বিজ্ঞাপন
তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে তরুণদের চাকরি, আবেদনের যোগ্যতা, প্রস্তুতি এবং নিয়োগকর্তা হিসেবে তাদের কাছে প্রত্যাশা নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বন্ডস্টাইন টেকনোলজিস লিমিটেডের এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন বিভাগের প্রধান সৈয়দা শতরূপা জাফর।
জাগো নিউজ: চাকরি পাওয়ার জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত কী?সৈয়দা শতরূপা জাফর: টেকনিক্যাল স্কিল, যেটা একজন ক্যান্ডিডেট বা যে কোনো মানুষকেই চাকরি পেতে সহযোগিতা করে। স্পেশালি যখন আমি একটা সফটওয়্যার অর্গানাইজেশনে অ্যাপ্লাই করছি, টেকনিক্যাল স্কিল অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট। অবশ্যই ওই ক্যান্ডিডেটকে টেকসেভি হতে হবে, যেটা আমার সফট স্কিল, সেটা আমাকে, ওই কোম্পানিতে টিকে থাকতে সহযোগিতা করে।যেমন, আমি যদি বলি টিম ওয়ার্কের ক্ষেত্রে বা প্রপারলি কমিউনিকেট করার ক্ষেত্রে আমার এই ধরনের সফট স্কিল খুবই ইম্পর্টেন্ট। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার যেটাকে আমি মনে করি, আমাদের ওনারশিপ নিয়ে কাজ করা। একটা ডেটলাইন বা অন টাইমে ডেডলাইনের মধ্যে জিনিসটা পাবলিশ করতে হবে, এই ওনারশিপটা থাকা অনেক জরুরি।জাগো নিউজ: বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি এক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখছে?শতরূপা: আমার মনে হয়, সব বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা পসিবল, সেটা করছে। একেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম ডিফারেন্ট থাকে বা তাদের এনভায়রনমেন্ট বা স্কিলসেট ইমপ্রুভ করার ব্যাপারে, যেটা স্টুডেন্টদের থাকে, সেটা অবশ্যই ডিফারেন্ট। কিন্তু আমার মনে হয় যে, প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ই তাদের বেস্ট দেয়, একজন শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে।জাগো নিউজ: আপনার প্রতিষ্ঠান কি এক্ষত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে? শতরূপা: অবশ্যই প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রত্যেকটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ডস্টেইন একটা অফার দিতে চায়, ওপেনলি। ইন্ডাস্ট্রি বেস করে স্টুডেন্টদের কোনো স্কিল তৈরির ক্ষেত্রে যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে বন্ডস্টেইন অবশ্যই সহযোগিতা করবে। যাতে পরবর্তীতে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা আমাদের সাথে কাজ করতে পারে।জাগো নিউজ: আপনারা কেমন কর্মী চান? শতরূপা: আমরা ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের বেশি ওয়েলকাম করি আমাদের কোম্পানিতে। বাট আমরা যেই চ্যালেঞ্জ ফেস করি তাদের নিয়ে, সেটা হচ্ছে, একটা অফিসে আসার পর অফিসের যে বিহেভিয়ারগুলো বা অফিস এটিকেটগুলো, বুঝতে তাদের সময় লেগে যায়। দেখা যায়, তারা অন টাইমে অফিসে আসছে না। ১০টা থেকে ৬টা অফিস, কিন্তু তারা লেট করে আসছে অথবা একটা ডেডলাইন, তার ইম্পর্টেন্সটা কি, সেটা ওরা বুঝতে পারে না।