ব্রেকিং নিউজ
নারীকে বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিলেন পুলিশ সদস্য গোসলে নেমে দুই রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে ডব্লিউএইচওর সংলাপ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযান, অস্ত্র-মাদকসহ গ্রেফতার ২৩৭ মরদেহ উদ্ধারের গুজবে নিখোঁজ ৫ জেলের জন্য খোঁড়া হলো কবর মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ৪৫ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তাবলয়, দেশজুড়ে সতর্ক র‌্যাব আগামী শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছ থেকে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার ইনভেস্ট বাংলাদেশ চেয়ারম্যানকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা
জাতীয়

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আপিলের সপ্তম দিনের শুনানি আজ 

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
  আওয়ামী লীগ নেতা ও গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যার ঘটনায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের ওপর সপ্তম দিনের মতো শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে আজ। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা। বুধবার  (১৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের  বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চে আপিলের বিষয়ে সপ্তম দিনের মতো শুনানি হবে। এর আগে এই হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের ওপর মঙ্গলবার ষষ্ঠ দিনের  মতো শুনানি শেষ করা হয়েছে। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, এর আগে গত ২৮ জুলাই শুনানি শুরু হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন মারা যান। ২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও জেল আপিল হাইকোর্টে আসে। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি (পরে প্রধান বিচারপতি) ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা দেন। রায়ে ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন বহাল রাখেন। আর সাজা কমেছে সাতজনের। খালাস পেয়েছেন ১১ জন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহিদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। রায়ে টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল থাকে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনের দণ্ড কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আসামিরা হলেন মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আহমেদ, হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে শানু, রতন মিয়া ওরফে বড় রতন মিয়া, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম ও মশিউর রহমান ওরফে মনু। মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড়ো জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া। এফএইচ/এসএনআর  
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>