জাতীয়

পাওনা টাকার জেরে চার মাসের শিশুকে অপহরণের অভিযোগ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
7 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাওনা টাকার জেরে চার মাস বয়সী এক শিশুকে অপহরণের অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিখোঁজ মারুফা জান্নাত মাহি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দক্ষিণ ছালামী পাড়ার রশিদ উল্লাহের মেয়ে। অভিযুক্তরা হলেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের ইসলামপুর পুরাতন বাসস্টেশন এলাকার বাসিন্দার শফি উল্লাহ (৫০), তার শাশুড়ি খালেদা বেগম (৪০) এবং মো. আলম (৩০) ও তার স্ত্রী তৃষা (২৫)। আরও পড়ুন ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে চিকিৎসককে অপহরণ, পাওয়া গেল জঙ্গলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২১ আগস্ট) নাইক্ষ্যংছড়িতে ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা ননদ খালেদা বেগমের বাড়িতে শিশুসন্তান নিয়ে বেড়াতে যান ইয়াছমিন আক্তার ও তার স্বামী। সেখানে আলম ও তার স্ত্রী তৃষার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। পরদিন বিকেল ৫টার দিকে শফি উল্লাহর বসতঘরে থাকা অবস্থায় তৃষা শিশু মাহিকে কোলে নিয়ে পাশের ঘরে মোবাইলফোন চার্জ দিতে যান। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে দুধ খাওয়ানোর জন্য অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশু মাহি ও তৃষাকে আর পাওয়া যায় নি। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, আলম ও তৃষা শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শফি উল্লাহ ও খালেদা বেগমের সঙ্গে আলম-তৃষা দম্পতির এক লাখ ২০ হাজার টাকা আর্থিক লেনদেন রয়েছে। এ লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে যোগসাজশ থাকতে পারে। তাদের সহযোগিতায় শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (২২ আগস্ট) শিশুটির মা ইয়াছমিন আক্তার (২৮) বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দেন। অপহৃত শিশুর মামা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‌‘আমার বোনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ছিল অপহরণকারীদের। মঙ্গলবারও ফোনে বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। তারা টাকা দাবি করছে। টাকা দিলেই শিশুকে হস্তান্তর করার কথা বলছে।’ এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ। তবে শিশুটি চট্টগ্রামের কোথাও আছে এতটুকু জানতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আর্থিক লেনদেন নিয়ে পরিবারের সদস্যরাই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। অপহরণকারীদের সঙ্গে ভুক্তভোগীদের যোগাযোগও রয়েছে। তারপরও আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছি। নয়ন চক্রবর্তী/এসআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>