ব্রেকিং নিউজ
Bengal Cricket: বর্ষসেরা আম্পায়ার বাছা নিয়ে বেনজির সংঘাত সিএবি-তে, নাম ঘোষণা করেও বাতিল! আসরে সৌরভ লর্ডসে ভালো শুরু করেও ধরে রাখতে পারল না পাকিস্তান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ২০১৪ থেকে ২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ওপর সাত ধরনের নিপীড়ন হয়েছে কলকাতা বইমেলার সুবর্ণজয়ন্তী: বইমেলার নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ইজেডসিসি ও ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট প্রাথমিকের এটিইও পদে ৭ জনকে নিয়োগ ৫ হাজার ফুট ওপরে আটকে আছি, জানি না কীভাবে ফিরব: নেপাল থেকে তাসরিফ খান শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ কেজি কুশসহ দুই ভারতীয় গ্রেফতার নেপালে নিহত বেড়ে ৩৮৯, নিখোঁজদের ৬৫ জন আমেরিকান, যুক্তরাজ্যের ৩৩ চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজি-বার্সা-ম্যানসিটির আগুনে লড়াই
সারাদেশ

শেরপুরে নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার নেই, দলিলে জট ও ভোগান্তি: কার্যালয়ে মানববন্ধন

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা। দীর্ঘ এক বছর ধরে পদটি শূন্য থাকায় সপ্তাহে মাত্র দুই দিন প্রেষণে আসা কর্মকর্তা দিয়ে চলছে সরকারি এ দপ্তরের কার্যক্রম। এদিকে দলিল নিবন্ধনের নামে চরম জিম্মিদশার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ সেবাগ্রহীতাদের। দলিল লেখার কাজ শেষ হলেই গ্রহীতার কাছ থেকে স্বাক্ষর ও যাবতীয় সরকারি-বেসরকারি খরচ তুলে নেওয়া হয়। এরপর দলিল আটকে রেখে সিরিয়াল আগে পাওয়ার নামে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ বা ঘুষ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। পর্যাপ্ত সেবা না পেয়ে এবং দীর্ঘ অপেক্ষার ক্ষোভ থেকে বুধবার দুপুরে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার ২৩৬টি মৌজায় প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১২০টি দলিল লেখা হয়। নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় প্রতি সপ্তাহেই শত শত দলিলের জট তৈরি হচ্ছে। গত ১৫ দিনে প্রায় ১ হাজার ৮০০টি দলিল জমা পড়লেও রহস্যজনক কারণে সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৪৫০টি। বর্তমানে সাব-রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত) নাইমা সিদ্দিকা সপ্তাহে কেবল বুধবার ও বৃহস্পতিবার দায়িত্ব পালন করছেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তিনি হাজির হন দুপুর সাড়ে ১২টায়। এসে কয়েকটি দলিলে স্বাক্ষর করেই চলে যান। ফলে শত শত গ্রাহক ভোর থেকে অপেক্ষা করেও দিনশেষে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী যোবায়ের হোসেন বলেন, আমার খালার ক্যানসার ধরা পড়েছে। চিকিৎসার খরচ জোগাতে জমি বিক্রি করা ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু এক মাস ধরে ঘুরেও জমি দলিল করে দিতে পারছি না। দলিল না হওয়ায় ক্রেতার কাছ থেকে টাকা পাচ্ছি না, আর টাকা না পাওয়ায় খালার চিকিৎসাও শুরু করতে পারছি না। এভাবে আর কতদিন চলবে? সিলেট থেকে আসা অপর ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহ রহমান আক্ষেপ করে বলেন, আমার বোন অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে নিয়ে এই দূর থেকে টানা দুই দিন ধরে অফিসে এসে বসে থাকি। সাব-রেজিস্ট্রার ম্যাডাম দুপুরে আসেন, আর কিছুক্ষণ পরেই চলে যান। অসুস্থ মানুষকে নিয়ে এই তীব্র গরমে দিনের পর দিন ঘুরেও কাজ হচ্ছে না। এটা কোনো সরকারি সেবার রূপ হতে পারে না। একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেড় মাস ধরে ঘুরছি একটা দলিলের জন্য। অফিসার সময়মতো আসেন না, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরাম-আয়েশে চাকরি করছেন আর সাধারণ মানুষকে জিম্মি বানিয়ে রাখছেন। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? সব অভিযোগ ও ধীরগতির বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাব-রেজিস্ট্রার নাইমা সিদ্দিকা বলেন, আমি তো অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি, এটি আমার মূল কর্মস্থল নয়। শত শত দলিলের তথ্য ও কাগজপত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে যাচাই করতে সময় লাগে। দিনে সর্বোচ্চ ১২৫টি পর্যন্ত দলিল করা সম্ভব হয়েছে। এখানে প্রতিদিন নিয়মিত অফিস করার মতো পূর্ণকালীন কর্মকর্তা পদায়ন করা হলে এই জট কিংবা ভোগান্তি কিছুই থাকত না।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>