জাতীয়

ইঁদুরের ফাঁদ-কবুতরের বিষ্ঠার পাশেই তৈরি হচ্ছিল ফুচকা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
চকচকে এসি আউটলেটের আড়ালে চলছিল জনপ্রিয় ‘ভাই বোন’ ফুচকা-চটপটির কারখানা। কিন্তু ভেতরের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। খাবার তৈরির টেবিলের পাশে ইঁদুর ধরার ফাঁদ, মাথার ওপর কবুতরের খাঁচা- সেখান থেকে কবুতরের বিষ্ঠা ও ময়লা পড়ছিল প্রস্তুতকৃত খাবারে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে সাময়িকভাবে কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া শহরের মালতিনগর এলাকায় ভাইবোন ফুচকা ও চটপটি তৈরির কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। পরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয় এবং কারখানাটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। জানা গেছে, শহরে ভাইবোন ফুচকার আকর্ষণীয় আউটলেট থাকলেও এর মূল কারখানার পরিবেশ ছিল চরম অস্বাস্থ্যকর। অভিযানে খাবারে ইঁদুর ও কবুতরের বিষ্ঠার উপস্থিতি পাওয়া যায়। এছাড়া ফুটন্ত গরম টক ফুড-গ্রেডবিহীন প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ এবং কয়েক দিন আগে সেদ্ধ করা পচা ডিমও পাওয়া যায়। চটপটি ও ফুচকা তৈরিতে ব্যবহৃত গাজর ও শসার বড় একটি অংশ ছিল পচা ও মানহীন। আরও পড়ুন দিনাজপুরে শ্রমিক নেতা আটকের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, সংঘর্ষে আহত ১০ অভিযান পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল। তিনি বলেন, বাইরের চাকচিক্যের পেছনে কারখানার ভেতরের পরিবেশ ছিল স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি স্বরূপ। ইঁদুরের উপদ্রব, কবুতরের বিষ্ঠা ও পচা কাঁচামাল দিয়ে খাবার তৈরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ তারা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেছেন। তিনি আরও বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজেদের ভুল স্বীকার করে পরিবেশ উন্নত করার জন্য ১২ দিনের সময় চেয়েছে। এই ১২ দিন কারখানাটির সব ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনের পর সন্তোষজনক পরিবেশ পেলে পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হবে। বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল জানান, নিয়মিত ভেজালবিরোধী মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়। নন-ফুড গ্রেড পাত্রে গরম খাবার রাখা হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সেই সঙ্গে সার্বিক পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর। জনস্বার্থে যৌথ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এলবি/এনএইচআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>