সারাদেশ

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করল মার্কিন আদালত

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
7 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিতের নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। শুক্রবার (২২ আগস্ট) ম্যানহাটনের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস এ রায় দেন। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারক ভার্গাস তার রায়ে উল্লেখ করেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এই নীতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। তিনি নীতিটিকে ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ বলেও উল্লেখ করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শুধু আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা প্রদান নিষিদ্ধ করা যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই আইনে অভিবাসী ভিসার বিষয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন কর্তৃত্ব নেই। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নীতিটি কার্যকর করা হয়। এর আওতায় লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে, বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখা হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তখন দাবি করেছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সম্পদের ওপর নির্ভরশীল বা ‘পাবলিক চার্জ’ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। বাংলাদেশিদের ওপর প্রভাবএই নীতির আওতায় বাংলাদেশ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে অভিবাসী ভিসার আবেদন করা বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশিদের পরিবারের সদস্যদের দেশটিতে নেওয়ার প্রক্রিয়া এতে বাধাগ্রস্ত হয়। আদালতের রায়ের ফলে বাংলাদেশসহ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে রায় কার্যকর হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলো কীভাবে এবং কত দ্রুত পুনরায় প্রক্রিয়াধীন হবে, সে বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি। মামলাটি দায়ের করে অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদারসহ কয়েকটি সংগঠন। মামলায় অভিবাসী ভিসার আবেদনকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেরও বাদী করা হয়, যারা নির্ধারিত দেশগুলো থেকে পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরে আসছে। প্রশাসনের বিভিন্ন অভিবাসন বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জ হয়েছে। বিচারক জ্যানেট ভার্গাস সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক। রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>