ব্রেকিং নিউজ
ফের নতুন ফোনের নামে ব্যবহৃত ফোন বিক্রির অভিযোগ কেআরওয়াই ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশ আমেরিকার ঘাঁটিতে ইরানের হামলা; সুপার ট্যাংকারে আগুন  নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর যাত্রা শুরু মেসির ডায়েরির তিনটি ছেঁড়া পাতা ও একটি সোনালি কলম আর্থিক চাপ সামলাতে ১ লাখ ৪০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে পারে ফক্সভাগেন তিন দিনের পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার চোখেমুখে বনদস্যু আতঙ্ক আর ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বনে যাচ্ছেন বনজীবীরা শরীয়তপুরে সিএনজি-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ৩ বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার ঠেকাতে পিপিপি মডেলে কমিটি করছে বিএফআইইউ
জাতীয়

ডাইরেক্ট লিস্টিং হবে ডিএসই-সিডিবিএল, কমিশন সভায় উঠছে আইন

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল)-সহ বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। এজন্য ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশন মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) কমিশন সভায় অনুমোদনের পর পরদিনই জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে। পাশাপাশি আইপিও ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং হাইব্রিড লিস্টিং চালুর কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন মাসুদ খান। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীতে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিরেক্ট লিস্টিং প্রসঙ্গে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশন আগামীকাল (মঙ্গলবার) কমিশন মিটিংয়ে আমরা অ্যাপ্রুভ করবো। পরশু জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠিয়ে দেবো। এর সুবিধা হলো, একটি কোম্পানিকে আইপিও প্রক্রিয়ায় আর যেতে হবে না। কোম্পানি তার নির্দিষ্ট শেয়ার অফলোড করে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, খুব দ্রুত, দুই-তিন মাসের মধ্যে এই কাজ হয়ে যাবে। অনেক ভালো ভালো কোম্পানি ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের আওতায় আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমি খুবই আশাবাদী, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে আপনারা কয়েকটি কোম্পানিকে দেখতে পাবেন যারা এরই মধ্যে আসার ঘোষণা দিয়েছে এবং কয়েকটি এর মধ্যেই চলে আসবে। আইপিও ও হাইব্রিড ব্যবস্থায় পরিবর্তন আইপিও প্রক্রিয়াতেও পরিবর্তনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে মাসুদ খান বলেন, আইপিও রুল আগামী এক মাসের মধ্যে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে হাইব্রিড লিস্টিং ব্যবস্থাও চালু করা হবে। হাইব্রিড ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, একটি কোম্পানি চাইলে একই সঙ্গে আইপিও এবং ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের সমন্বয় করতে পারবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, কোনো কোম্পানি তার ১০ শতাংশ মূলধন বাজারে ছাড়তে চাইলে এর ৫ শতাংশ পাবলিকের কাছে আইপিওর মাধ্যমে দিতে পারে এবং বাকি ৫ শতাংশ অফলোড করতে পারে। এতে কোম্পানি একদিকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে, অন্যদিকে শেয়ারও বাজারে ছাড়তে পারবে। তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ইনশাআল্লাহ বোর্ড থেকে হাইব্রিড ব্যবস্থার বিষয়টি আসছে। পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ শুধু কোম্পানির আগ্রহের ওপর নির্ভর না করে জনস্বার্থে নির্দিষ্ট কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। আরও পড়ুন কথায় নয়, কাজে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান তিনি বলেন, সিকিউরিটিজ আইনের ২০এ ধারায় জনস্বার্থে কোনো কোম্পানিকে স্টক মার্কেটে আসার জন্য নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। এ ক্ষমতার আওতায় ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ কী হবে, সে বিষয়ে একটি বিধি প্রণয়ন করা হবে। নির্দিষ্ট কয়েকটি শ্রেণির কোম্পানিকে ওই বিধির আওতায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। এক মাসের মধ্যে পুনর্গঠন হবে সিসিবিএল বোর্ড পুঁজিবাজারের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করতে সিসিবিএলের বোর্ড এক মাসের মধ্যে পুনর্গঠন করা হবে বলেও জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সিসিবিএল নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠিত হলেও এতদিন কার্যকরভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়নি। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিএসইর সঙ্গে এ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সিসিবিএলের বোর্ড পুনর্গঠন হবে। এরপর নতুন ক্লিয়ারিং সিস্টেম চালুর দিকে এগিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠানটি। এই ব্যবস্থা চালু হলে ব্রোকারদের ব্যাক অফিস, মার্জিন ঋণ, সিসিএ ঘাটতিসহ বিভিন্ন বিষয় স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় আসবে বলে জানান বিএসইসির চেয়ারম্যান। পাকিস্তানের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার উদাহরণ দিয়ে মাসুদ খান বলেন, দেশটি এরই মধ্যে অধিকাংশ কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করেছে এবং ২০২৩ সাল থেকে টি+১ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশেও আগামী এক বছরের মধ্যে সিসিবিএল কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী। বছরের শেষ নাগাদ টি+১ চালুর লক্ষ্য শেয়ার নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে টি+১ চালুর বিষয়েও কাজ চলছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে সিডিবিএল, ডিএসই, সিএসই এবং বিদেশি ব্যাংকার ও কাস্টডি সার্ভিস প্রদানকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ টি+১ ব্যবস্থায় যাওয়ার চেষ্টা থাকবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সিস্টেম পরিবর্তনের কাজ চলছে এবং সিডিবিএলও এ বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে স্ক্রিপ্ট নেটিং চালুর কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি। সক্রিয় হচ্ছে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ফান্ডটি পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফান্ড ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিতেও কিছু পরিবর্তন আসবে। চালু হবে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ সিএসইতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়েও দ্রুত অগ্রসর হওয়ার কথা জানান মাসুদ খান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে যেসব সমস্যা ছিল সেগুলো এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। ব্রোকার নিবন্ধন ও পণ্য অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, আশা করছি আগামী এক বছরের মধ্যে পুরো সিস্টেমটি চালু হবে এবং চট্টগ্রামে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। বন্ড মার্কেট নিয়ে আশাবাদী বিএসইসি চেয়ারম্যান বন্ড মার্কেট নিয়েও আশাবাদ প্রকাশ করেন মাসুদ খান। তিনি জানান, এরই মধ্যে যেসব বন্ড ইস্যু হয়েছে, সেগুলোকে মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী এক বছরে ডিএসইর মূল বোর্ডে অনেক বন্ড তালিকাভুক্ত হবে বলে আশা করেন তিনি। আরও পড়ুন ডিবিএর আলোচনায় বক্তারা / ভালো কোম্পানি নেই, দুর্বল সারভিলেন্সে আস্থাহীন পুঁজিবাজার তিনি বলেন, এতে মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাজার থেকে বন্ড কেনার সুযোগ পাবে। বন্ডে আকর্ষণীয় রিটার্নের সুযোগ থাকায় এ বাজার দ্রুত বিকশিত হতে পারে। বাজারে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বিএসইসি বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিএসইসি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না বলেও স্পষ্ট করেন চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তিনি বলেন, কমিশন প্রতিদিন বাজার পর্যবেক্ষণ করে, কিন্তু কোনোভাবে হস্তক্ষেপ করে না। এখন পর্যন্ত কোনো ব্রোকারেজ হাউসকে বিএসইসি থেকে ফোন দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, মার্কেট তার স্বকীয়তায় চলবে। মার্কেট পড়ে গেলে মার্কেট ফোর্সেস করছে, বাড়লেও মার্কেট ফোর্সেস করছে। এটা স্টক মার্কেটেরই একটি অংশ। আমাদের তরফ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থাকবে না। মঙ্গলবার কমিশন মিটিংয়ে ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশন অ্যাপ্রুভ করা হবে/ছবি: জাগো নিউজ তবে কোনো শেয়ারে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে তা তদন্ত করা হবে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বড় অর্ডার দেওয়া নিজে কোনো বেআইনি কাজ নয়। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে বড় ক্রয় ও বিক্রয় আদেশ দিয়ে সিরিজ ট্রেডিং করা অপরাধ। ব্রোকারেজ হাউজে হবে বাছাইভিত্তিক পরিদর্শন ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শন বিএসইসির নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হলেও এখন থেকে বাছাইভিত্তিক ও সারপ্রাইজ পরিদর্শনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মাসুদ খান বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে সমস্যা থাকার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে সারপ্রাইজ চেক করা হবে। নতুন মার্জিন রুলও অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ মেনে চলার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান। আস্থা ফেরাতে ইতিবাচক বার্তার আহ্বান পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বাজার উন্নয়ন শুধু বিএসইসির কাজ নয়, এটি ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল, সিসিবিএলসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও ন্যায্য প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, নেগেটিভ থাকবেই, কিন্তু পজিটিভটাও দিলে শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা একটি ইতিবাচক বার্তা পাবেন। আমরা যদি সারাক্ষণ নেগেটিভ নিউজ করি, তাহলে কখনোই পজিটিভ আসতে পারে না। বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ডিএসইকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। একই সঙ্গে বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে মাসুদ খান বলেন, গত দুই মাসে কমিশন কী করেছে এবং আগামী দুই মাসে কী করতে যাচ্ছে, তা বিনিয়োগকারীরা নিজেরাই মূল্যায়ন করবেন। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। এই পুঁজিটা আপনার, এই পুঁজিটা আপনাকেই সংরক্ষণ করতে হবে। ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি রোজারিও, ডিবিএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, ডিবিএ’র সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সিইও মেসবাহ উদ্দিন প্রমুখ। এমএএস/ইএ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>