দেখা যায় যে, টিমের সাথে কাজ করতে গেলেও অনেক রকমের চ্যালেঞ্জেস ফেস করে। সো, এই জিনিসগুলো আমরা দেখতে পাই। অনেকের মধ্যে টেকনিক্যাল স্কিলও থাকে, তাদের কনসেপ্টও অনেক ভালো। কিন্তু অফিস স্কিল বা প্রফেশনালিজমের জায়গাটায় আমরা ফ্রেশারদের ক্ষেত্রে বড় একটা ঘাটতি দেখি।
জাগো নিউজ: এই ঘাটতি তাদের জন্য কতটা ক্ষতিকর?শতরূপা: টেকনিক্যাল স্কিলের জন্য না, নতুন এই গ্র্যাজুয়েটরা সফট স্কিলের অভাবেই ম্যাক্সিমাম টাইমে অফিসে সারভাইভ করতে পারে না, ফর এ লং টার্ম। দেখা যায় যে, আসলে একটা অফিসে কীভাবে একজন সিনিয়র কলিগ বা একজন কলিগের সাথে কী ব্যবহার করতে হবে অথবা কীভাবে কথা বলতে হবে, ওই জিনিসটা বুঝতেই তাদের বেশ কিছুদিন বা বেশ টাইম লেগে যায়।ধরা যাক, কোনো একটা প্রবলেম হলো, একটা ইনস্ট্রাকশন দিয়েছি বা কোনো একজন লাইন ম্যানেজার একটা ইনস্ট্রাকশন দিল, তারা ইনস্ট্রাকশনটা বুঝতে পারলো না। অনেক সময় ভয়ে তারা জিনিসটা শেয়ারও করে না। রেজাল্ট দেখা যায়, তারা নিজেরাই জিনিসটা নিয়ে পরে সাফার করে। মানে কাজটা প্রপারলি হয়তো ডেলিভার করতে পারে না। এই জিনিসগুলো যদি আরও আপগ্রেডে করতে পারি বা একটু নলেজ গ্যাদার করে তাদের সাথে শেয়ার করতে পারি, ওয়ার্কশপ অথবা মেন্টরশিপ, তাহলে অবভিয়াসলি এই জিনিসগুলো ইমপ্রুভ করা সম্ভব।জাগো নিউজ: টেক ইন্ডাস্ট্রিতে নারী কর্মীর সংখ্যা কি সন্তোষজনক? শতরূপা: আমরা টেক ইন্ডাস্ট্রিতে যখন কোনো একটা পজিশনের জন্য অ্যাপ্লাই করতে বলি, সেখানে নারীদের অংশগ্রহণ সত্যিই খুব কম থাকে। আমি মনে করি, এর একটা রিজন হচ্ছে, তাদের পরিবার থেকে সাপোর্ট বা সমাজের সাপোর্ট তারা একটু কম পায়। যেমন অনেক সময় আমি এমনও কিছু সিভি পাই ক্যান্ডিডেটদের, তারা হয়তো পড়াশোনা করেছে টেক বেসড, কিন্তু তারা চলে আসছে বিজনেস ফিল্ডে। আমি তাদের র্যান্ডমলি জিজ্ঞেস করি, এ রকম হওয়ার কারণটা কী? আপনি তো পড়াশোনা করলেন টেক বেসড, কিন্তু আপনি বিজনেস ফিল্ডে চাকরি করতে চান কেন? অনেকে ফ্র্যাঙ্কলি আমাকে বলেছে, টেক বেসড জবগুলোর জন্য ফ্যামিলির সাপোর্ট পাননি তারা। প্রায় ৯০ শতাংশ নারী একই কথা বলেছে।
আমাদের সমাজে, বাংলাদেশে নারীদের এখনো এতটা মোটিভেট করা হয় না। এই ক্ষেত্রে তারা হয়তো মোটিভেশনটাই হারিয়ে ফেলছেন টেকনিক্যাল কাজ করার ক্ষেত্রে। আমি বলব যে, অবশ্যই আমাদের ফিমেলদের আগ্রহ জাগানো উচিত, যাতে তারা আরও বেশি করে সফটওয়্যার বেসড কাজগুলো করে এবং আমরা যাতে কোম্পানিতে আরও বেশি ফিমেল পাই।