জাতীয়

ব্রিটিশদের আগুনে পুড়ে অঙ্গার হোয়াইট হাউজ: ফিনিক্স পাখি হয়ে ফিরলো

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
6 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
দুই শতাব্দীরও বেশি আগে আক্ষরিক অর্থেই ছাই থেকে উঠে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউস পরিণত হয়েছিল বিশ্ব নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমেরিকা ও ব্রিটেনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ ও বিশেষ। কিন্তু আজ থেকে ২১২ বছর আগে, ১৮১৪ সালের আগস্টে, ব্রিটিশ সেনারা হোয়াইট হাউসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। সেসময় ভবনটির ভেতরের প্রায় সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছিল। সেটিই ছিল কোনো বিদেশি শক্তির হাতে মূল ভূখণ্ডের যুক্তরাষ্ট্র আক্রান্ত হওয়ার সর্বশেষ ঘটনা। সে সময়কার ঘটনা নিয়ে থাকছে আজকের আলোচনা। যুদ্ধের পটভূমি ১৮১২ সালে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘোষণা বহু বছরের উত্তেজনার পরিণতি ছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল ব্রিটেনের হাতে আমেরিকান জাহাজ ও নাবিকদের আটক হওয়া। সে সময় ব্রিটেন ফ্রান্সের সঙ্গে একের পর এক যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। যুদ্ধের প্রথম দুই বছর মূলত মিসিসিপি নদী উপত্যকা ও কানাডা সীমান্তের আশপাশে আমেরিকান ও ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর মধ্যে ছিল ইয়র্কের যুদ্ধ। এটি বর্তমানে কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত। এখানে আমেরিকানরা শহরটি লুট করে এবং সরকারি ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ব্রিটিশদের মধ্যে প্রতিশোধ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা জন্ম নেয়। ১৮১৪ সালের আগস্টে ব্রিটিশরা যুদ্ধ করতে আসে ওয়াশিংটন, ডিসিতে। তখন শহরটির জনসংখ্যা ছিল মাত্র প্রায় ৮ হাজার। প্রেসিডেন্ট জেমস ম্যাডিসনের অ্যাটর্নি জেনারেল রিচার্ড রাশ শহরটিকে বলেছিলেন, ‘কয়েকটি শোবার ঘরবিশিষ্ট একটি দরিদ্র গ্রাম, যার চারপাশে বিস্তীর্ণ জলাভূমি।’ ‘শহর ধ্বংসের’ পরিকল্পনা নিয়ে ওয়াশিংটনে দক্ষিণ মেরিল্যান্ডে ৪ হাজারের বেশি ব্রিটিশ সৈন্য অবতরণ করার পর তারা ওয়াশিংটনের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে মেরিল্যান্ডের ব্লাডেনসবার্গে আমেরিকান স্বেচ্ছাসেবকদের পরাজিত করে। প্রেসিডেন্ট ম্যাডিসন যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায় ব্রিটিশদের হাতে ধরা পড়তে যাচ্ছিলেন, পিছু হটা সৈন্যদের সঙ্গে শহরে ফিরে আসেন। পরে ফেরিতে করে ভার্জিনিয়ায় পালিয়ে যান। ব্রিটিশরা রাজধানীতে প্রবেশ করার সময় রাস্তাগুলো শরণার্থীদের ভিড়ে ভরে যায়। মানুষজন নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে শহর ছেড়ে পালাচ্ছিল। স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক কর্মচারী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও সংবিধান লুকিয়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য লিনেনের ব্যাগ সেলাই করেছিলেন। ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন হ্যারি স্মিথ লিখেছিলেন, ‘শহরটি ধ্বংস করার বর্বর উদ্দেশ্যেই আমরা ওয়াশিংটনে প্রবেশ করেছিলাম।’ হোয়াইট হাউসের সম্পদ রক্ষায় ফার্স্ট লেডি হোয়াইট হাউস পাহারা দেওয়া মিলিশিয়া সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার পরও ফার্স্ট লেডি ডলি ম্যাডিসন সেখানেই থেকে যান। তার সঙ্গে ছিলেন হোয়াইট হাউসের একজন স্টুয়ার্ড, একজন মালী এবং ১৫ বছর বয়সী দাসত্বের শিকার এক কিশোর ভ্যালেট, পল জেনিংস। নিজের বোনকে লেখা এক চিঠিতে ডলি ম্যাডিসন লিখেছিলেন, ‘সূর্য ওঠার পর থেকে আমি চারদিকে দূরবীন ঘুরিয়ে দেখছি এবং অক্লান্ত উদ্বেগ নিয়ে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছি। আবার যখন তোমাকে লিখব, তখন আমি কোথায় থাকব বা আদৌ কোথায় থাকব কি না, তা আমি জানি না!’ ব্লাডেনসবার্গের যুদ্ধের কামানের শব্দ যখন রাজধানীজুড়ে কাঁপন তুলছিল, তখন ফার্স্ট লেডি একটি গাড়িতে হোয়াইট হাউসের মূল্যবান সামগ্রী তোলার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে ছিল ওভাল রুমের মখমলের পর্দা, রুপার বাসনপত্র এবং স্টেট ডাইনিং রুমের জন্য কেনা লোফটাস চায়না। তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘তুমি কি বিশ্বাস করবে, আমার বোন? আমাদের যুদ্ধ বা সংঘর্ষ হয়েছে... অথচ কামানের শব্দের মধ্যেও আমি এখনো এখানে রয়েছি!’ হোয়াইট হাউসের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ ছিল জর্জ ওয়াশিংটনের পূর্ণদৈর্ঘ্যের বিখ্যাত প্রতিকৃতি। এটি এঁকেছিলেন গিলবার্ট স্টুয়ার্ট। ফ্রেমটিকে খুলে নেওয়া হয়েছিল, যাতে ক্যানভাসটি একটি গাড়িতে তুলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। ওদিকে ক্যাপিটল পুড়ছে রাত নামার সময় মাত্র দুই মাইল দূরের ক্যাপিটল হিলে উড়ছিল ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক। ব্রিটিশরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেট কক্ষে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন এতটাই তীব্র ছিল যে জানালার কাচ গলে যায় এবং পাথরের স্তম্ভগুলো বেঁকে ও ফেটে যেতে শুরু করে। লাইব্রেরি অব কংগ্রেস এবং হাজার হাজার বই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশরা ব্রিটিশ সৈন্যরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ ধরে দুই সারিতে হোয়াইট হাউসের দিকে এগিয়ে যায়। মধ্যরাতের প্রায় এক ঘণ্টা আগে তারা একটি জনশূন্য প্রেসিডেন্টের বাসভবনে পৌঁছায়। এরপর শুরু হয় এক অদ্ভুত নৈশভোজ। ক্ষুধার্ত ব্রিটিশ সৈন্যরা দেখতে পায়, সেখানে ৪০ জন অতিথির জন্য রুপার বাসনপত্র ও মদ সাজানো রয়েছে। রান্নাঘরের আগুনের ওপর তখনো মাংস ঝুলছিল। ব্রিটিশ লেফটেন্যান্ট জেমস স্কট লিখেছিলেন, ‘তাই তারা সেখানে বসে পড়ল যদিও মোটেই খুব সুশৃঙ্খলভাবে নয়।’ এরপর সৈন্যরা হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন কক্ষ লুট করতে শুরু করে। তারা জানালা ভাঙে এবং স্মারক হিসেবে বিভিন্ন জিনিস নিয়ে যায়। লেফটেন্যান্ট স্কট একটি ড্রয়ারে পাওয়া পরিষ্কার শার্ট নিয়ে নিজের ময়লা শার্টটি বদলে ফেলেন। এক সৈন্য প্রেসিডেন্ট ম্যাডিসনের ত্রিকোণ টুপি নিজের বেয়নেটের ওপর গেঁথে রাখে। সে প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রেসিডেন্টকে ধরতে না পারলে টুপিটি লন্ডনে নিয়ে গিয়ে প্রদর্শন করবে। আরেকজন সৈন্য ম্যাডিসনের পোশাকের তলোয়ার নিয়ে যায়। হোয়াইট হাউজে আগুন চারজন প্রেসিডেন্টের সময়ে সংগ্রহ করা আসবাবপত্র, লেখার টেবিল, জানালার পাশের স্টুল, লালচে রঙের সোফা ও হাতে খোদাই করা চেয়ার এক জায়গায় জড়ো করা হয়। তার ওপর রাখা হয় গদি, কার্পেট ও বালিশ। এরপর পুরো স্তূপটি কেরোসিন বা প্রদীপের তেলে ভেজানো বিছানার চাদর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। ক্যাপ্টেন স্মিথ লিখেছিলেন, ‘মশাল যখন বিছানা, পর্দা ইত্যাদিতে ছোঁয়ানো হলো, আগুনের সেই ধ্বংসাত্মক মহিমা আমি কোনোদিন ভুলব না। আমাদের নাবিকরা এই কাজে ছিল সত্যিই দক্ষ।’ বাইরে ব্রিটিশ নাবিক ও সৈন্যরা হোয়াইট হাউস ঘিরে দাঁড়িয়ে ওপরের জানালাগুলোর দিকে জ্বলন্ত তেলভেজা কাপড় বাঁধা বর্শা ছুড়তে থাকে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের ভেতরের কাঠের মেঝে জ্বলতে জ্বলতে ভেঙে পড়তে শুরু করে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছিলেন, ‘দর্শকরা ভয়াবহ নীরবতায় সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। শহর আলোয় ভরে গিয়েছিল এবং আগুনের লেলিহান শিখায় আকাশ রক্তিম হয়ে উঠেছিল!’ মধ্যরাতের ঝড়ো বাতাস আগুনকে আরও উসকে দেয়। আগুনের লাল আভা ৫০ মাইল দূরের বাল্টিমোর ও ভার্জিনিয়ার লিসবার্গ থেকেও দেখা যাচ্ছিল। মেরিল্যান্ডে অবস্থানরত সৈন্যরা সেই লাল আভায় একে অপরের মুখ পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত একটি ঠান্ডা রাতের বৃষ্টি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। প্রায় তিন সপ্তাহ পর সেটিই ছিল প্রথম বৃষ্টি। প্রচণ্ড উত্তাপে পুড়ে যাওয়া পাথরের দেয়াল ও ভিত্তি হঠাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসায় সেগুলোতেও ফাটল সৃষ্টি হয়। প্রেসিডেন্ট ম্যাডিসনের রাজধানীতে ফেরা ২৫ আগস্ট সকালে সূর্য ওঠার সময় হোয়াইট হাউস দাঁড়িয়ে ছিল একটি কালিমালিপ্ত, পোড়া বেলেপাথরের কাঠামো হিসেবে। জানালাগুলোর জায়গায় ছিল শুধু ফাঁকা গর্ত। ইটের খিলান ও ভেতরের গম্বুজাকৃতি অংশ থেকে তখনো ধোঁয়া বের হচ্ছিল। ছাইয়ের মধ্যে ছিল ম্যাডিসনদের কেনা মেহগনি কাঠের বিছানা ও টেবিলের অবশিষ্টাংশ। পাশাপাশি পোর্সেলিন, কাচের সামগ্রী এবং অসংখ্য অন্যান্য জিনিসের ধ্বংসাবশেষ। কয়েক দিনের মধ্যেই ম্যাডিসন দম্পতি বিধ্বস্ত রাজধানীতে ফিরে আসেন। তখনো কিছু জায়গায় আগুন জ্বলছিল। প্রেসিডেন্টের এক বন্ধু লিখেছিলেন, ম্যাডিসনকে ‘অত্যন্ত বিধ্বস্ত ও বিষণ্ন’ দেখাচ্ছিল। পুনরুদ্ধারের পথে রাজধানী ওয়াশিংটনের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের পর রাজধানী ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। গিলবার্ট স্টুয়ার্টের ওয়াশিংটনের প্রতিকৃতিটি আবার ফিরিয়ে আনা হয়। হোয়াইট হাউসের দাসত্বের শিকার কর্মী নেস রোডস আগুন থেকে উদ্ধার করা কিছু সামগ্রী যেমন-কলস, মোমদান ও অন্যান্য জিনিস আবার ফিরিয়ে আনেন। ম্যাডিসন দম্পতি আর কখনো হোয়াইট হাউসে বসবাস করেননি। তারা কাছেই তিনতলা ইটের একটি ভবন ‘অক্টাগন হাউস’কে সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করেন। ১৮১৫ সালে তারা কাছাকাছি আরেকটি বাসভবনে চলে যান। ম্যাডিসন সিদ্ধান্ত নেন, হোয়াইট হাউস আগের মতোই পুনর্নির্মাণ করা হবে। এর দায়িত্ব দেওয়া হয় আইরিশ বংশোদ্ভূত স্থপতি ‘জেমস হোবানকে’। তিনি মূল হোয়াইট হাউসের নকশাও করেছিলেন। হোয়াইট হাউসের পুনর্নির্মাণ হোয়াইট হাউস পুনর্নির্মাণে তিন বছর সময় লাগে। হোবানের তত্ত্বাবধানে কয়েক ডজন পাথরকাটা