বাংলাদেশ: ২১ ওভারে ৫১/৪
হতাশার শেষই হলো নাজমুল হোসেনের ইনিংসের। লায়নের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন। তবে বল গেছে লং অফে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার স্টার্কের হাতে। চতুর্থ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ৪৬ বলে ৩১ রান করে আউট হলেন নাজমুল।
বাংলাদেশ : ২০.৫ ওভারে ৫১/৩
দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম বিপদ সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভেতরে ঢোকা বলে যদিও অস্বস্তিতে পড়তে দেখা গেছে মুশফিককে, তিনি খেলছেনও কিছুটা ধীরগতিতে। তবে বল একটু পুরোনো হলে ব্যাটসম্যানদের রান করা আরও সহজ হবে এই উইেকটে। বাংলাদেশ হয়তো ওই অপেক্ষাই করছে। ইনিংস হার এড়াতে এখনও তাদের করতে হবে ৯৬ রান।
বাংলাদেশ: ১১ ওভারে ৩৯/৩
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষ হলো। এই সেশনটাও জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সকালে অস্ট্রেলিয়ার দুই উইকেট তুলে নিলেও প্রথম ইনিংসে তাদের লিড ১৪৬ রানের। ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। স্টার্কের পরপর দুই বলে সাদমান ও মুমিনুল আউট হন। পরে কামিন্সের বলে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদও। এখন উইকেটে আছেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান নাজমুল ও মুশফিক। এর মধ্যে নাজমুল একবার ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচেছেন, তবে তিনি বেশ ইতিবাচক ব্যাটিং করছেন। ২৪ বলে ২৩ রান অপরাজিত আছেন নাজমুল, ৬ বল খেলা মুশফিক করেছেন ৪ রান।
ইনিংস হার এড়াতে এখনও ১০৭ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। হাতে আছে ৭ উইকেট।

বাংলাদেশ: ৮ ওভারে ২৪/৩
পাতা ফাঁদেই পা দিলেন তানজিদ হাসান। তিনি পুল–হুক করবেন এই আশায় অনেক্ষণ ধরেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই অনুযায়ী ফিল্ডিংও সাজানো ছিল। পাতা ওই ফাঁদেই পা দিলেন তানজিদ। কামিন্সের বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন ফাইন লেগে। ডারউইনে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর টানা দুই ইনিংসে শূন্যতে আউট হয়েছিলেন। এবার ৩৪ বলে এই ওপেনার করেছেন ৯ রান। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন মুশফিকুর রহিম, তাঁর সঙ্গী নাজমুল।
বাংলাদেশ : ২.৪ ওভারে ৫/২
প্রথম বলটাই ফুলটস দিয়েছিলেন স্টার্ক, তানজিদ পাঠিয়েছিলেন বাউন্ডারিতে। আগের ইনিংসে ৬ উইকেট পাওয়া বাঁহাতি পেসারের প্রথম ওভারটা তিনি পার করেছিলেন বেশ ভালোভাবেই। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারে এসে উইকেট পেয়ে গেছেন স্টার্ক। তাঁর বাউন্সার বুঝতে না পেরে ক্যাচ দিয়ে ১ রান করে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন ৩ বল খেলা সাদমান ইসলাম। পরের বলে বোল্ড হয়ে গেছেন মুমিনুলও।

নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন নাজমুল। দ্বিতীয় বলে তিনি চারও মেরেছেন। প্রথম ইনিংসের মতো আরও একবার বিপর্যয় যেন নেমে না আসে, দায়িত্বটা নিতে হবে অধিনায়ককে।
অস্ট্রেলিয়া: ৫২.৩ ওভারে ২১০
শেষ উইকেটটা নিলেন তাইজুল ইসলাম। তাঁর বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হয়েছেন হ্যাজলউড, ৩২ রানে অপরাজিত থেকে গেলেন লায়ন। অস্ট্রেলিয়া অলআউট হলো ২১০ রানে। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড ১৪৬ রানের।
বাংলাদেশের বোলাররা তাদের কাজটা আরও একবার ঠিকঠাক করেছেন। ১৫ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে তাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল। একটি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন, তাইজুল ও মিরাজ। এখন দায়িত্বটা ব্যাটসম্যানদের কাঁধে, প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন তো?
অস্ট্রেলিয়া: ৪৭.২ ওভারে ১৯১/৯
গতকাল যেখানে শেষ করেছিলেন, আজ সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন শরীফুল। প্রথম আধঘণ্টা তবু হতাশাতেই কেটেছে। তবে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে গ্রিনকে ফিরিয়ে দিয়েছেন শরীফুল, ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে যেটার বণর্ণা এসেছে এভাবে ‘নব্বইয়ের দশকে ওয়াসিম আকরামের মতো ডেলিভারি।’

