জাতীয়

তিন সংকটে অর্থনীতি, প্রয়োজন টেকসই সমাধান

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
10 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একাধিক সংকটের সম্মুখীন। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৮.৪০%, যা গত বছরের তুলনায় কমলেও উদ্বেগজনক। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ ৮২.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, আগের বছরের তুলনায় ৬% বেশি। অপরদিকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৬.৮ বিলিয়ন ডলার—লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬% কম। এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২৭.৪ বিলিয়ন ডলার এবং খেলাপি ঋণ ১.৫৬ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট ঋণের ১২.৬%। এসব সূচক ইঙ্গিত দেয়, অর্থনীতি গুরুতর চাপে রয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতা, ডলার সংকট ও রাজস্ব দুর্বলতা এই পরিস্থিতি আরও গভীর করছে। তবে উত্তরণ সম্ভব—প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার, আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা। মূল্যস্ফীতি: জনজীবনে অসহনীয় চাপ২০২৫ সালের অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০.৮%, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অত্যন্ত দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, চালের দাম গত এক বছরে ১৩%, ডাল ১৬%, ভোজ্যতেল ১৮% এবং সবজির দাম ২২% বেড়েছে। অথচ এর বিপরীতে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি (৭.২%) মূল্যস্ফীতির হারের তুলনায় অনেক কম। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় বা ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তারা খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খরচ সংকুচিত করতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার বা রেপো রেট বাড়িয়ে ১১% করেছে, যা ইতিমধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে। তবে কেবল এই মুদ্রানীতিগত সংকোচনমূলক পদক্ষেপ বাজার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়। এর জন্য অভ্যন্তরীণ সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ জরুরি। পাশাপাশি, চিনি, ভোজ্যতেল ও পেঁয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে হ্রাস করা এবং সরকারি খাদ্য মজুদ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট গভীর হলেও তা অতিক্রমের সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণের দক্ষ ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা—এই ছয়টি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়েই অর্থনীতিকে পুনরায় শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন কেবল মুখের কথা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সময়োপযোগী কঠিন সিদ্ধান্ত ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা। বৈদেশিক ঋণ: পরিশোধের চাপ বাড়ছে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ৮২.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যার মধ্যে সরকারি ঋণ ৫৩.২ বিলিয়ন ডলার। বিগত পাঁচ বছরে সামষ্টিক এই ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪০%। বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই ঋণ পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। স্থানীয় বাজারে মার্কিন ডলারের লাগামহীন দরবৃদ্ধি (প্রতি ডলার ১২২ টাকার বেশি) এই দায় পরিশোধকে আরও ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন থেকে নতুন কোনো প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল উৎপাদনশীল এবং কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি রূপপুর, মাতারবাড়ী বা পায়রার মতো মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল যাতে দ্রুত অর্থনীতির মূল স্রোতে যুক্ত হতে পারে, সেই সুশাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রকল্প বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা রোধ করে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কঠোরভাবে কমাতে হবে। অন্যথায় ঋণের বোঝা আগামী প্রজন্মের কাঁধে পড়বে। রপ্তানি বহুমুখীকরণ: কোনো বিকল্প নেইইপিবি’র তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি হয়েছে ৩৮.২ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ৮২%। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা কমায় এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৪.২%। অথচ ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশ একই সময়ে পোশাক রপ্তানি বাড়িয়েছে ১২%। জ্বালানি সংকটে উৎপাদন ব্যায় বেড়েছে ১৫%, যা বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। তৈরি পোশাক ছাড়া চামড়া (রপ্তানি ১.২ বিলিয়ন ডলার), ওষুধ (২৫০ মিলিয়ন ডলার), আইসিটি (৫০০ মিলিয়ন ডলার) ও কৃষিপণ্যের (৮০০ মিলিয়ন ডলার) মতো খাতগুলো এখনও সম্ভাবনার চেয়ে অনেক পিছিয়ে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অ-পোশাক খাতের রপ্তানি ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব। এর জন্য সুনির্দিষ্ট ভর্তুকি, নতুন বাজার অনুসন্ধান, ডাবলিউটিও-সম্মত শুল্ক কাঠামো এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি বাড়াতে হবে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। ডলার সংকট: রেমিট্যান্সে স্বস্তি২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে রেকর্ড ৩৬.২ বিলিয়ন ডলার, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১২% বেশি। তবে রপ্তানি আয় আশানুরূপ না বাড়ায় ডলারের বাজারে চাপ রয়েই গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত পাঁচ মাসে রিজার্ভ থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। বর্তমানে গ্রস রিজার্ভ ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, যা আমদানি ব্যয় দিয়ে ৫ মাসের মতো চলবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরামর্শ অনুযায়ী, রিজার্ভের স্বস্তিদায়ক অবস্থা ৬ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমতুল্য হওয়া উচিত। ডলার সংকট সমাধানে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আনতে ব্যাংকিং সুবিধা বাড়ানো, হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং প্রবাসীদের জন্য সহজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করতে হবে। পাশাপাশি, বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়াতে হবে, যা বর্তমানে মাত্র ২.