ব্রেকিং নিউজ
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় স্পিকারের দুঃখপ্রকাশ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাই যেন নিয়মে পরিণত করেছেন তিনি পিপিআর মানেননি কামরুল-ফিরাদুল, সমাজসেবায় পৌনে ৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ দিনাজপুরে শ্রমিক নেতার মুক্তির দাবি: থানা ঘেরাও, যান চলাচল বন্ধ নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় সহস্রাধিক নিখোঁজ, আশঙ্কায় স্বজনেরা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও আধুনিক আবাসনে চীনের সহায়তা চায় বাংলাদেশ হানিয়া আমিরের গোপন ভিডিও ভাইরাল, নেটদুনিয়ায় ঝড় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা নিখোঁজের পর আখখেতে ফরিদের কঙ্কাল, গ্রেপ্তার প্রধান আসামি ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগ দিলে বাংলাদেশের জন্য থাকছে যত সুযোগ-সম্ভাবনা
জাতীয়

মসজিদের ফান্ডে থাকা টাকার জাকাত দিতে হয়?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
প্রশ্ন: মসজিদের ফান্ডে থাকা টাকার কি জাকাত দিতে হয়? উত্তর: মসজিদের ফান্ডে থাকা টাকা বা অন্যান্য সম্পদের ওপর জাকাত আবশ্যক হয় না। জাকাত এমন সম্পদের ওপর আবশ্যক হয়, যা কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন মুসলিম ব্যক্তির মালিকানাধীন। মসজিদের ফান্ডে থাকা সম্পদ কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন নয়, বরং তা মসজিদ নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ওয়াক্‌ফকৃত। তাই মসজিদের ফান্ডে যত টাকাই থাকুক, তার ওপর জাকাত আবশ্যক হয় না। জাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন মুসলিম ব্যক্তির মালিকানায় শরিয়ত নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ হিজরি ১ বছর ধরে কারো কাছে থাকলে তাকে সম্পদশালী গণ্য করা হয় এবং তার বর্ধনশীল সম্পদের ২.৫ শতাংশ বা ১/৪০ অংশ দান করতে হয়। আরও পড়ুন জাকাতের অর্থ কি নিজের ছেলের পড়াশোনায় ব্যয় করা যাবে? জাকাত ওয়াজিব হয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর যা ৪ ধরনের হয়ে থাকে:  ১. স্বর্ণ ২ রৌপ্য ৩. ব্যবসায়িক পণ্য  ৪. নগদ অর্থ কেউ যদি এক বছর ধরে নেসাব পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পত্তি অর্থাৎ ৭ তোলা বা ৮৭.৪৫ গ্রাম বা এর বেশি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ তোলা বা ৬১২.৩৫ গ্রাম রৌপ্যের মালিক থাকে অথবা ৮৭.৪৫ গ্রাম বা এর বেশি স্বর্ণের মূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ তার কাছে থাকে, তাহলে ইসলামের দৃষ্টিতে সে সম্পদশালী ব্যক্তি গণ্য হবে এবং তার ওপর জাকাত ওয়াজিব হবে। নগদ অর্থ, স্বর্ণ/ রৌপ্য বা ব্যবসায়ের সম্পদ যেদিন নেসাব পর্যায়ে পৌঁছাবে, সেদিন থেকেই জাকাতের বর্ষগণনা শুরু হবে। জাকাতের বর্ষ পূর্ণ হওয়ার দিনে ওই ব্যক্তির মালিকানায় যে পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পদ অর্থাৎ নগদ অর্থ, ব্যবসায়ের সম্পদ, স্বর্ণ বা রৌপ্য থাকবে, তার ৪০  ভাগের ১ ভাগ বা ২.৫ শতাংশ জাকাত হিসেবে দান করে দিতে হবে। কেউ এক বছর ধরে নেসাব পরিমাণ সম্পত্তির মালিক থাকলে নিজের মালিকানাধীন সমুদয় বর্ধনশীল সম্পদের জাকাত দিতে হবে; শুধু যে সম্পদ এক বছর ধরে তার কাছে রয়েছে ওই সম্পদের নয়। সে বছরের শেষে বা মাঝামাঝি সময়ে কিছু অর্থ বা স্বর্ণ লাভ করে থাকলে তাও জাকাতের হিসেবে যুক্ত হবে। মানুষের স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি, বাড়ি ইত্যাদির ওপরও জাকাত ওয়াজিব হয় না যদি সেগুলো ব্যবসার পণ্য না হয়। একইভাবে যে গাড়ি বা বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়, ওই গাড়ি বা বাড়িরও জাকাত দিতে হয় না। যেহেতু সেগুলো অর্থ আয়ের মাধ্যম হলেও ব্যবসার পণ্য নয়। আরও পড়ুন কুরআনে বর্ণিত সাদকা-ই কি জাকাত? ওএফএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>