বিজ্ঞাপন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও কর্ম, ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।
আরও পড়ুন
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজার হাজার মানুষ
ঢাবির আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহা. মিজানুর রহমান ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আলোচনায় অংশ নেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র ইমাম খতিব হাফেজ মাওলানা নাজীর মাহমুদ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তুলতে পারলেই সমাজে শান্তি আসবে।
তিনি বলেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আল আমিন অর্থাৎ সত্যবাদী। অথচ বিনা কারণে আমরা মিথ্যা কথা বলি। নিঃস্বার্থ হওয়ার পরিবর্তে আমরা স্বার্থপর হই। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে আমরা অসহিষ্ণু হই। অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শনের পরিবর্তে জুলুম করি।
আরও পড়ুন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল আরও বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন পূর্ণাঙ্গ মহামানব। তার আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা কথা, অপবাদ, অন্যায়, অপকর্ম, হিংসা, বিদ্বেষ, উগ্রতা, অহংকার ও অহমিকা পরিহার করতে হবে। আমাদের কথা, কাজ ও আচরণের মাধ্যমে মহানবীর আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্বও প্রমাণিত হবে।
আরটি/এমএমকে
বিজ্ঞাপন