জাতীয়

আস্থাহীন করব্যবস্থায় রাজস্ব বাড়বে কীভাবে?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
10 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
একজন সাধারণ করদাতার কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কী? রাষ্ট্রের অর্থের প্রধান সংগ্রাহক, নাকি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার দপ্তরে ঢুকলেই বাড়তি সতর্ক হতে হয়? কর দেওয়ার মতো সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেন অনেকে করব্যবস্থার কাছাকাছি যেতে স্বস্তি বোধ করেন না? কেন ‘কর দেব’—এই নাগরিক দায়িত্ববোধের পাশে ‘ঝামেলায় পড়ব না তো?’—এই আশঙ্কাটিও জায়গা করে নেয়? এই প্রশ্নগুলো নতুন নয়। তবে গত মঙ্গলবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বক্তব্য প্রশ্নগুলোকে নতুন করে সামনে এনেছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে ভয় না করে, বিশ্বাস করে। তাঁর এই বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো—তিনি রাজস্ব আহরণের সমস্যা শুধু অর্থের সমস্যা হিসেবে দেখেননি; দেখেছেন আস্থা ও বিশ্বাসের সংকট হিসেবেও। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি। কারণ করব্যবস্থা কেবল আইন, বিধি, ফরম, হিসাব ও অর্থের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ক। একজন মানুষ যখন আয় থেকে কর দেন, তিনি আসলে রাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সামাজিক চুক্তিতে অংশ নেন। তিনি আশা করেন, তাঁর দেওয়া অর্থের বিনিময়ে রাষ্ট্র নিরাপত্তা দেবে, শিক্ষা দেবে, স্বাস্থ্যসেবা দেবে, যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করবে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে এবং নাগরিক মর্যাদা রক্ষা করবে। ফলে কর আদায়ের পদ্ধতিতে যদি হয়রানি, অনিশ্চয়তা কিংবা বৈষম্যের অনুভূতি থাকে, তাহলে শুধু রাজস্ব কমে না—রাষ্ট্রের ওপর আস্থাও ক্ষয়ে যায়। দিন শেষে মানুষ কর দিতে ভয় পাবে, নাকি স্বস্তি বোধ করবে—এই পার্থক্যটিই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করে। এনবিআরের সংস্কারের সাফল্য তাই শুধু বছরের শেষে কত টাকা আদায় হলো, সেই সংখ্যায় মাপা উচিত নয়। সাফল্য মাপতে হবে আরও একটি প্রশ্ন দিয়ে—কতজন মানুষ মনে করলেন, ‘আমি কর দিচ্ছি, কারণ রাষ্ট্র আমাকে সম্মান করে এবং আমার টাকার হিসাবও রাষ্ট্রকে দিতে হয়।’ বাংলাদেশের বাস্তবতা আরও কঠিন। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক হিসাবে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে নেমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য সাধারণভাবে অন্তত ১৫ শতাংশের মতো কর-জিডিপি অনুপাত প্রয়োজন। আইএমএফের হিসাবেও ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৬ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের ব্যয় বাড়ছে, নাগরিকের প্রত্যাশা বাড়ছে, অর্থনীতির আকার বাড়ছে—কিন্তু সেই তুলনায় অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ছে না। এখানেই এনবিআরের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আরও কর আদায় করবে কীভাবে? উত্তরটি শুধু ‘কর বাড়িয়ে’ হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন, একই