বিজ্ঞাপন
হৃদি চঞ্চল ওই নীলিমায়
নীলাম্বরী, নীলাম্বরীনীল নীল আকাশে—হিম হিম বাতাসেকুয়াশামাখা বিকেলরক্তজবার দল, ছোট-বড় বর্ণিল ফুলের দুলদুলানিসেগুন, কলাগাছ, আমলকিপাতা, বুনোনিমবনটিয়া, শালিক, সারস ওড়ে দূরেউড়ে যায় বলাকা মেঘের ভেতরঝুরঝুর বাতাসে সবুজের দোলফ’লে আছে কলা আর বিভিন্ন ফলপাতার ফাঁকে ফাঁকে সোনামাখা রোদসবুজের ঝড় হিমশীতল গাড়ল।
একটু পরেই উঠবে সন্ধ্যাতারাএকটু পরেই কি পাহাড় হারাবে নিস্তব্ধতায়?না, জ্বলে উঠবে পাহাড়ের ঘরগুলোআরও সুন্দরী হবে নীলাচলআয়, পাশে বস—হৃদয়ে হৃদয় ছোঁয়াক্রোধ চুষে চুষে আজহৃদি চঞ্চল—ওই দূর নীলিমায়।
বালক
হঠাৎ-ই সামনে এসে দাঁড়ায় এক বালক—বয়স বাইশ কিংবা তেইশ—তার চোখে-মুখে বিরাটই সাহস।
হঠাৎ-ই সামনে এসে দাঁড়ায় এক বালকপাহাড়ের সেগুনপাতার মতো আর্দ্র-স্নিগ্ধ।
সামনে রক্ত ঝরছে—তবুও সে আগুয়ান।বোবা কণ্ঠে ভেজা চোখের সামনে পরাজয়শূন্যতা, শুধু শূন্যতার জয়শুধু বালক অজয়।
সৌন্দর্য কিংবা তিক্ততা: একটি কণ্ঠস্বর
সৌন্দর্যের ভার যখন অসহনীয় হয়ে ওঠেতিক্ততার ভার যখন অসহনীয় হয়ে ওঠেকীভাবে আমি সেই আকুলতা জুড়াব?সৌন্দর্যই হৃদয়কে ভেঙে চুরমার করে দেয়তিক্ততাই হৃদয়কে চুরমার করে দেয়।
যখন আমি সেই স্বপ্নমগ্ন সমুদ্রের পানে চেয়ে থাকি—যার বক্ষজুড়ে ফুলের মতো দ্বীপপুঞ্জ শোভা পায়—তখন কেবল একটি কণ্ঠস্বরই জোরালো হয়ে ওঠেআমাকে দেয় প্রবল প্রশান্তি।
এসইউ
বিজ্ঞাপন