জাগো নিউজ: চাকরিতে ঢোকার আগে কী প্রস্তুতি নেওয়া ভালো? শতরূপা: একজন গ্র্যাজুয়েটকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য বলব, পড়াশোনার পাশাপাশি, ক্লাস করার পাশাপাশি যখনই কোনো একটা অবসর সময় পায়, তারা যাতে অবশ্যই বিভিন্ন ছোট ছোট ইন্টার্নশিপে নিজেদের যুক্ত করে। বিভিন্ন কোম্পানিতে প্রয়োজনে ফ্রি, মানে আমি কোনো টাকা-পয়সা নেবো না। জাস্ট আমি কোম্পানির এনভায়রনমেন্টটা বুঝবো বা কাজগুলো বুঝবো। যদি কোনো কাজ, মানে অফিসে কাজ করতে না ইচ্ছা করে, ইন দ্যাট কেস নিজে থেকে কিছু করতে ইচ্ছা করে, তাহলে ভলান্টারি কাজ করা যায়। অথবা ব্যবসা করা যায়। আজকাল অনলাইনে আমি অনেককেই দেখি যে, স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই তারা বিজনেস স্টার্ট করেছে।বিভিন্ন টেকনিক্যাল স্কিল বা অন্যান্য স্কিলগুলোর রেগুলারলি প্র্যাকটিসের মধ্যে রাখা উচিত, যাতে আমরা সেসব ভুলে না যাই। আর আরেকটা জিনিস, যেই সাবজেক্টেই আমরা পড়াশোনা করি না কেন, সেগুলোর বেসিক কনসেপ্টগুলো যাতে অবশ্যই ক্লিয়ার থাকে। কারণ অনেক সময় সিভিতে আমরা অনেক কিছু মেনশন করি যে, আমরা অনেক কোর্স করেছি, অনেক কিছু জানি, কিন্তু যখন সিম্পল একটা প্রশ্ন করা হয়, দেখা যায় স্টুডেন্টরা কনফিডেন্টলি উত্তরগুলো করতে পারে না। আমি বলব যতটুকুই আমরা শিখি, আমরা যেন ভালোমতো শিখি।জাগো নিউজ: চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজের মতো করে প্রস্তুতি নেওয়ার উপায় কী? শতরূপা: এখন সবকিছুই অনলাইনে অ্যাভেলেবল। ইন্টারনেটে অ্যাভেলেবল। গুগল করি বা চ্যাটজিপিটি করি, যে কোনো ধরনের ইনফরমেশন অ্যাভেলেবল। ইনফ্যাক্ট, একটা ইন্টারভিউতে আমরা এইচআররা কী ধরনের প্রশ্ন করতে পারি বা ওগুলোর উত্তর কী হতে পারে, সেটাও ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যায়। তাই বলে আমরা আমাদের নিজস্ব যে ইউনিকনেসটা, সেটা যেন হারিয়ে না ফেলি।
প্রত্যেকটা উত্তরের মধ্যে যেন আমার নিজস্ব কিছু গুণাবলী থাকে বা নিজস্ব কিছু ইউনিকনেস থাকে। যেটা আমাকে অন্যান্য ক্যান্ডিডেট বা অন্যান্য জব হোল্ডারদের থেকে একটু আলাদা করে। নিজের ইনোভেশন বা ক্রিয়েটিভিটিগুলো যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি। যে জিনিসটা অলরেডি আমার মনে হচ্ছে একটু একটু করে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই জিনিসটা নিয়ে আমাদের এখনই একটু কনসার্ন হতে হবে।জাগো নিউজ: যারা চাকরির আবেদন করেন, সবাই ফ্রেস গ্র্যাজুয়েট। কীভাবে বাছাই করেন? শতরূপা: ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের নীতিমালা হচ্ছে, আমরা প্রথমেই প্রেফার করি ইন্টার্নশিপ। আমরা তাদের ইন্টার্নশিপের অফার দিই এবং যদি ইভেন আমাদের বন্ডস্টেইনে আপনারা ভিজিট করেন, দেখতে পারবেন যে, অলমোস্ট ১৫ থেকে ২০ জন ইন্টার্নশিপ করছে আমাদের সাথে। আমাদের প্ল্যান থাকে যে, যদি ইন্টার্ন থেকে তারা ভালো করে, অবশ্যই আমরা তাদের একটা পার্মানেন্ট ফুলটাইম জব অফার করি। আর যদি ফুলটাইম জবের জন্য তারা রেডি নাও থাকে, ইন দ্যাট কেস আমরা তাদের আমাদের ইন্টার্নশিপ লেভেল ২, যেটা হচ্ছে ট্রেইনিশিপ, অফার করি। আমরা ট্রাই করি তাদের রেখে দিতে। এখানে ফ্রেশারদের জন্য অনেক অনেক অপরচুনিটিজ ওপেন আছে।
