বিজ্ঞাপন
আজকাল হাতে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা থাকলেই অনেকেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এমনও দেখা যায়, একটি কক্ষে যতজন শ্রোতা রয়েছেন তার চেয়ে ক্যামেরার সংখ্যাই বেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানউন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুষ্টু চক্র সব জায়গাতেই থাকে। কিছুদিন আগে বনরুটির মধ্যে ব্লেড পাওয়ার একটি ঘটনা ঘটে। ছবিটি একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে একজন সহকারী শিক্ষিকা পাঠিয়েছিলেন। এরপর বনরুটির কারখানা, গুদাম ও স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় তল্লাশি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, এমন কোনো প্রক্রিয়া নেই, যেখানে ব্লেড থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন মিডিয়ার যুগ। অনেক স্থানে দেখা যায় একটি কক্ষে যতজন শ্রোতা, তার চেয়ে ক্যামেরার সংখ্যা বেশি। আপনারা সুনামধন্য সাংবাদিক। কিন্তু এখন হাতে একটি মোবাইল ফোন থাকলেই কেউ কেউ সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে পেশাদার সাংবাদিকদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কেউ অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করে সাংবাদিকতায় আসছেন। অন্যদিকে কেউ একটি মোবাইল ফোন কিনেই সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন। এমন ঘটনা এখন অনেক ঘটছে। তাই সবাইকে বিচক্ষণ হতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হঠাৎ করে কেউ মোবাইল নিয়ে ঢুকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিডিও ধারণ শুরু করতে পারেন না। মনে রাখতে হবে, স্কুলের গ্রাউন্ডে সংশ্লিষ্ট ও অনুমোদিত স্টেকহোল্ডার ছাড়া কারও প্রবেশ বা দায়িত্ব পালনের অধিকার নেই। অনায়সে কেউ কারও অনুমতি ছাড়া স্কুলে ঢুকতে পারেন না। বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।
সোহান মাহমুদ/এএইচ/জেআইএম
বিজ্ঞাপন