শরীফুলের দুর্দান্ত একটা ইয়র্কার একটু দেরিতে সুইং করে। ওই বলের কোনো উত্তরই ছিল না গ্রিনের কাছে, তাঁর সামনের পায়ের বুটের ডগায় লাগলেও আম্পায়ার আউট দেননি। তবে রিভিউ নিয়ে সফল হয়েছে বাংলাদেশ। ৬৭ রান করে এলবিডব্লু আউট হয়েছেন গ্রিন। সপ্তম উইকেট পেয়েছেন শরীফুল। বাংলাদেশ পেয়েছে তাদের নবম উইকেট।
অস্ট্রেলিয়া: ৪৭ ওভারে ১৮৬/৮
দ্বিতীয় দিনের প্রথম আধঘণ্টা শেষ হয়ে গেছে। শুরুটা করেছিলেন দুই পেসার শরীফুল ও হাসান। কিন্তু হাসান কয়েকটা আলগা বল করে বাউন্ডারি হজম করার পর তাঁকে সরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল। এখন শরীফুলের সঙ্গে আরেকপ্রান্তে বল করছেন তাইজুল। দুজন বেশ চাপেই রেখেছেন। কিন্তু উইকেট আসছে না। অস্ট্রেলিয়ার লিড ১২২ রানের।
ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিন শুরু হচ্ছে আর মিনিট দশেক পর। অস্ট্রেলিয়ার হাতে এখনও ২ উইকেট আছে, লিডও ছাড়িয়ে গেছে এক শ। কোথায় থামবে তারা? বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই চাইবে দ্রুত তাদের অলআউট করতে। এজন্য তাদের বড় ভরসা শরীফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসারের সামনেও বড় কিছুর হাতছানি— আর এক উইকেট পেলে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগার হবে তাঁর।

টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফেরান মিচেল স্টার্ক। সেই যে শুরু, এরপর সারাদিনে দুই দল মিলিয়ে হারিয়েছে ১৮ উইকেট। যার ১২টিই নিয়েছেন দুই দলের দুই বাঁহাতি পেসার স্টার্ক ও শরীফুল ইসলাম।

দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১০ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন স্টার্ক। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় মাত্র ৬৪ রানে। এমন কিছুর পর কোনো আশাই বেঁচে থাকার কথা ছিল না। কিন্তু প্রথম দিনশেষে অন্তত তা বেঁচে আছে।
আগের ১৩ টেস্টে কখনো ৪ উইকেট না পাওয়া শরীফুল একাই ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে দেননি। ৮ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া ১৬৫ রানে দিনশেষ করেছে, তাদের লিড এখন ১০১ রানের।
অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করার পথে বাংলাদেশের বড় বাধা গ্রিন। ৮১ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি, তাঁর সঙ্গী আরেক অপরাজিত নাথান লায়ন ২৮ বলে করেছেন ১০ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ৩৪ ওভারে ৬৪ (শরীফুল ১৪, তাইজুল ১১*, মিরাজ ১১, হাসান ১০; স্টার্ক ৬/১২, কামিন্স ৩/২৫, হ্যাজলউড ১/১৮) অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস : ৪০ ওভারে ১৬৫/৮ (গ্রিন ৫১*, স্মিথ ৪২, হেড ২২, লায়ন ১০*; শরীফুল ৬/৩৫, তাসকিন ১/৪১, মিরাজ ১/৪) প্রথম দিনশেষে
অস্ট্রেলিয়া: ৩৫ ওভারে ১৫১/৩
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। তাঁকে ফিরিয়েই নিজের ষষ্ঠ উইকেট পেয়েছেন শরীফুলও। দিনের খেলার এখনও ২০ মিনিট মতো বাকি। অস্ট্রেলিয়ার বাকি দুই উইকেট কি তুলতে পারবেন বাংলাদেশের বোলাররা?