করদাতার ওপর বারবার করের বোঝা বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির নীতি টেকসই নয়। বরং যাঁদের কর দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, তাঁদের শনাক্ত করে করের আওতায় আনতে হবে। এই কথার মধ্যে বাংলাদেশের করব্যবস্থার দীর্ঘদিনের একটি দুর্বলতার ইঙ্গিত আছে—করভিত্তি ছোট, কিন্তু চাপ তুলনামূলকভাবে কেন্দ্রীভূত। একটি অর্থনীতিতে নিয়মিত কর দেওয়া মানুষের সংখ্যা যত কম থাকবে, তত বেশি চাপ পড়বে দৃশ্যমান ও ইতিমধ্যে করের আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর। এতে সৎ করদাতার মধ্যে একসময় প্রশ্ন তৈরি হয়—‘আমি নিয়মিত কর দিচ্ছি, কিন্তু আমার পাশের সমপর্যায়ের ব্যক্তি কর দিচ্ছেন না কেন?’ এই প্রশ্নের উত্তর যদি রাষ্ট্র দিতে না পারে, স্বেচ্ছায় কর দেওয়ার সংস্কৃতি দুর্বল হয়। করব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি আসলে করের হার নয়, স্বেচ্ছায় পরিশোধের সংস্কৃতি। যে দেশে মানুষ বিশ্বাস করে কর দেওয়া স্বাভাবিক নাগরিক দায়িত্ব, সেখানে রাজস্ব প্রশাসনের খরচও কমে, বিরোধও কমে, নজরদারির প্রয়োজনও তুলনামূলকভাবে কমে। আর যেখানে করদাতা মনে করেন, কর দেওয়া মানেই অনিশ্চয়তা, হয়রানি কিংবা অযাচিত জটিলতা, সেখানে যত আইনই করা হোক, কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পাওয়া কঠিন। তাই এনবিআরকে ভয়মুক্ত করার প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রশাসনিক আচরণ। একজন কর কর্মকর্তা যখন করদাতার সঙ্গে কথা বলেন, তখন তিনি শুধু একটি ফাইল দেখেন না; তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে নাগরিকের সামনে দাঁড়ান। তাঁর আচরণ, সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, তথ্যের গোপনীয়তা, সময়ানুবর্তিতা এবং জবাবদিহি—সবকিছু মিলিয়েই করদাতার মনে এনবিআর সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়। একই আইন দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দুই রকমভাবে প্রয়োগ হচ্ছে—এমন ধারণা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠান যতই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করুক, আস্থার সংকট থেকেই যাবে। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রীর ‘জনবান্ধব এনবিআর’র কথা শুধু একটি প্রশাসনিক স্লোগান হয়ে থাকলে চলবে না। এর অর্থ হতে হবে—কম মুখোমুখি যোগাযোগ, বেশি ডিজিটাল সেবা; কম বিবেচনাধীন ক্ষমতা, বেশি স্পষ্ট নিয়ম; কম হয়রানি, বেশি জবাবদিহি। ডিজিটাল ব্যবস্থা এখানে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। অনলাইনে রিটার্ন দাখিল, কর পরিশোধ, নথি যাচাই, আপিলের অগ্রগতি জানা, স্বয়ংক্রিয় নোটিশ, অনলাইন অভিযোগ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা যত বিস্তৃত হবে, ততই করদাতা ও কর্মকর্তার অপ্রয়োজনীয় সরাসরি যোগাযোগ কমবে। এতে সময় বাঁচবে, ব্যয় কমবে এবং অনিয়মের সুযোগও সংকুচিত হবে। তবে ডিজিটালাইজেশন মানেই সংস্কার নয়। পুরোনো জটিল নিয়ম অনলাইনে তুলে দিলেই আধুনিক করব্যবস্থা তৈরি হয় না। বরং জটিলতা যদি সফটওয়্যারের ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে নাগরিকের দুর্ভোগ শুধু কাগজ থেকে স্ক্রিনে স্থানান্তরিত