ব্রেকিং নিউজ
বাড়ির আঙ্গিনায় মশার প্রজনন হলে জেল: ডিএসসিসি প্রশাসক বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল সংসদে পাস খাতা চ্যালেঞ্জের পরও ফেল, ফাঁস নিলো শিক্ষার্থী সিপিএল অভিষেকে মিরাজের তাক লাগালো বোলিং দেখে যা বললেন অধিনায়ক কোস্টগার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান ডারউইনে টেস্ট জিতিয়ে আইসিসির মাসসেরার দৌড়ে হাসান মাহমুদ কিছু বিষয়ের অপপ্রয়োগের শঙ্কা গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্টদের, বিবেচনার আশ্বাস সরকারের ‘গুলি হচ্ছে, আতঙ্কে আছি,’ পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার আকুতির মধ্যেই প্রাণ গেল রমজানের খুলনায় আরও দুজনের প্রাণ নিলো ডেঙ্গু মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের মাধ্যমে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে: স্পিকার
জাতীয়

অমুসলিমদের যেভাবে সালাম দেবেন

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
সাধারণ নিয়মে সালাম বা ‘আসসালামু আলাইকুম’ ইসলামে শুধু মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত। এই সালাম শুধু মুসলমানদেরই দেওয়া যায়। নবীজি (সা.) মুসলিম ভাইকে বেশি বেশি সালাম দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, সালাম মুসলমানদের পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করে। নবীজি (সা.) বলেন, সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! আপনারা মুমিন না হলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না আর পরস্পরে সৌহার্দ ও ভালোবাসা না রেখে আপনারা মুমিন হতে পারবেন না। আমি আপনাদের এমন কাজের কথা বলছি যা আপনাদের পারস্পরিক সৌহার্দ বৃদ্ধি করবে, নিজেদের মধ্যে বেশি বেশি সালাম বিনিময় করুন! (সহিহ মুসলিম: ২০৩) অমুসলিমদের সালাম দিতে নিষেধ করেছেন নবীজি (সা.)। তারা যদি সালাম দেয়, তাহলে উত্তরে বলতে হবে ‘ওয়াআলাইকুম’ অর্থাৎ ‘তোমার প্রতিও তাই হোক যা তুমি বলেছ’। তারা সালাম দিলেও উত্তরে পূর্ণ সালাম বলা যাবে না। রাসুল (সা.) বলেন, আপনারা ইহুদি-খৃষ্টানদের আগে বাড়িয়ে সালাম দেবেন না। না। (সহিহ মুসলিম: ২১৬৭) আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, নবীজি (সা.) বলেন, ইহুদি-খৃষ্টানরা আপনাদের সালাম দিলে উত্তরে শুধু ‘ওয়া আলাইকুম’ বলবেন। (সহিহ বুখারি ৬২৫৮, সহিহ মুসলিম ২১৬৭) আরও পড়ুন অমুসলিমদের সঙ্গে আচরণে কোরআনের নির্দেশনা অমুসলিমদের কীভাবে সম্ভাষণ জানাবেন? অমুসলিমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে বাংলায় শুভ সকাল, শুভ দুপুর, শুভ সন্ধ্যা ইত্যাদি বলে সম্ভাষণ জানানো যেতে পারে। ‘আদাব’ও বলা যেতে পারে। অথবা সালামের সঙ্গে মিল রেখে বলা যায়, ‘আস-সালামু আলা মানিত-তাবাআলা হুদা’ অর্থাৎ ‘যারা হেদায়াত অনুসরণ করে তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক’। কোরআনে হজরত মুসার (আ.) ঘটনায় বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহ তাআলা মুসাকে (আ.) নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফেরাউনের সঙ্গে সাক্ষাত হলে তাকে ‘আসসালামু আলা মানিত-তাবাআল হুদা’ বলতে। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা দু’জন তার কাছে যাও অতঃপর বল, ‘আমরা তোমার রবের দু’জন রাসুল। সুতরাং তুমি বনী ইসরাইলকে আমাদের সাথে যেতে দাও এবং তাদেরকে নির্যাতন কোরো না। আমরা তোমার কাছে এসেছি তোমার রবের আয়াত নিয়ে। আর যারা সৎ পথ অনুসরণ করে, তাদের প্রতি সালাম’। (সুরা ত্বা-হা: ৪৭) নবীজি (সা.) অমুসলিম বাদশাহদের কাছে পাঠানো পত্রেও লিখেছিলেন, ‘সালামুন আলা মানিত-তাবাআল হুদা’। আরও পড়ুন মিজানুর রহমান আজহারী / অমুসলিম দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের বিধান অমুসলিম ব্যক্তিকে তাদের নিয়মে ‘নমস্কার’ বলা যাবে? কোনো অমুসলিমের সাথে সাক্ষাৎ হলে তাদের ধর্মীয় নিয়মে ‘নমস্কার’ বা ‘নমস্তে’ বলা যাবে না। বরং শুভ সকাল বা আদাবের মতো কোনো ধর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন সাধারণ কোনো শব্দে সম্ভাষণ জানাতে হবে। (ফতোয়ায়ে রহিমিয়া: ৬/১২৬) ওএফএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>