দুর্দান্ত!
মুহূর্তের মধ্যেই যেন ম্যাচে ফিরে এল বাংলাদেশ। ধীরে ধীরে ছিটকে যেতে থাকা ম্যাচে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে এনেছেন আসলে শরীফুল ইসলাম। এক ওভারেই ২ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ওয়েবস্টারকে এলবিডব্লু করার পর তাঁর বাউন্সার বুঝতে না পেরে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন কামিন্স। ৬ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়েছে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়া: ৩২ ওভারে ১৪৭/৭। তাদের লিড ৮৩ রানের।
বলতে বলতেই শরীফুল উইকেট এনে দিলেন!
টেল এন্ডাররা এখন আসতে শুরু করবেন অস্ট্রেলিয়ার। লিড এখনও এক শ পেরোয়নি। বো ওয়েবস্টারকে দুর্দান্ত এক ডেলেভারিতে এলবিডব্লু করেছেন শরীফুল। রিভিউ নিয়েও তিনি বাঁচতে পারেননি। শরীফুল পেয়েছেন চতুর্থ উইকেট, অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করতেও আর ৪ উইকেট দরকার বাংলাদেশের। দ্রুতই সেই কাজটা করে ফেলতে চইবেন বোলাররা।
অস্ট্রেলিয়া : ৩১ ওভারে ১৪৫/৫
ডারউইনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন মিরাজ। আজ ম্যাকাইতেও প্রথম ওভারেই উইকেট পেয়ে গেলেন। তাঁর বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন অ্যালেক্স ক্যারি। মিড অফে দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন হাসান মাহমুদ।
দিনের এখনও আধঘণ্টার বেশি সময় খেলা বাকি। বাংলাদেশ নিশ্চয়ই চাইবে আরও এক–দুইটা উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখতে। লিডটা যদিও ৮১ রান হয়ে গেছে। কিন্তু দেড় শর নিচে তা রাখতে পারলে সুযোগ থাকবে বাংলাদেশেরও।
স্মিথ আর গ্রিনের জুটি একটু একটু করে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিচ্ছিল বাংলাদেশকে। স্মিথকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভেঙেছেন শরীফুল। তাঁর বল স্মিথের প্যাডে লাগলে এলবিডব্লু দেন আম্পায়ার। একটু ভেবে রিভিউ নেন স্মিথ। রিপ্লেতে দেখা যায়, ইম্প্যাক্ট ও হিটিং দুটোই আম্পায়ারস কল। ৭৪ বলে ৪২ রান করে আউট হয়েছেন স্মিথ। ১০৮ বলে তাঁর ৭৭ রানের জুটি ভেঙেছে গ্রিনের সঙ্গে।
অস্ট্রেলিয়ার রান এখন ৪ উইকেটে ১১৮। এখান থেকে দ্রুত আরও এক দুইটা উইকেট তুলে নিতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার টেলএন্ডাররা আসতে শুরু করবেন। বাংলাদেশও নতুন করে আশা খুঁজে পাবে তখন।
চা বিরতির পর উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ। উইকেট ওই তিনটিই। স্মিথ ও গ্রিন এখন আরও স্বাচ্ছন্দ্যে খেলছেন, রানও তুলছেন দ্রুতগতিতে। ৮৩ বলের জুটিতে ৬১ রান এসেছে।
এমন চলতে থাকলে বাংলাদেশকে টেস্টের বাকিটা সময় কঠি পরীক্ষাই দিতে হবে। ম্যাচে ফিরতে হলে দ্রুত উইকেট নিতে চাইবেন বোলাররা।
অস্ট্রেলিয়া: ২২ ওভারে ১০২/৩

