঢাবির ফজলুল হক হলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তদন্তে কমিটি ফুটেজ জনসমক্ষে প্রকাশ বা শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে কি না— এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. ইসরাফিল রতন বলেন, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই না করে সবকিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এটি একটি বড় ঘটনার অংশ এবং বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন। গত রোববার (১৬ আগস্ট) ফেসবুকে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ তোলেন ইব্রাহিম। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিতে প্রক্টরকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। আরটি/কেএসআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>