ব্রেকিং নিউজ
৯৯৯ সেবায় দেরি ও ‘জিরো এফআইআর’ ব্যবস্থা চালু না করা প্রশ্নে রুল রাজশাহীতে কালাভুনায় ঘোড়ার মাংস মিশ্রণের ‘গুজব’, মাংসের নমুনা সংগ্রহ চীনের তৈরি  যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে সরকার ও অন্যান্য খবর   সার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করতে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ৭০০ মার্কিন পণ্যে শুল্ক আরোপ কানাডার চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রী হত্যার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পানির খোঁজে চীনের অভিযান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেনী সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি যুবক আটক রংপুরে স্কুলশিক্ষকসহ ৪ হত্যাকাণ্ড, ফরেনসিক রিপোর্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য মদ-শাড়ি নিয়ে ধরা দুই ভারতীয়কে কারাগারে পাঠালেন আদালত
জাতীয়

চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাৎ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
এক চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে সংঘবদ্ধ এক চক্র। এ ঘটনায় ওই চক্রের মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) ও সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। শাহীনুর রহমান এক মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় গুপ্তা একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের মুজিব সড়কের এক শোরুম থেকে পোশাক কেনার সময় একটি ব্যাংকের ব্যক্তিগত ক্রেডিট কার্ড দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক। কার্ড ব্যবহারের সময় জটিলতা দেখা দেওয়ায় লেনদেন সম্পন্ন হতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। আরও পড়ুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে ওই চিকিৎসকের কাছে ফোন আসে। ফোনকারী নিজেকে ইস্টার্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে জানান, তার ক্রেডিট কার্ড সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। কার্ডটি পুনরায় সচল করার কথা বলে বিভিন্ন কার্ড-সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেয় প্রতারক। এর কিছুক্ষণ পরই সাতটি পৃথক লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা ছয়টি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) নম্বরে স্থানান্তর করে নেওয়া হয়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে চিকিৎসক ২০২৩ সালের ২১ মার্চ যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। সিআইডির তদন্তে তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আগে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের জবানবন্দির মাধ্যমে চক্রটির অন্য সদস্যদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় শাহীনুর রহমান শাহিন ও সঞ্জয় গুপ্তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসে। আরও পড়ুন দেশি মাছের ভান্ডারে হাহাকার সিআইডির এই কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেফতার শাহীনুর রহমান এক মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত থাকার সময় তার অধীন ব্র্যান্ড প্রমোটারদের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাহকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে একাধিক সিম নিবন্ধন করাতেন। একটি সিম প্রকৃত গ্রাহকের কাছে দেওয়ার পর অতিরিক্ত ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে নিবন্ধিত অন্য সিমগুলো শাহীনুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে এসব সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা হতো। এসব সিম ও বিকাশ অ্যাকাউন্ট কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে বিকাশ প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অপরাধে ব্যবহার করা হতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার শাহীনুর রহমান শাহিন ও সঞ্জয় গুপ্তা মামলার ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং একই কৌশলে আরও কোনো ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়েছেন কি না- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান সিআইডির এ কর্মকর্তা। টিটি/কেএসআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>