অস্ট্রেলিয়া: ৩৪ ওভারে ৬৪/৩
চা বিরতির পর উইকেট আসছে না। স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে চাপ সামলানোর চেষ্টা করছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশর বোলাররাও অবশ্য খুব একটা সুযোগ দিচ্ছেন না। হাসান মাহমুদের বল অল্পের জন্য স্মিথের ব্যাট হয়ে স্টাম্পে যায়নি। একটু আগেই গ্রিন স্লিপের পাশ দিয়েই ক্যাচ মতো তুলে দিয়ে বাউন্ডারি পেয়েছেন।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার রান হয়ে যাচ্ছে। যত বল পুরোনো হবে, বাংলাদেশের বোলারদের উইকেট তুলে নেওয়ার কাজটা ততটাই কঠিন হবে।
অস্ট্রেলিয়া: ১০ ওভারে ৫০/৩
এক ওভারেই শরীফুল পেলেন দুই উইকেট, এর আগে শুরুটা করে দিয়েছিলেন তাসকিন। ৩ উইকেট নিয়ে চা বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ৬৪ রানেই অলআউট হয়ে যাওয়ার পর লড়াইয়ের রাখার কাজটা বেশ কঠিন। কিন্তু এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে বাংলাদেশ হাল ছাড়তে রাজি নয়। বোলাররাই এখন ভরসা বাংলাদেশের।

অস্ট্রেলিয়া: ৮ ওভারে ৪১/৩
আরও একবার ট্রাভিস হেডের ব্যাট হয়ে বল স্টাম্পে গেল। ডারউইনে তাঁকে দুবার এভাবে আউট করেছিলেন হাসান মাহমুদ। আজ তিনি ঠিকঠাক লাইন–লেন্থ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ৩ ওভার পর তাঁকে সরিয়ে শরীফুলকে এনেই সফল হয়েছেন অধিনায়ক নাজমু ল। বাঁহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকা বল হেডের ব্যাট হয়ে স্টাম্পে গেছে। দ্বিতীয় উইকেট পেয়েছে বাংলাদেশ।
ওই ওভারেই শরীফুল ফিরিয়েছেন মার্নাস লাবুশেনকে। তাঁকে একটু দুর্ভাগাই বলা যায়। থাই প্যাডে লেগে তাঁর লেগ স্টাম্পে ভেঙে দিয়েছে বল। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেছেন ক্যামেরন গ্রিন। বাংলাদেশ এখনও হাল ছাড়েনি!

অস্ট্রেলিয়া: ৩.৪ ওভারে ২৬/১
ইনিংসের প্রথম বলেই বাই চার দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। ঝাঁপিয়ে পড়েও বলটা ধরতে পারেননি উইকেটকিপার লিটন দাস। কিন্তু এরপর থেকেই দুর্দান্ত বোলিং করছিলেন। সেটির পুরস্কারও পেয়ে গেলেন তাসকিন। তাঁর বলে ফ্লিক করতে গিয়েছিলেন ম্যাট রেনশ। কিন্তু বলটা গেছে তৃতীয় স্লিপে। সাড়ে তিন বছর পর টেস্টে ফেরা রেনশ ১০ বলে ৮ রান করে আউট হয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া যদিও রান করছে দ্রুতগতিতে!

৬৪ রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ!
১২ রানেই ছিল না ৫ উইকেট। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ঘণ্টা বাংলাদেশের জন্য ছিল বিভীষিকাময়। সেখান থেকে তুলনামূলক ভালোই শেষ হয়েছে! শেষ উইকেটে তাইজুল ও শরীফুলের ৩৫ বলে ২৫ রানই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের জুটি। শেষ ব্যাটসম্যান শরীফুল ১৯ বলে ১৪ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ২৬ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকলেন তাইজুল।

