প্রচ্ছদ

লক্ষ্য ছিলেন যুবদল নেতা বাবু, ৪ শুটার ভাড়া করেন ‘সিএনজি হাফিজ’

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
6 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
রাজধানীর মিরপুরে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ডিবি জানায়, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে মাগুরা ও ঝিনাইদহ থেকে চার পেশাদার শুটার ভাড়া করা হয়েছিল। তবে পরিকল্পিত হামলার আগেই তাদের তল্লাশি চালাতে গেলে গুলিতে নিহত হন ইউসুফ। সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- চঞ্চল মোল্লা (৩৪), জিহাদ মোল্লা (৩০), জিয়ারুল মোল্লা (৩৯), মাসুম বিল্লাহ (২৮), নাহিদ হাসান (২১), আবির হাওলাদার (২৫), আলী হোসেন (৪৫) ও শাফিন আহমেদ (২২)। রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ডিবি জানায়, কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে ‘সিএনজি হাফিজের’ সঙ্গে হাফিজুল ইসলাম বাবুর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। স্থানীয় ময়লা অপসারণের টেন্ডার, ফুটপাতের দোকান, ব্যবসা ও একটি টিনশেড বাড়ির দখল নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই বাবুকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জুন প্রথম দফায় হত্যাচেষ্টা চালানোর পরিকল্পনা করা হলেও অস্ত্রে গুলি লোড করার সময় মিসফায়ারের কারণে তা ব্যর্থ হয়। পরে ২২ জুলাই অভিযুক্তরা ঢাকায় এসে মিরপুর-২ এলাকার একটি হোটেলে ওঠে এবং ২৩ জুলাই রাতে হামলার প্রস্তুতি নেয়। ডিএমপির ডিবিপ্রধান বলেন, ঘটনার রাতে বাবুর অফিসের সামনে অবস্থান নেওয়া সন্দেহভাজনদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্থানীয় বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। পরে তাদের তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন অস্ত্র বের করে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ইউসুফ নিহত হন। এসময় এলোপাতাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। আরও পড়ুন যুবদল কর্মী পারভেজ হত্যা: গ্রেফতার শুটার চঞ্চলের ৩ দিনের রিমান্ড ডিবির দাবি, গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সিএনজি হাফিজ চার শুটারকে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়া করেন। চুক্তির একটি অংশ অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া তাদের হোটেল ভাড়া ও অন্যান্য খরচও বহন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে হাফিজকে এ পরিকল্পনার হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ হয়েছে এবং ব্যবহৃত অন্যান্য অস্ত্রের উৎস শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনা হবে। টিটি/একিউএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>