শ্রমিক, ইটের মিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি এবং অন্যান্য শ্রমিক কাজ করেন। দুর্বল হয়ে পড়া পাথরের দেয়ালগুলো সরিয়ে নতুন করে নির্মাণ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ইটের অভ্যন্তরীণ অংশ ও কাঠামো পুনর্নির্মাণে কাঠের ফ্রেম ব্যবহার করা হয়, যাতে কাজ দ্রুত শেষ করা যায়। পাথরের বাইরের খোদাই করা অলংকারগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়। এমনকি টমাস জেফারসনের আমলে স্থাপন করা লোহার রান্নার চুলাটিও পরিষ্কার করে আবার ব্যবহারযোগ্য করা হয়। ম্যাডিসনের উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো ১৮১৭ সালের অক্টোবরে হোয়াইট হাউসে ফিরে এলে তখনো পুনর্নির্মাণ পুরোপুরি শেষ হয়নি। দেয়ালের প্লাস্টার তখনো ভেজা ছিল। পাইন কাঠের মেঝে ও কাঠের কাজগুলোতে তখনো রং করা হয়নি। ইতালি থেকে পাঠানো মার্বেলের ফায়ারপ্লেসের অংশের অপেক্ষায় ছিল অগ্নিকুণ্ডগুলো। ১৮১৮ সালের নববর্ষের দিনে পুনর্নির্মিত হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে সবার সামনে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করে। গিলবার্ট স্টুয়ার্টের ওয়াশিংটনের প্রতিকৃতিটিও আবার যথাস্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আগুনের দাগ আজও রয়ে গেছে হোয়াইট হাউস আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর থেকে বহুবার সংস্কার করা হয়েছে। তবে এর অবশিষ্ট কাঠের বিম ও মেঝের সমর্থনকারী কাঠামো পুরোপুরি ইস্পাত ও কংক্রিট দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ ও হ্যারি ট্রুম্যানের সময়কার সংস্কার পর্যন্ত। এর কয়েক দশক পর, আরেক দফা সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় শ্রমিকেরা একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেন। ভার্জিনিয়া থেকে আনা বেলেপাথরের ওপর এমন কিছু কালো পোড়া দাগ পাওয়া যায়, যেগুলো কখনো পরিষ্কার করা হয়নি। ১৮১৪ সালের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্মৃতি হিসেবে সেই দাগগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে। এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই বিপর্যয়ের রাতের কথা কীভাবে একটি নতুন জাতি তার সবচেয়ে বড় পরাজয়ের মধ্যেও টিকে ছিল এবং আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। শত্রু থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ২১২ বছর আগের ঘটনাগুলো আজকের দিনে প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। যে শত্রু একসময় হোয়াইট হাউসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল, সেই গ্রেট ব্রিটেন আজ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ব্রিটেনের নেতারা বহুবার পরামর্শ ও রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য হোয়াইট হাউসে ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ১৯৭৬ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সফর, যখন তিনি আমেরিকার স্বাধীনতার দ্বিশতবার্ষিকী উদযাপনে অংশ নেন। ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেন যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাষ্ট্রদূত ডেম কারেন পিয়ার্স। সূত্র: ইউএসএ টুডে কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>