বিজ্ঞাপন
একীভূত বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’। নতুন এই সংস্থার যাত্রা শুরুর কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে একটি পোস্ট দিয়েছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। তিনি সেখানে জানান, ইনভেস্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করা।
রোববার (২৩ আগস্ট) নিজের লিংকডইন প্রোফাইলে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, আজ আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ইনভেস্ট বাংলাদেশ হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু করছি।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের নতুন পরিচিতি ও লোগো সম্পর্কে তিনি বলেন, এই পরিচয় দেশের বিনিয়োগ উন্নয়নের ঐতিহ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কাস্টম জ্যামিতিক অক্ষরগুলো সংস্থাটির ভবিষ্যতমুখী অবস্থানকে তুলে ধরে বলে পোস্টে জানান আশিক চৌধুরী।
আরও পড়ুন
এক ছাতার নিচে বিনিয়োগসেবা, বিলুপ্ত বিডা-বেজা-পিপিপিএ
লোগোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ’ শব্দের ‘ডি’ অক্ষরের মাঝখানে প্লে-বাটনের আকৃতি রাখা হয়েছে। এটি শুরু করা, এগিয়ে যাওয়া এবং সামনে অগ্রসর হওয়ার একটি সর্বজনীন প্রতীক।
লাল ও সবুজ রঙে তৈরি এই পরিচিতি বাংলাদেশের পতাকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের গল্পকে একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতিতে তুলে ধরেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষায়, সেই প্রতিশ্রুতি হলো-বাংলাদেশকে এমন একটি ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে বিনিয়োগকারীরা সহজে ও কার্যকরভাবে বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত করে গঠন করা হয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ কার্যকরের মাধ্যমে গত ২০ আগস্ট থেকে নতুন এ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
নতুন এই সংস্থার মূল লক্ষ্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা, বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা। বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সমন্বিত ও সহজ সেবা কাঠামো গড়ে তোলারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসএম/এএমএ
বিজ্ঞাপন