হবে। তাই প্রযুক্তির আগে প্রয়োজন সরলতা। প্রধানমন্ত্রী রাজস্ব কর্মকর্তাদের ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, হস্তান্তর মূল্য নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক করব্যবস্থা, বাণিজ্য অর্থায়ন, আর্থিক অপরাধ, অর্থপাচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উপাত্ত বিশ্লেষণের মতো বিষয়ে দক্ষ হওয়ার যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেটিও সময়োপযোগী। কারণ আজকের অর্থনীতি আর কয়েক দশক আগের অর্থনীতি নয়। একটি কোম্পানি এক দেশে পণ্য বিক্রি করে, অন্য দেশে সেবা নেয়, তৃতীয় দেশে তথ্য সংরক্ষণ করে এবং চতুর্থ দেশে মুনাফা স্থানান্তর করতে পারে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা করা যায় অফিস ছাড়াই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপাদনশীলতার ধরন বদলে দিচ্ছে। ক্রিপ্টোসম্পদ, ডিজিটাল লেনদেন ও সীমান্তপারের সেবার নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। এই পরিবর্তিত অর্থনীতিকে পুরোনো পদ্ধতিতে করের আওতায় আনা সম্ভব নয়। এখানে এনবিআরের জন্য একটি বড় সুযোগ হলো উপাত্তের শক্তি। ব্যাংকিং, কোম্পানি নিবন্ধন, ভূমি, আমদানি-রপ্তানি, যানবাহন, সম্পদ নিবন্ধন, বেতন, ভ্যাট ও অন্যান্য সরকারি তথ্য—আইনসঙ্গতভাবে সমন্বিত ও সুরক্ষিতভাবে বিশ্লেষণ করতে পারলে প্রকৃত কর সক্ষমতা সম্পর্কে অনেক পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব। তখন কর প্রশাসন অনুমাননির্ভর না হয়ে ঝুঁকিভিত্তিক হতে পারে। সবাইকে সমানভাবে সন্দেহ করার বদলে যেসব লেনদেনে অস্বাভাবিকতার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোতে নজর দেওয়া যায়। এতে সৎ করদাতারও লাভ। কারণ একজন নিয়মিত করদাতাকে প্রতি বছর অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হয়রানির মধ্যে ফেলতে হবে না। বরং তথ্য-উপাত্তই বলে দেবে কোথায় অনুসন্ধান প্রয়োজন। ভ্যাটের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ব্যবসাবান্ধব ভ্যাট মানে কর কম নেওয়া নয়; বরং নিয়ম স্পষ্ট করা, নিবন্ধন সহজ করা, রিটার্ন দাখিল সহজ করা এবং অযৌক্তিক প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখায়, করব্যবস্থা যত পূর্বানুমানযোগ্য ও স্বচ্ছ হয়, ব্যবসার অনিশ্চয়তাও তত কমে। বাংলাদেশের রাজস্ব দুর্বলতার পেছনে শুধু করদাতার অনীহা নেই; কর প্রশাসনের কাঠামোগত সমস্যাও আছে। বিশ্বব্যাংক সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে কম কমপ্লায়েন্স, সংকীর্ণ করভিত্তি, দুর্বল ও খণ্ডিত রাজস্ব প্রশাসন এবং উচ্চ কর-ছাড়কে রাজস্ব আহরণের বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আইএমএফও কর-জিডিপি অনুপাত টেকসইভাবে বাড়াতে কর-সুবিধা পুনর্বিন্যাস, কমপ্লায়েন্স বাড়ানো এবং ই-ইনভয়েসসহ আধুনিক ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। অতএব, সংস্কারের জায়গাটি শুধু করদাতার ডেস্কে নয়; এনবিআরের ভেতরেও। কর কর্মকর্তার মূল্যায়নও বদলাতে হবে। কতজনকে নোটিশ দেওয়া হলো, কত টাকা জরিমানা আদায় হলো—শুধু এসব দিয়ে দক্ষতা মাপলে চলবে না। কতজন নতুন করদাতা যুক্ত হলো, কত দ্রুত সেবা দেওয়া হলো, কত অভিযোগ নিষ্পত্তি হলো, কতটা রাজস্ব