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে (জিডিপির ০.৫%)। তাই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান: মানবসম্পদই শক্তি২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২২.৫%-এ নেমে এসেছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট ও নীতিগত অনিশ্চয়তা নতুন উদ্যোক্তাদের পিছিয়ে দিচ্ছে। তবে শুধু বিনিয়োগ বাড়ালেই চলবে না—দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি না করলে তা কার্যকর হবে না। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় অদক্ষ জনগোষ্ঠীর জন্য পুনঃপ্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি, খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে; তাই সামাজিক সুরক্ষা বলয় বাড়ানো ও দুর্নীতিমুক্ত ভাতা বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। একক উইন্ডো সার্ভিস চালু ও ইজ অব ডুইং বিজনেস উন্নীত করলেই উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পথ সুগম হবে। রাজস্ব আহরণ: ডিজিটালাইজেশনই সমাধানঅর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৮.১%, যা দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের (১২.৩%) ও শ্রীলঙ্কার (১০.২%) চেয়ে অনেক কম। রাজস্ব আহরণে স্থবিরতার ফলে উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতায় করদাতা ৩০ লাখের মতো, অথচ সম্ভাব্য করদাতা প্রায় ৮০ লাখ। অনলাইনে ভ্যাট প্রদান ও ই-টিন চালু করলেও এখনও কর ফাঁকি ব্যাপক। সম্প্রতি এনবিআরের ‘স্মার্ট ট্যাক্সেশন’ প্রকল্পে ৬০% করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিলেও, করের পরিমাণ বাড়েনি। অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় বাতিল ও ডিজিটাল মনিটরিং বাড়াতে হবে। করদাতাদের হয়রানি কমিয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করলে রাজস্ব আহরণ দ্বিগুণ হওয়া সম্ভব। এটি সরকারের নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা বাড়াবে এবং বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমাবে। কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: অগ্রাধিকার পাওয়া উচিতচলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.২%-এ নেমে এসেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় কম। বন্যা ও খরায় আমন ও বোরো উৎপাদনে ক্ষতি হয়েছে; ধান উৎপাদন কমেছে ১২ লাখ টন, যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে। জলবায়ু সহিষ্ণু ফসল, ড্রিপ ইরিগেশন ও সোলার সেচপাম্পের প্রসার ঘটালে উৎপাদন ১৫% পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তবে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না—প্রয়োজন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি। ‘কৃষক থেকে ভোক্তা’ মডেলে সরবরাহ চেইন সংক্ষিপ্ত করলে মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব। পাশাপাশি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ালে কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজন দুই-ই বাড়বে। খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করতে কৃষি বীমা চালু ও কৃষিতে বরাদ্দ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সুশাসন ও সংস্কার: সময়ের দাবিঅর্থনৈতিক সংকট কাটাতে সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই। দুর্বল শাসনই বিনিয়োগ ও কর আহরণে বড় বাধা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় প্রকল্পগুলোর ৩০% ব্যয় অপচয় বা অনিয়মে চলে যায়। ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে ১,৫৬,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যার ৪০%ই ইচ্ছাকৃত খেলাপি। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা ও তদারকি ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে ডিজিটাল জনসেবা বৃদ্ধি করতে হবে। বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিআর, ব্যাংক, বিডা) দক্ষতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পে শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এগিয়ে যাওয়ার রোডম্যাপ ও উত্তরণের পথবাংলাদেশের অর্থনীতি অতীতেও নানা সংকট কাটিয়ে উঠেছে। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৭% হতে পারে; তবে তা টেকসই করতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। এজন্য তিন মেয়াদের একটি কৌশলগত রোডম্যাপ প্রয়োজন। প্রথমত; খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যে শুল্ক হ্রাস এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রণোদনা যৌক্তিকীকরণের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি ও ডলার সংকট নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত; রপ্তানি বহুমুখীকরণ, কর-জিডিপি অনুপাত ১১ শতাংশে উন্নীতকরণ এবং খেলাপি ঋণ ৮ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা আবশ্যক। তৃতীয়ত; শিক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষির আধুনিকায়ন ও সুশাসনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। এই রোডম্যাপ সফল করতে নীতি নির্ধারণের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট গভীর হলেও তা অতিক্রমের সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণের দক্ষ ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা—এই ছয়টি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়েই অর্থনীতিকে পুনরায় শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন কেবল মুখের কথা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সময়োপযোগী কঠিন সিদ্ধান্ত ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অক্ষুণ্ণ, এখন প্রয়োজন কেবল সঠিক ও সাহসী দিকনির্দেশনা। লেখক : প্রভাষক, অর্থনীতি, জয়পুরা এসআরএমএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।jasim6809786@gmail.com এইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>