ব্রেকিং নিউজ
সীতাকুণ্ডে বোটভর্তি ৪১০ বস্তা সার উদ্ধার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এখন কেমন আছেন পলমল গ্রুপে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল ঢাকা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা অর্থনৈতিক-ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব: রুবিও চট্টগ্রামে নিজ বাসা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ন পরিচালকের মরদেহ উদ্ধার বগুড়ায় বিয়ের দুমাসের মাথায় বিষপানে তরুণের আত্মহত্যা ৫০তম বিসিএসের তৃতীয় ধাপের মৌখিক পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু, প্রার্থী ২৫৩৫ শেরপুরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আরসিসি সড়ক ঢালাই কাজের শুভ সূচনা Indian Cricket: আদৌ কি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে থাকবেন রোহিত, বিরাটরা? আজ মুম্বইয়ের বৈঠকেই কি মিলবে সব উত্তর?
জাতীয়

আদালতে ‘অপহৃত’ প্রেসিডেন্টের ধারালো যুক্তি, বাতিল হবে মামলা?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ভেনেজুয়েলা থেকে অপহৃত সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্র বাতিলের জন্য মার্কিন ফেডারেল আদালতের কাছে আবেদন করেছেন । আবেদন পত্রে মাদুরো যুক্তি দিয়েছেন- একজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ফৌজদারি বিচারের আওতার বাইরে আইনি দায়মুক্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে, মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার অবৈধ নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে ৬০ পৃষ্ঠার একটি আইনি নথি জমা দেন মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি পোলাক (Barry Pollack) ও আনা এস্তেভাও (Anna Estevao)। আইনজীবীরা বলেন, এই নজিরবিহীন মামলা রাষ্ট্রপ্রধান ও তাদের সরকারি দায়িত্বে থাকা বিদেশি কর্মকর্তাদের জন্য শত শত বছর ধরে স্বীকৃত ফৌজদারি বিচার থেকে পূর্ণ দায়মুক্তির নীতিকে লঙ্ঘন করছে। যুক্তরাষ্ট্রে আটক ও অপহরণের অভিযোগ চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে Operation Absolute Resolve নামে ভেনেজুয়েলায় একটি অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ওই অভিযানের মাধ্যমে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে ট্রাম্প প্রশাসন। আটকের পর এই দম্পতির বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদ (narcoterrorism) ও মাদক পাচারের অভিযোগ আনে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে, এই অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর কথা জানিয়েছিলেন মাদুরো। অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করার সময় মাদুরো বলেছিলেন, আমি অপহৃত প্রেসিডেন্ট, যুদ্ধবন্দি। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়মুক্তির দাবি মাদুরোর আইনজীবীরা তাদের আবেদনে বলেন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের পূর্ণ আইনি দায়মুক্তি আন্তর্জাতিক প্রচলিত আইনের একটি মৌলিক নীতি এবং কমন ল’ ব্যবস্থাতেও এটি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।তাদের মতে, মাদুরোর বিরুদ্ধে মামলা “কমন ল’-এর মৌলিক নীতির সরাসরি লঙ্ঘন।” মাদুরোর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র এবং তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন বক্তব্যে তাকে ভেনেজুয়েলার অবৈধ শাসক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু মাদুরোর আইনজীবীরা বলছেন, তাকে অবৈধ নেতা হিসেবে চিহ্নিত করা আসলে তাকে বিচারের আওতায় আনার জন্য একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ। আরও পড়ুন ‘অপহরণ’ করার যুক্তি / মাদুরো দম্পতির পক্ষে নতুন আইনজীবী, কে এই আন্না এস্তেভাও? আইনজীবীদের যুক্তি, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আইনি দায়মুক্তি পাওয়ার জন্য কোনো দেশের সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি নয়। তারা বলেন, দায়মুক্তির ক্ষেত্রে মাদুরো অন্তত ভেনেজুয়েলার de facto বা কার্যত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন-এটাই যথেষ্ট। সরকারি দায়িত্বে করা কাজের জন্যও দায়মুক্তির দাবি মাদুরোর আইনজীবীরা মামলা বাতিলের পক্ষে আরেকটি যুক্তিও দিয়েছেন। তাদের মতে, তার বিরুদ্ধে যে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোও তিনি ভেনেজুয়েলার সার্বভৌম রাষ্ট্রের পক্ষে সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে করেছেন বলে অভিযোগপত্র থেকেই বোঝা যায়। তারা লিখেছেন, অভিযোগপত্রে পরিষ্কার যে মাদুরোর কথিত অপরাধগুলো তার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সরকারি ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আইনজীবীদের যুক্তি হলো, এসব কর্মকাণ্ড ভেনেজুয়েলা রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত কোনো বিদেশি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকারি কর্মকাণ্ডের বিচার করতে পারে না। মাদুরোর আইনজীবীদের ট্রাম্পের আইনি নজির ব্যবহার নিজেদের যুক্তি জোরালো করতে মাদুরোর আইনজীবীরা এমন একটি আইনি নজির ব্যবহার করেছেন যা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছেও পরিচিত। গত বছর মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্টের দায়মুক্তি-সংক্রান্ত রায়। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, কোনো কাজ প্রেসিডেন্টের সরকারি দায়িত্বের অংশ কি না তা নির্ধারণ করার সময় আদালত প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য বা প্রেরণা নিয়ে অনুসন্ধান করতে পারে না। মাদুরোর আইনজীবীদের যুক্তি, একই নীতি মাদুরোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অর্থাৎ আদালতকে প্রথমে নির্ধারণ করতে হবে তার কর্মকাণ্ডগুলো সরকারি কাজ ছিল কি না? সেগুলো অবৈধ ছিল কি না তা বিবেচনা করে সরকারি কাজের মর্যাদা নির্ধারণ করা উচিত নয়। সূত্র: পলিটিকো কেএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>