ব্রেকিং নিউজ
বিরামপুরে বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা পণ্ড Raina On Kohli: অকালে অবসর নিতে হয়েছিল কোহলির জন্য! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করলেন রায়না BWF World Championship 2026: ইতিহাস গড়ে এবার সাত্ত্বিক-চিরাগের লক্ষ্য এশিয়ান গেমস কাফরুলে শিশু অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার নারী কারাগারে রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়বে বিসিএসের ভাইভা দিতে ঢাকায় আসার পথে দুর্ঘটনায় ঢাবি শিক্ষার্থী নিহত যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন নিহত ১৪ অস্ত্রোপচারের পরও সুস্থ হননি, ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি জুলাই যোদ্ধা শাকিলের সাভারে এসআই আলতাব হত্যা: মুন্সিগঞ্জ থেকে এজাহারভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার পশ্চিমবঙ্গে খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান, ১৭ রেস্তোরাঁ বন্ধ
জাতীয়

পালিয়ে বিয়ে করলে কি বিয়ে শুদ্ধ হয়?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
প্রশ্ন: পালিয়ে বিয়ে করলে কি বিয়ে শুদ্ধ হয়? নাকি পরে নতুন করে বিয়ে করতে হয়? উত্তর: ইসলামে বিয়ের মৌলিক শর্ত হলো: ১. ইজাব-কবুল করা অর্থাৎ এক পক্ষের প্রস্তাব আরেকপক্ষের গ্রহন করা। ২. দুজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী সাক্ষীর সামনে বিয়ে সম্পন্ন হওয়া এবং উভয়ে একসাথে ইজাব-কবুল শ্রবণ করা। দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক ও বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যাদের মধ্যে বিয়ে হারাম নয় এবং নারী অন্য কারো সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ নয়, তারা যদি দুইজন পুরুষ সাক্ষী অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর সামনে যথাযথ পদ্ধতিতে ইজাব-কবুল করে, তাহলে হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যায়। আরও পড়ুন চুক্তিভিত্তিক বিয়ে করলে কি আদৌ বিয়ে হয়? তবে মনে রাখা দরকার, ইসলামে বিয়ে একটি মহৎ ইবাদত, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়। তাই বিয়ে বাবা-মা-সহ পরিবারের মুরুব্বিদের পরামর্শে ও তত্ত্বাবধানে করাই সমীচীন। বিশেষত নারীর জন্য বাবা, ভাই বা তাদের অবর্তমানে অন্য অভিভাবকের মতামত ছাড়া বিয়ে করা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। অনেক আলেমের মতে অভিভাবকদের মতামত ছাড়া বিয়ে করলে নারীর বিয়ে শুদ্ধ হয় না। যেখানে দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও আমরা পরিবারের প্রবীণ ও অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করি, সেখানে বিয়ে যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুগম্ভীর, দূরদর্শী ও স্পর্শকাতর এক অধ্যায় তা পরিবারকে না জানিয়ে বা লুকিয়ে করার চিন্তা কীভাবে করা যেতে পারে? বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ক্ষণিকের আবেগের চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং পাত্র-পাত্রীর সামাজিক সমতার বিষয়গুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে নেওয়া একটি ভুল সিদ্ধান্ত জীবনের সম্মান ও শান্তি চিরতরে কেড়ে নিতে পারে। তরুণ-তরুণীদের বোঝা দরকার যে, মা-বাবা কিংবা পরিবারের মুরুব্বিরা কখনোই তাদের অমঙ্গল চান না। তারা সন্তানের সুদূরপ্রসারী মঙ্গল, বিয়ের স্থায়িত্ব ও সামাজিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই অনেক সময় তরুণ বয়সের তাড়াহুড়ো বা পছন্দকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করতে পারেন না। আরও পড়ুন বরের বাবার জন্য কনে দেখা কি জায়েজ? তাই তাদের আপত্তির কারণ তাৎক্ষণিকভাবে অনুধাবন না করতে পারলেও তরুণ-তরুণীদের উচিত তাদের অভিজ্ঞতা ও কল্যাণকামিতার ওপর ভরসা রাখা, বিয়ের জন্য তাড়াহুড়া না করা, প্রয়োজনে তাদেরকে আরও বুঝিয়ে তাদের সম্মতি ও দোয়া নিয়েই বিয়ে করা। ওএফএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>