ব্রেকিং নিউজ
টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড় পিৎজা বানানোর রোবট নিয়ে প্রত্যাশা অনেক, সাফল্য এখনো আধাখেঁচড়া এশিয়ান গেমসে থাকার জায়গা নেই, অ্যাথলেটদের ‘নিজের ব্যবস্থা’ করতে বলল জাপান উত্তরায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিল, পোস্টার ও ব্যানারসহ আটক ১ রিজভীর নামে নেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে থানায় জিডি নকলায় নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে কিশোরীর মৃত্যু জনগণের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির মূল লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী কিশোর-কিশোরীদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ আসছে ‘দুধভাত হওয়ার বয়স শেষ’ লিখলেন তাসনিয়া ফারিণ ইসরায়েলি হামলায় নববধূ নিহত, খ্রিষ্টান সন্ন্যাসিনীর কপালে লাথি!
জাতীয়

সন্তানদের স্কুলের চ্যারিটি মেলায় অংশ নিতে নিতেই গড়ে ওঠে শান্তা কবীরের ‘আজুরা’

P
Prothom Alo অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad

শুধু দেশে নয়, বিদেশেও গড়ে উঠেছে আজুরার বিশেষ ক্রেতাগোষ্ঠী। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি মেলায় অংশ নিয়ে সে দেশের নাগরিকদেরও মুগ্ধ করেছে আজুরা। এখন তারা ব্র্যান্ডটির নিয়মিত ক্রেতা। আজুরার পোশাকগুলো এমন কাটে তৈরি হয় যে হালকা-পাতলা থেকে ভারী—সব গড়নেই মানাসসই।

ঢাকার একটি মিশনারি স্কুলে পড়াশোনা করতেন শান্তা কবীরের তিন ছেলে-মেয়ে। সেই স্কুলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য পড়াশোনার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। আর তাদের পড়াশোনার খরচের একটি অংশ স্কুলের চ্যারিটি ফান্ড থেকে আসত। ফান্ড সংগ্রহের জন্য স্কুলে নিয়মিত বিভিন্ন আয়োজন করা হতো।

প্রতিবারই সেখানে নিজের নকশা করা পোশাক বিক্রি করতেন শান্তা কবীর। আর অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর সব পোশাক বিক্রি হয়ে যেত। সেই বিক্রির টাকা জমা হতো চ্যারিটি ফান্ডে। এভাবে স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যেও তাঁর পোশাকের পরিচিতি বাড়তে থাকে।

পোশাক, গয়না ছাড়াও নানা রকম অনুঙ্গ মেলে এখানে

একসময় তাঁদের কাছ থেকেই নিয়মিত অর্ডার আসতে শুরু করে। এভাবেই ধীরে ধীরে শুরু হয় আজুরার পথচলা। আজুরা মূলত ভেজিটেবল ডাইয়ের পোশাক ও দেশীয় কাপড় নিয়ে কাজ করে।

ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার কারণে একসময় কাজ থেকে কিছুটা বিরতি নেন শান্তা কবীর। ছেলেমেয়েরা বড় হলে আবার শখের কাজটার প্রতি মনোযোগ দেন। বিভিন্ন মেলা ও এক্সিবিশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও চলতে থাকে তাঁর কাজ।

মিরপুরের রংধনু মার্কেটে আজুরার শো রুমে শান্তা কবীর

২০২৩ সালে একটি এক্সিবিশনে অংশ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, মিরপুর সাড়ে ১১-এর রংধনু মার্কেটে একটি দোকান বিক্রি হবে। শান্তা কবীর নিজেও মিরপুরের বাসিন্দা, তাই সেখানে একটি স্পেস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ছোট্ট সেই আউটলেটে নতুনভাবে শুরু হয় আজুরার অফলাইন যাত্রা। তবে আজুরার পরিচিতি এখন শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ছড়িয়ে আছে এর ক্রেতা।

নকশার পাশাপাশি আজুরা মূলত ভেজিটেবল ডাইয়ের পোশাকের জন্য জনপ্রিয়

সম্প্রতি চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত একটি মেলায় অংশ নেন শান্তা কবীর। মেলার পর বেশ কিছু চীনা আজুরার নিয়মিত ক্রেতায় পরিণত হয়েছেন। দেশে এলে মিরপুরের ছোট্ট আউটলেটটাও ঘুরে যান তাঁরা।

মূলত দেশীয় কাপড়ে তৈরি পোশাকে একটি আন্তর্জাতিক ধারা অনুসরণ করেন শান্তা কবীর। আজুরার পোশাকগুলো এমন কাটে তৈরি হয় যে হালকা-পাতলা থেকে ভারী, সব গড়নেই মানিয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>