বাংলাদেশের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানই শূন্য রানে আউট হন, টেস্টে প্রথমবার ঘটে এমন ঘটনা। সেখান থেকে শীর্ষ সাত ব্যাটসম্যানের মধ্যে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ কিছুটা আশা দেখিয়েছিলেন— কিন্তু তারাও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।
এক সময় টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬), অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বনিম্ন (২৭), অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বনিম্ন (৩৬), নিজেদের ইতিাসে সর্বনিম্ন (৪৩)— কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ার সবগুলো সম্ভাবনাই ছিল। তবে শেষ উইকেটের ওই জুটি বাঁচিয়ে দেয় বাংলাদেশকে।
স্টার্ক ১০ ওভার বল করে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট পেয়েছেন। বাকি চার উইকেটের তিনটি কামিন্সের, অন্যটি হ্যাজলউডের।
বাংলাদেশ: ২৫ ওভারে ৩৬/৭
আউট হয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজও। শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনি। ৫০ বলও খেলে ফেলেছিলেন। কিন্তু মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে গেলেন মিরাজ। কামিন্সের অফ স্টাম্পের বাইরে লাফানো বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ: ২৩ ওভারে ৩৫/৬
বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো প্রথম সেশনের শেষ হলো। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাচ্ছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দুই ঘণ্টা বাংলাদেশ ভুলেই যেতে চাইবে। প্রথম বলে সাদমান ইসলামের আউট হয়ে যাওয়ার পরই বিপর্যয়ের শুরু হয়েছিল, প্রথম ঘণ্টায়ই তারা হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। সবগুলোই পান স্টার্ক।
বাঁহাতি এই পেসারের গতি, সুইং তো ছিলই; বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাও নিজেদের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে ফেলেছিলেন। হাফভলিতে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে, কারও কারও শট সিলেকশনও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডও নতুন করে লেখার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ।
প্রথম ঘণ্টায় বিপর্যয়ের পর মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে একটু আশা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তিনিও কামিন্সের ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে গেছেন। আপাতত অবশ্য টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬) ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বনিম্ন (২৭) রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এড়ানো গেছে।
তবে নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ রান এড়াতে এখনও কিছুটা পথ বাকি। হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে যদিও এখন অন্তত পঞ্চাশ পেরোনোর আশা দেখছে বাংলাদেশ। ৪৮ বলে ১১ রান করে মিরাজ ও ২৪ বল খেলে অপরাজিত আছেন হাসান।

এদিকে বিরতি শুরুর আগে স্টার্কের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁর স্ত্রী অস্ট্রেলিয়া নারী দলের সাবেক অধিনায়ক ও এই টেস্টের ধারাভাষ্যকার এলিসা হিলি। স্টার্ক তাঁকে বলেছেন, ‘এই উইকেটে প্রথমে বোলিংয়ের সুযোগ পাওয়াটা চমৎকার ছিল; এখানকার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বলেছিল এই উইকেটটা অনেকটা গ্যাবার মতো। তাই উইকেটের শুরুর দিকের সুবিধা কাজে লাগিয়ে প্রথম সেশনেই ছয়টি উইকেট তুলে নিতে পেরে আমরা মোটেও অসন্তুষ্ট নই (হাসি)।’
ডারউন টেস্টের পর বোলারদের মধ্যে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে স্টার্ক বলেন, ‘আমাদের কিছুটা ফুলার লেন্থে বল করতে হতো। প্রথম টেস্টে তারা বেশ ধৈর্য ধরে খুব ভালো ব্যাটিং করেছিল। তাই মূলত আমাদের কাজ ছিল বলের লেন্থ একটু সামনে রাখা, বাউন্সার একটু বেশি ব্যবহার করা এবং ক্যাচগুলো ঠিকঠাক ধরা।’
স্টার্কের বিশ্বাস, উইকেট ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যানদের জন্য ভালো হচ্ছে। তাদের ব্যাটসম্যানরা এখানে রান করতে পারবেন।

বিপর্যয়ের সময় উইকেটে এসেছিলেন, ১২ রানে ছিল না ৫ উইকেট। মুশফিকুর রহিম রান করার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন একরকম। তাঁর চাওয়া ছিল শুধু উইকেটে টিকে থাকা। কখনো বল ছেড়ে দিয়ে, কখনো ডিফেন্ড করে কাজটা তিনি ভালোই করছিলেন। কিন্তু হুট করে কামিন্সের সামান্য ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে গেলেন। ৪২ বলে ৫ রান করেছেন মুশফিক। বাংলাদেশের টেইল শুরু হয়ে গেছে, উইকেটে এসেছেন হাসান মাহমুদ।
টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬) রানে অলআউটের রেকর্ড এড়াতে বাংলাদেশকে এখনও ৩ রান করতে হবে। নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৭ এখনও অনেক দূর।
বাংলাদেশ: ১৬ ওভারে ২৩/৬
ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ঘণ্টা পার হয়েছে। পুরোটাজুড়েই ছিলেন মিচেল স্টার্ক। বাংলাদেশের ৫ ব্যাটসম্যানের সবাইকে আউট করেছেন। ডেল স্টেইনের ৪৩৯ উইকেট ছাড়িয়ে টেস্টে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেটের তালিকায় শীর্ষ পাঁচেও চলে এসেছেন স্টার্ক। ৭০৪ উইকেট নিয়ে সবার উপরে আছেন জেমস অ্যান্ডারসন।

