ব্রেকিং নিউজ
ঢাকার ছিনতাইপ্রবণ ৩ শতাধিক স্থান চিহ্নিত থাকলেও, বেশি ছিনতাই হয় ৫০ এলাকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: বিভীষিকাময় এক অধ্যায়ের সূচনা হলো যেভাবে মেসির ‘ছোট্ট’ ঘোষণায় কত কোটি মনে বড় শূন্যতা শাহজালালে সড়ক দুর্ঘটনা, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত তৃতীয় টার্মিনালে সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত ঢাকা ক্লাব সদস্যদের তথ্য চুরির অভিযোগ, আরআইটিবিডির সিইও রনি রিমান্ডে শিক্ষার্থীদের অনশনের মুখে কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চলতি সপ্তাহেই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, একটি নয় হবে একাধিক ফের নতুন ফোনের নামে ব্যবহৃত ফোন বিক্রির অভিযোগ কেআরওয়াই ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশ
জাতীয়

জয়পুরহাটে রোপা আমনে বাড়তি খরচে দুশ্চিন্তায় কৃষক

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে জয়পুরহাটের প্রান্তিক কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধান চাষ ও পরিচর্যা করতে গিয়ে আর্থিক সংকট ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। ডিজেলের দাম বাড়ায় বেড়েছে জমি চাষের খরচ; সঙ্গে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরিও যোগ করেছে বাড়তি বোঝা। সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। অথচ বাজারে ধানের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে ফসল ফলিয়েও লাভের নিশ্চয়তা নেই-বরং লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকদের। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৭০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখান থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৭ টন ধান উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯৭ ভাগ জমিতে আমন চাষ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের থেকে বিঘা প্রতি হাল চাষে খরচ বেড়েছে ৩০০ টাকা, রোপণ করতে কৃষি শ্রমিকরা বেশি নিচ্ছে ৫০০ টাকা, সংকটের অজুহাতে খুচরা বাজারে সারের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা, কীটনাশকের দাম বেড়েছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। আবার বীজ ও সেচসহ অন্যান্য খরচতো আছেই। জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকার কৃষক ইসমাইল মন্ডল বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হয়তো এবার বিঘা প্রতি ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ২০ মণ ধান উৎপাদন হতে পারে। কিন্তু খরচ অনুপাতে ধানের নায্য দাম যদি না পাওয়া যায়, তাহলে গতবারের আলু ও বোরো মৌসুমের মতই আমনেও লোকসান গুনতে হবে। পাঁচবিবি উপজেলার বীরনগর এলাকার কৃষক গোবিন্দ ও লুৎফর রহমান বলেন, জমি প্রস্তুত, শ্রমিকের মজুরি, চারা, কীটনাশক ও সারের দাম-সব মিলিয়ে গত বছরের তুলনায় এবার খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। এর মধ্যে প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ায় অনেক কৃষককে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হচ্ছে। আরও পড়ুন সাতছড়ির জঙ্গল থেকে পিস্তল-ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার একই অভিযোগ দস্তপুর গ্রামের আদিবাসী কৃষক রবিন ও তাজপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের। তারা জানান, সার নিতে গেলে দোকানে পাওয়া যায় না। আবার পাওয়া গেলেও বেশি দাম চাওয়া হয়। এত খরচ করে ধান চাষ করে শেষে লাভ থাকবে কিনা, সেটাই তাদের চিন্তার বিষয়। তাদের অভিযোগ, বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করছে। কৃষি বিভাগের লোকজন যদি মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করে তাহলে সারের দোকানদাররা বেশি দামে সার বিক্রি করতে পারবে না। জয়পুরহাটের চাঁনপাড়া বাজারের বিসিআইসি অনুমোদিত সারের ডিলার মেসার্স সামছুল আলম চৌধুরীর প্রতিনিধি মো. আজিজুর রহমান বলেন, সরকার নির্ধারিত সারের যে মূল্য তালিকা আছে আমরা সেই তালিকা অনুযায়ী সার বিক্রি করছি। তবে চাহিদা অনুযায়ী সার বরাদ্দ না পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। এ কারণে কৃষক পর্যায়ে চাহিদা অনুযায়ী আমরা সার সরবরাহ করতে পারছি না। সরকারিভাবে কৃষক পর্যায়ে সার বিক্রির তালিকা অনুযায়ী প্রতি বস্তা ৫০ কেজি ওজনের ইউরিয়া সার ১৩৫০ টাকা, টিএসপি সার ১৩৫০, এমওপি সার ১০০০ ও ডিএপি সার ১০৫০ টাকা হিসেবে সার বিক্রির কথা থাকলেও কতিপয় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা তা মানছেন না বলে অভিযোগ কৃষকদের। জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম সাদিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে যদি কোনো সারের ডিলার সারের দাম বেশি নেয় তাহলে অভিযোগ পেলে সেই ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রতি বিঘা জমিতে যে পরিমাণে সার প্রয়োজন এর থেকে ২-৩ গুণ সার বেশি প্রয়োগ করে কৃষকেরা। এছাড়া আগামী আলু মৌসুমের সার এখন থেকেই কিছু কৃষক সংরক্ষণের চেষ্টা করছেন। এর ফলে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হচ্ছে। মো. আল-কারিয়া চৌধুরী/এনএইচআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>