জাগো নিউজ: আবেদনকারীকে কী কী ধরনের প্রশ্ন করেন? তারা মৌলিক প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?শতরূপা: চাকরির প্রস্তুতির জন্য আমি বলব যে, পড়াশোনা তো অবশ্যই খুব ভালোমতো করা উচিত। কারণ ফ্রেশার হিসেবে কিন্তু আমরা সবসময় তাদের বেসিক প্রশ্নগুলোই করি। প্রথম এক-দুই বছর আমাদের অবভিয়াসলি বই থেকেই প্রশ্ন করা হয়, যেহেতু তারা ফ্রেশার। যখন এক্সপেরিয়েন্সড হয়ে যায়, তখন হয়তো আমরা এক্সপেরিয়েন্স বেসড প্রশ্ন করি। শুধু পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে আউট অব দ্য বক্স কাজ করা উচিত। বিভিন্ন ক্লাব অ্যাক্টিভিটিজ করা উচিত। ছোট ছোট ইন্টার্নশিপ, প্রজেক্টে কাজ করা উচিত বা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা উচিত।যেহেতু আজকাল অনলাইনে অনেক কিছু অ্যাভেলেবল। ইভেন দেখা যায় যে, ইন্টারন্যাশনাল লেভেলেও বাংলাদেশের বাইরে থেকেও আমাদের জব অফার করে। যেমন আমাদের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রায়ই আমরা দেখি যে, তারা চলে যায়। বিকজ অব তারা হয়তো বাইরে থেকে আরও ভালো একটা অফার পেয়েছে উইথ রিলোকেশন (অভিবাস)। এজন্য বাইরেও কিন্তু অনেক অপরচুনিটি ওপেন আছে। আমি বলব যে, একদম শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই আমাদের একটা জিনিস নিজেদের প্রমিজ করা উচিত যে, আমি পড়াশোনাও করব, পাশাপাশি আমি প্র্যাকটিক্যাল যত ধরনের কাজ করা পসিবল, এক্সপ্লোর করব। কারণ আমি এখনো ইয়াং, আমার মধ্যে ওই শক্তিটা আছে, এনার্জিটা আছে, ওই আগ্রহ ও উৎসাহটা এখনো আছে।জাগো নিউজ: আপনাদের প্রতিষ্ঠান বন্ডস্টেইন সম্পর্কে বলুন। শতরূপা: বন্ডস্টেইন সম্পর্কে যদি আমি বলি, আমরা হচ্ছি ভবিষ্যৎ। আই মিন ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের, যে ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে আসলে মানুষের মধ্যে আগ্রহ থাকবে বা মানুষ ব্যবহার করতে যাবে, সেগুলো নিয়েই আমরা কাজ করি। যেমন আমাদের একটা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস হচ্ছে ইন্টারনেট অব থিংস। আমাদের যেটা উদ্দেশ্য যে, ইন দ্য ফিউচার যে কোনো জিনিসের সাথে, যে কোনো প্রোডাক্টের সাথে ইন্টারনেটের একটা কানেকশন অবশ্যই থাকবে।আমাদের সবচেয়ে কোর বা পপুলার প্রোডাক্ট হচ্ছে আমাদের ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম। রাইট নাউ থ্রু দ্য ইন্টারনেট। আমরা বাসায় বসে বলেন, অফিসে বসে বলেন, ইজিলি যে কোনো ভেহিক্যাল, সেটা বাস হতে পারে, ট্রাক হতে পারে বা আপনার নিজস্ব গাড়ি হতে পারে, যেটা আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন বন্ডস্টেইনের ‘ট্র্যাক মাই ভেহিক্যাল’-এর মাধ্যমে। এটা হচ্ছে একটু ইন শর্টে বললাম বন্ডস্টেইনের ব্যাপারে।