বিজ্ঞাপন
নেপালে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে তাঁবু, মশারি, শুকনো খাবারের প্যাকেট, টর্চ লাইট, বেলচা, স্লিপিং ব্যাগ, ওয়াটার কন্টেইনার ও বডি ব্যাগসহ জরুরি বিভিন্ন সামগ্রী।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপালের উত্তরাঞ্চলে হিমবাহ ধসের পর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশেষ করে নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী রাসুয়া ও নুওয়াকোটসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আকস্মিক পানির স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও পড়ুন
নেপালের বন্যায় শোক ও সহায়তার বার্তা জাতীয় সংসদে
সর্বশেষ প্রতিবেদনে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ দুর্যোগে প্রায় ৩৩০ জন মানুষের মৃত্যু এবং এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্গম ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেপালের ভুটে কোশি নদীর আকস্মিক পানির প্রবাহ রাসুয়া জেলার টিমুরে ও স্যাব্রুবেশি এলাকার ওপর দিয়ে নেমে পরে ত্রিশূলী নদীর দিকে প্রবাহিত হয়। এতে কয়েকটি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এরই মধ্যে নেপালে জরুরি মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। নেপাল রেডক্রসের সহায়তায় আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর ফেডারেশন জরুরি তহবিল ছাড় করেছে। দুর্গত এলাকায় আশ্রয়, পানি, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
আরএমএম/একিউএফ
বিজ্ঞাপন