বিজ্ঞাপন
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক থেকে গ্রেফতার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৫২ নেতাকর্মীর মধ্যে ১৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমন।
গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লকের ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন
১৫ আগস্ট পালনের প্রস্তুতি, আওয়ামী লীগের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেফতার
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে ওই ফ্ল্যাটে জড়ো হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানের সময় দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। জব্দ করা ব্যানারগুলোতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। কয়েকটিতে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছবিও ছিল।
পরদিন ৫২ জনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পরে ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বুধবার দিন নির্ধারণ করেন।
বুধবার আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের পক্ষে আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড আবেদন বাতিলের আবেদন করে শুনানি করেন
অন্যদিকে তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ১৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এমডিএএ/বিএ
বিজ্ঞাপন