অবিশ্বাস্য! আগের বলেই স্টার্কের বাউন্সারে বিভ্রান্ত হয়ে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন লিটন দাস। কিন্তু আগেভাগে উদ্যাপন করতে গিয়ে ক্যাচটা ছেড়ে দেন ওয়েবস্টার। পরের বলেই তিনি হয়ে গেছেন এলবিডব্লু। শুরুতে অবশ্য আম্পায়ার আউট দেননি। অস্ট্রেলিয়া রিভিউ নেওয়ার পর আউট হয়ে গেছেন লিটন। ৪ ওভারের মধ্যেই ফাইফার পূর্ণ হয়ে গেছে স্টার্কের!
২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। টেস্টে সেটিই তাদের সর্বনিম্ন স্কোর। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬ রানে অলআউট হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেটিই এখনও টেস্টে কোনো দলের সর্বনিম্ন। বাংলাদেশ কি পারবে এত রান করতে?
বাংলাদেশ: ৭ ওভারে ১২/৫
বাংলাদেশ: ৫ ওভারে ১০/৪
মুমিনুলও আউট। এবারও ফুল লেন্থের বল, একটু দেরিতে সুইং করেছে। মুমিনুলও তানজিদের মতো ‘নাথিং শট’ খেলে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন। স্টার্কের সামনে যেন অসহায় হয়ে গেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এখন পর্যন্ত হারানো ৪ উইকেটের সবগুলোই নিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ : ৩ ওভারে ৯/৩
এবার আউট হয়ে গেলেন তানজিদ হাসান। এবারও বোলারের নাম মিচেল স্টার্ক। তানজিদ কী করলেন তিনি নিজেও হয়তো জানেন না। ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে যেমন বলা হলো, ‘অলস শট।’ স্টার্কের ফুল লেন্থের বল তানজিদের ব্যাট হয়ে স্লিপে ক্যাচে গেছে।
বলতে বলতেই আউট হয়ে গেলেন নাজমুল হোসেনও। তাঁকে দুর্ভাগা বলতে হয়। এলবিডব্লুর সিদ্ধান্তে রিভিউ নিয়েছিলেন। অল্পের জন্য স্টাম্প হিট করেছে, আম্পায়রস কলে আউট হয়েছেন নাজমুল। হতাশাকে সঙ্গী করে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
স্টার্ক হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন স্টার্ক। কিন্তু মুশফিকুর রহিম তা হতে দেননি।
বাংলাদেশ শুরুতেই বড় বিপদে পড়ে গেল। আউট হওয়া তিন ব্যাটসম্যানের সবাই শূন্য রানে ফিরেছেন।

প্রথম বলে আউট হয়ে গেছেন বাংলাদেশের ওপেনার সাদমান ইসলাম। স্টার্কের করা ফুল লেন্থের স্টাম্প বরাবর করা বল মিডউইকেটে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর ব্যাটে ঠিকঠাক লাগেনি। গালিতে ক্যাচ ধরা ক্যামেরন গ্রিনও বোধ হয় প্রথম বলে এমন কিছু আশা করেননি!
মিচেল স্টার্কের জন্য যদিও এরকম ঘটনা নতুন নয়। টেস্টে এ নিয়ে চতুর্থবার প্রথম বলেই উইকেট পেলেন বাঁহাতি পেসার। তবে তাঁর চতুর্থ বলে চার মেরেছেন মুমিনুল। তাঁকে এখন দায়িত্ব নিতে হবে। অন্তত নতুন বলটা পার করতে হবে তানজিদ–মুমিনুলকে। নয়তো পরের ব্যাটসম্যানদের আরও বেশি চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে।
বাংলাদেশ: ১ ওভারে ৪/১

