ব্রেকিং নিউজ
বিক্রির জন্য ট্রলারে নেওয়া হচ্ছিল ১৭ কচ্ছপ, আটক ১ প্রথমবারের মতো 'মিস ইকো বাংলাদেশ' হয়ে নজর কাড়া কে এই ফ্যাশনিস্তা ডিজে আভিলা লোকালয়ে এসে বিপাকে লজ্জাবতী বানর, বিক্রির আগে উদ্ধার নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, যেকোনো ধরনের সহযোগিতার বার্তা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে ৭৩ জন গ্রেফতার পাংশার বৃত্তিডাঙ্গায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল তারকাদের দল না থাকাই শ্রেয়, থাকলে সাকিবের মতোই ঘৃণিত হবেন বিমানে মায়ের মৃত্যু, মরদেহ ওমানে রেখে চট্টগ্রামে ফিরলেন ছেলে সরকার সফল হলে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট ও জননিরাপত্তার সমস্যা কেন থাকবে
জাতীয়

রাজশাহীতে নেই সার সংকট, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
রাজশাহীতে আমন ধান রোপণের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা কমেছে। অন্যদিকে, আমন ধানে উপরি প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন গুদামে দুই হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী নগরীর চৌদ্দপাই এলাকার সার ডিলার মেসার্স মোসলেম মোল্লা এবং পবা উপজেলার কাটাখালীর সংসাদিপুর এলাকার মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজের গুদাম পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী। এ সময় তিনি ডিলারদের গুদামে সারের মজুত, সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমএ মান্নান। সারের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, চলতি আগস্ট মাসে রাজশাহীতে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। ডিলারদের মাধ্যমে এসব সার কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। কৃষকদের চাহিদা বিবেচনায় আরও অতিরিক্ত সারের বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল থেকেই ডিলাররা সেপ্টেম্বর মাসের নির্ধারিত সার উত্তোলন করতে পারবেন। ইতোমধ্যে ডিলারদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে সারের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। জেলা প্রশাসক বলেন, রাজশাহীতে ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ আমন ধান রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা এখন তেমন বেশি নেই। আমন ধানে উপরি প্রয়োগের জন্য ইউরিয়া সার প্রয়োজন। এ মুহূর্তে জেলায় ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কালোবাজারি ও অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত এক হাজার ২৯৩ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। আর অনিয়মের দায়ে তিন লাখ টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোবাইল কোর্ট ও ভিজিল্যান্স টিমের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধভাবে সার মজুত, কালোবাজারি কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মনির হোসেন মাহিন/এসজেডএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>