জাতীয়

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বাবা-ছেলের কারাদণ্ড

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার দায়ে তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। রায়ে আব্দুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতে আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। একইভাবে ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগও তার বাবার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়। আরও পড়ুন ধানমন্ডি ৩২-এ হামলা: ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন রায় ঘোষণার সময় বাবা-ছেলে দুজনই আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। দুদকের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল আব্দুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সাত কার্যদিবসের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। এমনকি পরবর্তী সময়ে সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে এক কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় মাত্র ১০ লাখ টাকা। ফলে এক কোটি ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে। এছাড়া আবুল বশরের বিরুদ্ধে ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। আরও পড়ুন বহুল প্রতীক্ষিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিলের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দিয়ে একটি জমি কেনেন আবুল বশর। মাত্র তিন মাস পর ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ওই জমি বড় ছেলে আব্দুল্লাহকে হেবা করে দেন। দুদকের অভিযোগ, এভাবে বাবা-ছেলে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেন। আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৭ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বছরের ১০ আগস্ট চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করা হয়। চলতি বছরের ৩০ জুন বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এমআরএএইচ/কেএসআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>