ব্রেকিং নিউজ
জবিতে বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষা কোর্সের আয়োজন গাজীপুর সাফারি পার্কে কর্মী ও দর্শনার্থীর মধ্যে মারামারি, আহত ৬ অন্যের বিপদে মুমিনের সতর্কতা নাতিকে পাশের বাড়িতে পাঠিয়ে নারীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি ট্রাম্প বক্তব্যে কী বলবেন তা নিয়ে বাজি, হোয়াইট হাউজ কর্মীর জরিমানা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হলেন ডানপন্থী ব্রিটিশ রাজনৈতিক বিশ্লেষক নৌ অবরোধের মধ্যেই তেল বিক্রি থেকে ৭৫০ কোটি ডলার আয় ইরানের ফরিদপুরে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন রনজিলা, ফিরলেন লাশ হয়ে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের
খেলাধুলা

লর্ডসে ফিরছেন বাবর, আশার আলো দেখছে পাকিস্তান

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
পাকিস্তান ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর দলটি যখন আত্মবিশ্বাসের সংকটে, তখন লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের আগে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন বাবর আজম। তিনি খেলবেন কি না- এই প্রশ্নের উত্তরই যেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য হয়ে উঠেছে এক ম্যাচের ভেতরের আরেক ম্যাচ। নিজের ফিটনেস সম্পর্কে বাবর বলেছেন, ‘আমি ৯০ শতাংশ ফিট।’ কথাটা পুরোপুরি নিশ্চিত কোনো ঘোষণা নয়, আবার খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়ার মতোও নয়। বরং তার এই মন্তব্যই লর্ডস টেস্টে পাকিস্তান দলে ফেরার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। আরও কৌতূহলের বিষয়, টেস্ট শুরুর একদিন আগে পাকিস্তানের অধিনায়ক-ব্যাটার হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন বাবর। সাধারণত যে খেলোয়াড় ম্যাচে থাকছেন না, তাকে টেস্টের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দেখা যাওয়াটা অস্বাভাবিক। ফলে তার উপস্থিতি এবং ‘৯০ শতাংশ ফিট’ মন্তব্য পাকিস্তান শিবিরে আশার সঞ্চার করেছে। পাকিস্তানের যে অবস্থা এখন, তাতে আশার জায়গা এতটাই সীমিত যে বাবরের ফেরাকেই বড় ভরসা হিসেবে দেখছেন সমর্থকরা। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং ছিল ভয়াবহ। দলটি প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭১ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৫ রানে অলআউট হয়। সেই ম্যাচে বাবর ছিলেন না। ফলে তার অনুপস্থিতিকে পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি বাবরের অনুপস্থিতি এবং দলের পরাজয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে বড় প্রশ্নও উঠেছে- এটাই কি পাকিস্তানের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল দল? ইংল্যান্ড সফরে আসা পাকিস্তানের সবচেয়ে দুর্বল দল কি এটি? নাকি দুটোই? এই কঠিন বাস্তবতায় বাবরের ফেরাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে সমস্যা হলো, দীর্ঘদিন ধরে টেস্টে বাবর নিজেও সেরা ছন্দে নেই। প্রায় চার বছর ধরে টেস্ট সেঞ্চুরির অপেক্ষা বাবর আজমের সর্বশেষ টেস্ট সেঞ্চুরি এসেছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। এরপর কেটে গেছে প্রায় চার বছর। এত দীর্ঘ সময় কোনো টেস্ট শতক না পাওয়া নিঃসন্দেহে তার মতো ব্যাটারের জন্য অস্বাভাবিক। তবে সাম্প্রতিক ফর্মে কিছুটা উন্নতির লক্ষণ রয়েছে। নিজের শেষ চার টেস্টে বাবর করেছেন চারটি অর্ধশতক। এর আগে টানা দুই বছর তার ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ২৪-এর মতো। ফলে শেষ চার ম্যাচের পারফরম্যান্সকে তার পুরোনো ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যায়। একটি শতকের খুব কাছেও গিয়েছিলেন তিনি। পোর্ট অব স্পেনে আবদুল্লাহ শফিকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট না হলে হয়তো তার দীর্ঘ সেঞ্চুরি-খরা এরই মধ্যে শেষ হয়ে যেত। অর্থাৎ, বাবর একেবারে ব্যাট হাতে ছন্দহীন- এমনটা বলাও ঠিক হবে না। বরং বড় ইনিংসের দরজায় পৌঁছেও সেটিকে শতকে রূপ দিতে পারছেন না তিনি। কেন এত দিন সেঞ্চুরি নেই? বাবরের দীর্ঘ সেঞ্চুরি-খরার নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। কখনো স্পিনে, কখনো পেসে, কখনো খারাপ বলে, আবার কখনো অসাধারণ ডেলিভারিতে আউট হয়েছেন তিনি। ফ্ল্যাট উইকেটেও আউট হয়েছেন, আবার কঠিন কন্ডিশনেও। অর্থাৎ তার সমস্যার পেছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া কঠিন। অনেকে বলেছেন, অতিরিক্ত ক্রিকেটের চাপ এর কারণ। আবার কেউ কেউ মনে করেন, পর্যাপ্ত ক্রিকেট না খেলাও তার ছন্দ নষ্ট করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত চাপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় আসে- ২০২৩ সালে অধিনায়কত্ব হারানোর প্রভাব। বাবরকে ঘিরে এই ধারণার কোনো পরিমাপযোগ্য প্রমাণ নেই। কিন্তু তার ক্যারিয়ারে অধিনায়কত্ব যে বড় ভূমিকা রেখেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। অধিনায়ক থাকার সময় তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হন। অধিনায়কত্ব চলে যাওয়ার পরও তার জনপ্রিয়তা কমেনি; বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে তার তারকা-ইমেজ আরও বড় হয়েছে। তবে তার ব্যাটিং রেকর্ড যেন বলছে, সেই তারকা পরিচয়ের পাশাপাশি মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিটাও তার প্রয়োজন। লর্ডসের মঞ্চে বাবর- প্রত্যাশার গল্পটা আরও বড় লর্ডসে ব্যাটিং করার আলাদা একটা মর্যাদা আছে। ঐতিহাসিক এই মাঠের অনার্স বোর্ডে নাম লেখানো বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের অন্যতম স্বপ্ন। আবার লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম না থাকা কিংবদন্তিদের তালিকাটাও কম আকর্ষণীয় নয়। শচীন টেন্ডুলকার, ব্রায়ান লারা, জ্যাক ক্যালিস কিংবা রিকি পন্টিংয়ের মতো মহাতারকারাও এই মাঠে টেস্ট সেঞ্চুরি করে অনার্স বোর্ডে নাম তুলতে পারেননি। আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>