জাতীয়

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মুখের বুলিতেই সীমাবদ্ধ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। তবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি প্রতিষ্ঠান অনেকটা অচ্ছুত করে রেখেছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের মতো বর্তমান সরকারও মুখে রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে তা উপেক্ষিত হচ্ছে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা। ভেতরে ভেতরে রোগ পুষছেন দরিদ্র ও অসহায় মানুষ। সহ্য করতে না পেরে উপজেলা, জেলা কিংবা রাজধানীতে এলেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার মিলছে না। রোগ ও রোগীর চাপে পিষ্ট স্বাস্থ্যখাতে রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমেও নেই তেমন গতি। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছে ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। দলটির নির্বাচনি ইশতেহারে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটেও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এরই মধ্যে ২৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র সিটি করপোরেশন থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে একটি প্রকল্প একনেকেও অনুমোদন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা তাদের বক্তব্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলে আসছেন। আরও পড়ুন অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সব টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত তবে বাস্তবে এর প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নজিরবিহীন সংকট চললেও সেদিকে সরকারের যথেষ্ট নজর নেই। সরকারের ছয় মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের বোর্ড গঠন করা হয়নি। এমনকি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা ট্রাস্ট আইনের পরিপন্থি বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, বোর্ড গঠন না হওয়া এবং এমডির অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছেন ট্রাস্টের সভাপতি। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর চিত্রও একই রকম। সেখানে পদ ও পদায়ন থাকলেও বাস্তবে কেবলই শূন্যতা। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ আমলের ১৭ বছরের জঞ্জাল ও দুর্নীতি পরিষ্কার করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে ঢেলে সাজাতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বোর্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও সভাপতি। তবে, ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের মাধ্যমেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে চায় সরকার। বোর্ড না থাকায় সভাপতির কোনো ক্ষমতা নেই কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের পদত্যাগকারী সভাপতি ড. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুটি কারণেই মূলত পদত্যাগ করেছি। প্রথমটি হলো- ট্রাস্টের যে বোর্ড, সেই বোর্ডটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে গঠন করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারও তা করতে পারেনি। উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ফাইলে সই করার পরও নোটিফিকেশন হয়নি। তখন তাদের যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল, তাই ওই বোর্ড আর গঠন হয়নি। বর্তমান সরকারেরও ছয় মাসের মতো হয়েছে, অথচ এখনো বোর্ডটি গঠন করা হয়নি। বোর্ড গঠিত না হলে সভাপতির কোনো অধিকার বা ক্ষমতা থাকে না। এমডিকে কোনো অনুরোধ করা হলেও তিনি তা না শুনলে করার কিছু থাকে না।’ আরও পড়ুন গবেষণা / ঢাকায় ছোট শিশুদের মধ্যে শিগেলা সংক্রমণ, প্রচলিত টেস্টে শনাক্ত অর্ধেক তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়টি হলো, এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকের সব হিসাব-নিকাশ শুধু একজনের হাতে, আর সেটি হলো এমডি। এমডির কাছে ক্ষমতা থাকায় তিনি বলে দিয়েছেন যে সভাপতির অফিসে আসার দরকার নেই। যেহেতু বোর্ড নেই, তাই আমি বোর্ড মিটিং ডেকে বলতেও পারছি না যে এমডি এমন কথা বলেছেন। এটা কি চরম ও ভয়াবহ রকম স্বৈরাচার নয়?’ এমডির নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ট্রাস্টের আইন অনুযায়ী একজন অতিরিক্ত সচিব এ পদের এমডি হবেন। অথচ বর্তমান এমডি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তিনি সচিবের সব সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন- গাড়ি নিচ্ছেন, গানম্যান নিচ্ছেন, শুনলাম সরকার থেকে বাসাও পেয়েছেন। অথচ তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এটা তো হওয়ার কথা নয়। হওয়ার কথা রানিং অতিরিক্ত সচিব। তাছাড়া একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক তো ঠিক করতে পারেন না যে সভাপতি কতদিন থাকবেন বা থাকবেন না। কিন্তু তিনি বলেই দিয়েছেন সভাপতির থাকার দরকার নেই। তো এ পরিস্থিতিতে আমি আর কী করবো, তাই পদত্যাগ করলাম।’ এর পেছনে কোনো দুর্নীতির যোগসাজশ আছে কি না- এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আগে আওয়ামী লীগের আমলে সেখানে প্রচুর নয়ছয় হয়েছে। প্রচুর লোক নিয়োগ, কেনাকাটা, বাইরে ঘোরাঘুরি- এসব নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে। এখন কিছু পদ খালি আছে, প্রায় ৫০০-৬০০টির মতো। অফিসের সামনে ট্রাস্টের প্রায় দুই একর জায়গা আছে, যেটি পাবলিক হেলথের জায়গা এবং ট্রাস্টের নামে দেওয়া হয়েছে। সেখানে আগের এমডি ৪১৯ কোটি টাকা দিয়ে একটি ভবন বানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন এবং ভবনের কাজ পাওয়ার আগেই তা নিয়ে সবার সঙ্গে ঘুরতেন। তিনি এখন ওএসডি।’ আরও পড়ুন তামাক মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর আইন মানছে না অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান তার মানে সামনে এখন অনেকগুলো কাজ রয়েছে ৫০০-৬০০ নিয়োগ, এই ভবনের প্রকল্প শুরু করা, কেনাকাটা এবং ওষুধ-যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন করা। তাছাড়া বিশাল এ জায়গা স্থানীয় কোনো গুন্ডাপান্ডারা দখল করে ভাড়া দিয়ে দিতে পারে।-এ বিষয়ে স্বার্থের কোনো বড় ধরনের সম্পৃক্ততা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারব না, তবে আন্দাজ করা যায়।’ সভাপতিকে অফিসে আসতে নিষেধ করিনি অভিযোগ অস্বীকার করে এ বিষয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের সচিব এ কে এম ফজলুজ্জোহা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি উনাকে এমন কিছু বলিনি। শুধু তাকে কেন, অন্য কাউকেও কিছু বলিনি। উনি অফিসে আসবেন কি না- এমন কোনো কথা উনার সঙ্গে আমার কখনই হয়নি এবং আমি অন্য কাউকেও এ কথা বলিনি।’ বোর্ড গঠনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদ্যোগ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, বোর্ড গঠনের জন্য এর আগেও দুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমি আসার পরও বোর্ড পুনর্গঠনের জন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছি। নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বার্থেই বোর্ড গঠন প্রয়োজন। তবে সভাপতির মেয়াদের বিষয়ে আমরা এমন কিছু বলিনি। আমরা শুধু বোর্ডটি পুনর্গঠনের কথা বলেছি। আপনি জানেন কি না জানি না, আমাদের বোর্ডটি হলো ১৫ সদস্যবিশিষ্ট।’ আরও পড়ুন ডাক্তারের ভালো আচরণ রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে দেয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ​‘আপনি যে পদে আছেন, এটি তো অতিরিক্ত সচিবের পদ। অথচ আপনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব?’—এ বিষয়ে এ কে এম ফজলুজ্জোহা বলেন, ‘সঠিক। সরকার আমাকে সচিব পদমর্যাদায় এখানে পোস্টিং দিয়েছে। ট্রাস্ট আইনে বলা হয়েছে যে একজন এমডি থাকবেন। আর এমডির অনুপস্থিতিতে বা এমডি নিয়োগ না হলে সরকার অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে পদায়ন করতে পারে। সরকার তো যাকে ইচ্ছা যেকোনো জায়গায় যেকোনো পদাবলীতে পদায়ন করতেই পারে, সেটি সরকারের এখতিয়ার।’ বেতন-ভাতা ও ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর বেতন-ভাতা এবং ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, স্বাভাবিক আছে। গত জুন মাস পর্যন্ত এরই মধ্যে ক্লিয়ার করা আছে। ওষুধও সরবরাহ রয়েছে। জুলাই মাসের অর্থ ছাড় না হওয়ায় সেটি এখনো দেওয়া যায়নি, তবে শিগগির পেয়ে যাবে।’ ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে ১৭ মাস সময় লাগবে এ বিষয়ে সরকারের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের কাছে প্রশ্ন ছিল— আপনারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও গত ছয় মাসে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের বোর্ড গঠন হয়নি। এমডি নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি বোর্ড চেয়ারম্যানকে অফিসে না আসার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি সম্পর্কে আপনি অবগত কি না এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে সরকারের অবস্থান কী? আরও পড়ুন ২০৩৫ সালের মধ্যে শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ৯৫ শতাংশ কমাতে চায় সরকার জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি যে কথাগুলো বললেন, সে কথাগুলো সঠিক নয়। বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা বহু বছর আগে থেকেই তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে এবং তার মূল ভিত্তি ছিল ইউনিয়ন সাব-সেন্টার। সেই ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের অধীনে স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করতেন, সেভাবেই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।’ এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার এ কমিউনিটি ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির এক কারখানা তৈরি করেছিল। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সেই লুটপাটের ইতিহাসে আপনারা দেখবেন, এই কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ওষুধ চুরি করা হয়েছে, তহবিল তছরুপ করা হয়েছে এবং দুর্নীতির বড় বড় অভিযোগ রয়েছে। সেই ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করার জন্য অন্তত ১৭ মাস সময় দিতে হবে। লুটেরা আওয়ামী লীগের সেই জঞ্জাল আমরা পরিষ্কার করছি। সরকারের ছয় মাস এখনো হয়নি, আর কিছুদিন পর হবে। আমরা আশা রাখি, ১৭ মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুশাসন দূর করে নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ শেষ করবো।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে আমরা বলেছিলাম, ফ্যাসিস্টদের ধ্বংস ও লুট করে যাওয়া স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বহীনতার ফলে আরও ভেঙে পড়া এ স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করবো এবং এর ভিত্তি হবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা। সেখানে আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছি। আমরা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবো। কোন ধরনের জনবল কোথায় লাগবে, তার একটি মূল্যায়ন (অ্যাসেসমেন্ট) চলছে এবং সঠিক প্রক্রিয়ায় নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে।’ আরও পড়ুন তদবিরের হাট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়! প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘জনগণের কাছে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বাড়াবো, আমরা তা করেছি। জনগণের কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া, যার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে বেশকিছু ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মানুষ মূলত উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেই স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকে। তাই আমরা দেশের প্রতিটি ৩০ ও ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছি।’ ‘আগে কিছু চিকিৎসার জন্য জেলা পর্যায়ে যেতে হলেও এখন মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই সেই সেবা পাচ্ছে। আমরা সেভাবেই হাসপাতালগুলোর পরিকল্পনা, ডিজাইন ও জনবল নির্ধারণ করছি। সুতরাং ধৈর্য ধরুন, আমাদের সঙ্গে থাকুন। যেভাবে নির্বাচনে জনগণ আমাদের পাশে ছিলেন, এই উন্নয়নের কাজগুলোতেও আমাদের পাশে থাকুন। এর মাধ্যমে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ স্বাস্থ্যসেবা ধনী-দরিদ্র সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।’ বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ২৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকা সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জনবল বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অব্যবহৃত ১৯২টি সম্পত্তি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করে নতুন প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু, পাঁচ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগ এবং ৬০ হাজার মাঠকর্মী ও সেবাদাতাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসইউজে/এমএএইচ/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>