জাতীয়

আমি আশাবাদী, বর্তমান তথ্যমন্ত্রী অত্যন্ত যোগ্য মানুষ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
7 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমি আশাবাদী, বর্তমান তথ্যমন্ত্রী অত্যন্ত যোগ্য মানুষ এবং অন্যান্য সহকর্মীরাও অনেক যোগ্যতা রাখেন, দক্ষতা রাখেন। সরকারের ঘোষিত নীতিমালা এবং সরকারের উদ্যোগের যে প্রক্রিয়া, এখান থেকে বাকি কাজটুকু তারা সম্পন্ন করবেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যম জগৎ যেভাবে সহযোগিতা করছে, সেই সহযোগিতা তারা অব্যাহত রাখবেন। আমি গণমাধ্যমের প্রতি সেই আহ্বান রাখতে চাই। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমি মন্ত্রণালয় ত্যাগ করার আগে তারেক রহমানের গণমাধ্যম কমিশন গঠন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার যে ঘোষণা, এই ঘোষণার পক্ষে এই জনমত কিন্তু আমি তৈরি করে রেখে এসেছি। আমি খুবই সৌভাগ্যবান। খুব কিছু করতে না পারলেও এই জায়গাটা কিন্তু আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ত্যাগ করার আগে তৈরি করে দিয়ে আসতে পেরেছি। আরও পড়ুন কনসার্ট বাতিল মানেই সরকারের বাধা নয়: তথ্যমন্ত্রী তিনি বলেন, তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই বলেছে যে, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবো। আমরা ক্ষমতায় আসার আগেই বলেছি যে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করবো এবং আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে গণমাধ্যম কমিশন করবো। তিনি আরও বলেন, আমি যে ছয় মাস দায়িত্বে ছিলাম, সেই সময়ে প্রতিটি দিন যেসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতে নিয়েছিলাম, তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আপনারা শুনে খুব আনন্দিত হবেন এবং নিশ্চয়ই আপনাদের কেউ কেউ জানেনও বটে যে, কমিশন গঠনের এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের এমন কোনো গণমাধ্যম নেই, যা সরকারের এই উদ্যোগকে সহযোগিতা করার জন্য পাশে এসে দাঁড়ায়নি। বাংলাদেশের জন্মের পর এই প্রথম কোনো সরকারের কোনো উদ্যোগের সঙ্গে সব গণমাধ্যম জড়িত হয়েছে। আরও পড়ুন জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগ, হলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা তিনি বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের একটি সরকারের একটি উদ্যোগের সঙ্গে তারেক রহমানের একটি উদ্যোগের সঙ্গে গণমাধ্যমের মালিকরা অভিনন্দন জানাচ্ছেন, সম্পাদকরা অভিনন্দন জানাচ্ছেন, সাংবাদিকদের ইউনিয়ন অভিনন্দন জানাচ্ছে। আমরা এই পর্যায়টি তৈরি করতে পেরেছি। সাবেক এই তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুই ধরনের মানুষ গণমাধ্যমে বিনিয়োগ করেন। এক ধরনের মানুষ বিনিয়োগ করেন এই কারণে যে, ‘আমাদের মতো দেশে একটি গণমাধ্যম হাতে থাকা ভালো।’ আরেক ধরনের মানুষ বিনিয়োগ করেন দেশপ্রেমের প্রতিশ্রুতি থেকে। তারা মনে করেন, সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র কোনো না কোনোভাবে সমাজের কাছে তুলে ধরতেই হবে। সেই কাজে গণমাধ্যমই হচ্ছে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এই কাজটি করতে পারে। একটি আধুনিক সভ্য রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের মতো প্রতিষ্ঠান না থাকলে কোনোভাবেই সেই রাষ্ট্র নিজেকে সভ্য রাষ্ট্র বলে দাবি করতে পারে না। তিনি বলেন, গণমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমই রাষ্ট্র, সমাজ ও জনগণের স্বার্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে কি না, জনগণের চাহিদা পূরণ করছে কি না, তার একটি চলমান জবাবদিহির প্রক্রিয়া। গণমাধ্যমের এই প্রতিচ্ছবি দেখার মধ্যদিয়েই গণমাধ্যম আমাদের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। আরও পড়ুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হলেন আন্দালিভ রহমান তিনি আরও বলেন, আমাদের এই গণমাধ্যম জগতে আমরা সাধারণত মালিকপক্ষকে দেখি, সম্পাদক ও সাংবাদিক পক্ষকে দেখি এবং ছাপাখানায় কর্মরত যারা আছেন, তাদেরও দেখি। মূলত এই তিনটি জায়গা। সরকার যেহেতু রাষ্ট্র চালায়, সরকার তো আর বিনিয়োগ করবে না বা সরকার পত্রিকা চালাবে না। তাহলে সেক্ষেত্রে পত্রিকা বা গণমাধ্যম জগতকে যদি আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী ও দায়িত্বশীলভাবে দাঁড়াতে হয়, তাহলে এই জগতের এই তিনটি অংশকে নিশ্চিত করাই হচ্ছে সরকারের কাজ। ‘সে কারণেই মালিকপক্ষ যেন এই জগতে বিনিয়োগ করতে নিরাপদ বোধ করে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ যেন লাভজনক প্রক্রিয়ায় যেতে পারে, তার জন্য পলিসি সাপোর্ট দেবে সরকার।’ প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার ক্ষমতার নামই হচ্ছে সাংবাদিকতা। যদি ক্ষমতাকেই প্রশ্ন করা না যায়, তাহলে তো সাংবাদিকতা হয় না। আর যত বেশি প্রশ্ন, গণতান্ত্রিক সরকার তত বেশি প্রশ্নের উত্তর দেবে। যত বেশি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে, জনগণের প্রতি সরকারের যে দায়বদ্ধতা এবং কাজ চলছে, তা তত বেশি পরিষ্কার করা যাবে। অতএব প্রশ্ন তো একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য সম্পদ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম, দৈনিক জনতা পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি সৈয়দ এম আলতাফ হোসাইন, দৈনিক জনতা পত্রিকার সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। কেএইচ/ইএ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>