বন্ডস্টেইন হচ্ছে ইয়াং লেড অর্গানাইজেশন। এখানে ম্যাক্সিমাম এমপ্লয়িই বলা যায় ২৩ থেকে ৩০ বয়সী। আমরা ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের ওয়েলকাম করি এখানে। ইন্টার্নশিপ ইজ ওপেন ফর অল। প্লিজ ফিল ফ্রি টু অ্যাপ্লাই। আমাদের ওয়েবসাইটে লিংক আছে, ইমেইল অ্যাড্রেস দেওয়া আছে। এছাড়া যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে কোনো হেল্প চায়, রিগার্ডিং ওয়ার্কশপ বা যে কোনো কিছু যে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড স্কিলগুলো বা এই রিলেটেড কোনো একটা মেন্টরশিপ সেশনের জন্যও, উই আর ওপেন ফর ইট। কাইন্ডলি আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন, আমরা আপনাদের হেল্প করবো।জাগো নিউজ: আপনারা আর কী কী নিয়ে কাজ করেন?শতরূপা: যেমন আমাদের অনেক বড় গ্রাহক হচ্ছে রানার। তারা আমাদের প্রোডাক্ট ইউজ করছে। এছাড়া আমরা সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করি, ফর এক্সাম্পল ব্র্যাক ব্যাংক আমাদের সাথে কাজ করছে। আমরা এআই নিয়ে কাজ করি, গেম ডেভেলপমেন্ট করি। আমরা অল ওভার আইওটি সলিউশনস নিয়ে কাজ করি। রিসেন্টলি আমরা একটা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে একটা মেশিনও প্রোভাইড করেছি, যেটা এআই এর থ্রুতে চালানো হয়। এছাড়া আমাদের বিভিন্ন ইন হাউস প্রোডাক্টও রয়েছে। যেমন আমাদের আছে সিআরএম সফটওয়্যার, এটার নাম লিড সফটওয়্যার।
এখানে আসলে কাজ করার অনেক অপরচুনিটিজ, অনেক অনেক স্কোপ রয়েছে এবং খুব ইন্টারেস্টিং ব্যাপারগুলো। যেমন ধরেন যে, আপনি যদি গেম ডেভেলপমেন্টে আপনার ফিউচার করতে চান, ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম ইন হিয়ার। আপনি যদি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করতে চান, আপনি এখানেও আসতে পারবেন। এছাড়া ফিউচারে যে এআর, ভিআর-এর কথা আমরা বলি, সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করি।
জাগো নিউজ: আপনাদের মানবসম্পদ বিভাগ যথাযথ কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী জটিলতা ফেস করছে? শতরূপা: যেহেতু আমরা একটা সফটওয়্যার অর্গানাইজেশন, এখানে দেখা যায় যে, যেই গতিতে আমাদের টেকনোলজিগুলো চেঞ্জ হচ্ছে, সেই হিসেবে স্কিলড পারসনদের পাওয়াটা একটু ডিফিকাল্ট। এবং হয়তো আমরা সেই রাইট পারসনটাকে পেলাম, কিন্তু রাইট টাইমে পাওয়াটা আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ। দেখা যায়, আমাদের হাতে অনেক ক্ষেত্রে সময় কম থাকে। সেই সময়ের মধ্যে স্কিলড পারসন খুঁজে পাওয়াটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয়ত, ওই পারসনটাকে ধরেন আমরা পেলাম, পাওয়ার পরে তার মোটিভেশনটা ধরে রেখে তাকে কোম্পানিতে একটা লং টার্ম সাসটেইন করানোটা অ্যানাদার চ্যালেঞ্জ। সো দেখা যায় যে, আমাদের এইচআরকে বিভিন্ন রকমের অ্যাক্টিভিটিজ করতে হয়। কর্মী নেওয়াই শেষ কাজ নয়, বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তার উদ্দীপনাও ধরে রাখতে হয়।
শাহজালাল/এমআইএইচ/আরএমডি
বিজ্ঞাপন