ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট ৯ অক্টোবর, ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৭ তারিখ থেকে সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে ৫০ শতাংশ কোটা কমালো সরকার বেবি শাওয়ারের ছবি প্রকাশ, মা হওয়ার খবর দিলেন সেই নাফিজা অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযানে নামছে র‍্যাব বম্বে সুইটসে নিয়োগ, ২২ বছর হলেই আবেদন প্রযুক্তির আধুনিকায়নে বাড়ছে সাক্ষরতার সুযোগ সন্ত্রাসীদের প্রতি নমনীয়তা দেখানোর ফলেই বাঁধনের ওপর হামলা: পাটওয়ারী ভাইকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে বলেছিলেন, ‘বোনকে নিয়ে যাও’, দুই দিন পরে পেলেন মৃত্যুর খবর ডোপ টেস্টে ‘নেগেটিভ’ মানে কী মাফিয়া গ্যাংয়ের হেনস্তার শিকার হওয়া প্রমাণ করে বাঁধন সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা
জাতীয়

কুয়ালালামপুরে বাড়ছে বায়ুদূষণ, মাস্ক বিতরণের নির্দেশ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
কুয়ালালামপুরসহ মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলে আবারও বাড়ছে ধোঁয়াশা। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও কালিমানতানে ব্যাপক হটস্পট ও ভূমি-আগুন থেকে সৃষ্টি হওয়া ধোঁয়া দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে মালয়েশিয়ার দিকে প্রবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া ও কম বৃষ্টিপাত যুক্ত হয়ে বায়ুর মান আরও খারাপ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেলাঙ্গর রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি বায়ুদূষণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মীদের মধ্যে ফেস মাস্ক বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। রোববার এক বিবৃতিতে সেলাঙ্গর রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান জামালিয়াহ জামালুদ্দিন বলেন, বায়ুদূষণ সূচক (এপিআই) সবচেয়ে বেশি এমন এলাকাগুলোতে মাস্ক বিতরণ করা হবে। ধোঁয়াশার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এটি অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা এএসএমসি জানিয়েছে, সুমাত্রা ও কালিমানতানের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা হটস্পট থেকে মাঝারি থেকে ঘন ধোঁয়ার স্তর তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সুমাত্রার মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল এবং কালিমানতানের বিভিন্ন এলাকায় আগুনের হটস্পট শনাক্ত হয়েছে। এসব এলাকা থেকে ধোঁয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূল সুমাত্রার খুব কাছাকাছি হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহের সময় ইন্দোনেশিয়ার আগুনের ধোঁয়া সহজেই মালয়েশিয়ার দিকে চলে আসে। এর ফলে সেলাঙ্গর, কুয়ালালামপুরসহ পশ্চিম উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় বায়ুর মান দ্রুত খারাপ হতে পারে। আরও পড়ুন মালয়েশিয়ায় ভুল তথ্য দিলেই শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বন্ধ এর আগে মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকার কথা। এ সময়ে আর্দ্রতা কমে বৃষ্টিপাতও কমে যায়। ফলে বন, কৃষিজমি ও পিটল্যান্ডে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং স্থানীয় ও আন্তসীমান্ত ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে। রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেলাঙ্গরের ছয়টি এলাকায় এপিআই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে জোহান সেটিয়ায় এপিআই সর্বোচ্চ ১৮১। শাহ আলমে ১৬৮, কুয়ালা সেলাঙ্গরে ১৫৮, পেটালিং জায়ায় ১৫৭, ক্লাংয়ে ১৫৬ এবং বান্টিংয়ে ১৫৫ রেকর্ড করা হয়েছে। এপিআই ১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর ওপরে গেলে বিপজ্জনক পর্যায় হিসেবে ধরা হয়। শুধু সেলাঙ্গর নয়, কুয়ালালামপুরের বাতু মুদায় এপিআই ১৬৪ এবং চেরাসে ১৬২ রেকর্ড করা হয়েছে। পুত্রাজায়ায়ও এপিআই ১৬২ ছিল। একই সময়ে দেশের আরও কয়েকটি রাজ্যে অস্বাস্থ্যকর বায়ুর পরিস্থিতি দেখা গেছে। জামালিয়াহ জামালুদ্দিন অস্বাস্থ্যকর এপিআই পরিস্থিতিতে বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের রোগে আক্রান্তদের শারীরিক ও বাইরের কার্যক্রম সীমিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বায়ুর মান অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে পৌঁছালে সাধারণ মানুষকে কঠোর পরিশ্রমের কাজ ও বাইরের শারীরিক কার্যক্রম কমিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজন হলে ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে হবে। নিজ নিজ এলাকার সর্বশেষ এপিআই পরিস্থিতিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে রাজ্য সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর ও মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে নিয়মিত কারিগরি তথ্য ও পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এদিকে ধোঁয়াশার অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত খোলা জায়গায় আগুন জ্বালানোর বিরুদ্ধেও কঠোর হচ্ছে সেলাঙ্গর সরকার। রাজ্যজুড়ে খোলা জায়গায় আগুন জ্বালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে রাজ্য কর্তৃপক্ষ। রাজ্য সরকার বলছে, বায়ুর মান আরও অবনতি হলে জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষায় অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বায়ুদূষণ বাড়াতে পারে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা মেনে চলতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এমআরএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>