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়াটাই ছিল অবিশ্বাস্য এক ঘটনা। বাংলাদেশের সামনে এই ম্যাচে হাতছানি দিচ্ছে আরও বড় কিছু। ম্যাচটা জিতলে দুই টেস্টের সিরিজে ধবলধোলাই হবে অস্ট্রেলিয়া। গত ১৩৯ বছরে অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ধবলধোলাই হতে দেখা যায়নি। সেই ১৮৮৭ সালে ঘরের মাঠে এমন লজ্জার সঙ্গে প্রথম ও সর্বশেষ দেখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। দুই ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজটা ইংল্যান্ড জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে। দুটি টেস্টই হয়েছিল সিডনিতে। প্রথম টেস্টে ১৩ রানে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচটি ৭১ রানে জেতে ইংলিশরা।
ওই ধবলধোলাইয়ের পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া একাধিক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলেছে ১১০টি। কিন্তু কখনো তারা সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হারেনি। এবার কি বাংলাদেশ তা করে দেখাতে পারবে? সেই প্রস্তুতিটা গতকাল তারা কীভাবে নিয়েছে তা পড়তে পারেন প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদের এই লেখায়— ম্যাকাইকে বুঝতে কী কী করছে বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টের একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। চোটের কারণে ওই টেস্টের দলে না থাকা শরীফুল ইসলাম খেলছেন আজ। তাঁকে জায়গা দিতে এই ম্যাচের একাদশে নেই ইবাদত হোসেন। কম্বিনেশনটা আগের মতোই— সাত ব্যাটসম্যান, স্পিনার হিসেবে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে তাইজুল ইসলাম আর তিন পেসার।
অস্ট্রেলিয়াও প্রথম টেস্টে একাদশে একটিই পরিবর্তন এনেছে। প্রথম টেস্টের পর দল থেকে বাদ পড়া জেক ওয়েদারাল্ডের জায়গা ঢুকেছেন রেনশ। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট খেলবেন রেনশ। ভারতের বিপক্ষে সেই টেস্টে তিনি খেলেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে। এবার খেলবেন ওপেনার হিসেবে।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ম্যাট রেনশ, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, বো ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।

টস হেরে গেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। আগের ম্যাচেও তাই হয়েছিল। তখন আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশের বোলাররা নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ১৯৮ রানেই অলআউট করে দেয় স্বাগতিকদের। এবার অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের বিপক্ষে সেই চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের।

প্রথম টেস্ট জেতার পর বাংলাদেশকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আগ্রহ বেড়েছে অনেক। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আজ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ স্টেডিয়ামেরও অভিষেক হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে। স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমিদের জন্যও দিনটা তাই স্পেশাল।
ম্যাকাই থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ জানালেন, খেলা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই গ্যালারি প্রায় ভরে গেছে। বাংলাদেশেরও অনেক দর্শকরা এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার অন্য শহরগুলো থেকে। রাস্তায়ও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে গাড়ির চাপ বেশি।

মাঠে এর মধ্যে দুই দলের ক্রিকেটাররা চলে এসেছেন। তারা ওয়ার্ম আপ করেছেন। একটা উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। মাঠের পরিবেশেও ‘টেস্ট মেজাজ’ আছে। এখন শুধু খেলা শুরু হওয়ার অপেক্ষা!

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ম্যাকাই টেস্টের সরাসরি ধারাবিবরণীতে সবাইকে স্বাগতম।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ডারউইনে অসাধারণ খেলে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ, সিরিজে এগিয়ে আছে ১-০ ব্যবধানে।
এবার বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জেতার সুযোগ। ম্যাকাইয়ের দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনাতে এই টেস্টটা না হারলেই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়বে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশ দলের খবর জানাতে ডারউইনের মতো ম্যাকাইয়েও আছেন প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ এবং আলোকচিত্রী শামসুল হক।
সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b>
|
নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>