ব্রেকিং নিউজ
তেইশে শ্রাবণ অ্যাজোস্পারমিয়া থাকলে কি বাবা হওয়া সম্ভব  পিসিওএস (PCOS): কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ | নুভিস্তা ফার্মা টেইলর সুইফটের নামে নতুন পোকাদের নাম রাজপুত্রের হাতের হাড় দেখিয়ে সেনাদের মনোবল বাড়ানোর উদ্যোগ রাশিয়ার চলতি বছর তেলের সরবরাহের ঘাটতি আরো বাড়বে এআইয়ে পুরোনো সাজ ফিরলেও, ফেরেনি আশির দশকের আবহ: রতি অগ্নিহোত্রী কোয়ারেন্টিনের ৩ সপ্তাহ শেষ হয়নি এক দশকেও, ছোট ঘরে বন্দি দুই লেপার্ড  Joe Root: বিশ্বরেকর্ড জো রুটের, টেস্ট ক্রিকেটে এই কীর্তি আর কারও নেই, লজ্জার হারের মুখে পাকিস্তান Bengal Cricket: সিয়েচেম ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলা, হোটেল সমস্যায় বদলে গেল সিএবি-র বার্ষিক সাধারণ সভার স্থান
জাতীয়

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিলের রায় যে কোনো দিন

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রায় যে কোনো দিন ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রাষ্ট্র ও আসামি- উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ রায়ের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেন। মামলাটির শুনানিতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঁঞা। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন মারা যান। আরও পড়ুন ফিজিতে নিখোঁজ কক্সবাজারের পার্বনের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তদন্তের নির্দেশ ২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। এতে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এছাড়া সাজা কমে সাতজনের, খালাস পান ১১ জন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। যাবজ্জীবন বহাল রাখা হয় টিপু ও নুরুল আমিনের। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তারা হলেন- মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম ও মশিউর রহমান ওরফে মনু। এছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস পান মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী ও জাহাঙ্গীর। পরে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন। এফএইচ/একিউএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>