স্বেচ্ছায় আদায় হলো, করদাতার সন্তুষ্টি কতটা বাড়ল—এসব সূচকও গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। সবচেয়ে জরুরি হলো করনীতিতে স্থিরতা। আজ এক নিয়ম, কাল আরেক নিয়ম—এভাবে ব্যবসায়ী কিংবা সাধারণ করদাতা কেউই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে পারেন না। করের হার, অব্যাহতি, ভ্যাটের আওতা কিংবা প্রশাসনিক নির্দেশনা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পূর্বানুমানযোগ্যতা থাকতে হবে। রাষ্ট্রের রাজস্ব প্রয়োজন আছে, কিন্তু সেই প্রয়োজনের ভার যেন হঠাৎ করে একই জনগোষ্ঠীর ওপর চাপানো না হয়। করদাতাকে সম্মান দেওয়াটিও সংস্কারের অংশ। নিয়মিত কর দেওয়া নাগরিককে রাষ্ট্রের সহযোগী হিসেবে দেখা দরকার, সন্দেহভাজন হিসেবে নয়। আবার ইচ্ছাকৃত কর ফাঁকি, জালিয়াতি বা অর্থপাচারের বিরুদ্ধে কঠোরতা থাকতে হবে। জনবান্ধব কর প্রশাসন দুর্বল কর প্রশাসন নয়; বরং সৎ মানুষের জন্য সহজ এবং অসাধুদের জন্য কঠিন—এটাই হওয়া উচিত তার বৈশিষ্ট্য। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন, অবশ্যই পারবেন।’ এই আস্থা এনবিআরের জন্য যেমন উৎসাহ, তেমনি বড় দায়িত্বও। কারণ রাষ্ট্রের অর্থভান্ডার শক্তিশালী না হলে উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কিংবা অবকাঠামো—কোনোটিই দীর্ঘদিন টেকসই রাখা সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংকও বলছে, বাংলাদেশের নিম্ন রাজস্ব আহরণ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সক্ষমতা সীমিত করছে। কিন্তু রাজস্ব বাড়ানোর পথ যেন আবার পুরোনো ভয় ও হয়রানির পথে না যায়। এনবিআরের সামনে তাই দ্বৈত দায়িত্ব—একদিকে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় রাজস্ব নিশ্চিত করা, অন্যদিকে করদাতার নাগরিক মর্যাদা রক্ষা করা। দিন শেষে মানুষ কর দিতে ভয় পাবে, নাকি স্বস্তি বোধ করবে—এই পার্থক্যটিই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করে। এনবিআরের সংস্কারের সাফল্য তাই শুধু বছরের শেষে কত টাকা আদায় হলো, সেই সংখ্যায় মাপা উচিত নয়। সাফল্য মাপতে হবে আরও একটি প্রশ্ন দিয়ে—কতজন মানুষ মনে করলেন, ‘আমি কর দিচ্ছি, কারণ রাষ্ট্র আমাকে সম্মান করে এবং আমার টাকার হিসাবও রাষ্ট্রকে দিতে হয়।’ যেদিন করদাতা এনবিআরের দরজায় গিয়ে কর্মকর্তাকে দেখে আতঙ্কিত না হয়ে সহযোগিতার আশ্বাস পাবেন, যেদিন কর দিতে গিয়ে দালাল খুঁজতে হবে না, যেদিন নিয়মিত করদাতা বুঝবেন তাঁর তথ্য সুরক্ষিত, সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ এবং অভিযোগের প্রতিকার নিশ্চিত—সেদিনই এনবিআর সত্যিকার অর্থে জনবান্ধব হবে। আর সেদিন রাজস্ব আহরণের জন্য মানুষকে শুধু আইন দিয়ে বাধ্য করতে হবে না; নাগরিক দায়িত্ববোধই বড় শক্তি হয়ে উঠবে। এনবিআরকে মানুষ ভয় না করে বিশ্বাস করবে কবে? যেদিন এনবিআর বুঝবে—করদাতা শুধু রাজস্বের উৎস নন, তিনি রাষ্ট্রের অংশীদার। আর সেই দিনটি যত দ্রুত আসে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ তত দ্রুত শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াবে। লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ। drharun.press@gmail.com এইচআর/এমএফএ/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>