বিজ্ঞাপন
ট্রেন্ডের জোয়ারে গা ভাসালেন মুশফিকুর রহিম। নিজের একটি ছবিকে আশির দশকের ভাইব দিলেন। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
মুশফিক সেঞ্চুরির পর উদযাপনের একটি ছবিতে নস্টালজিয়া ফিল্টার ব্যবহার করেছেন। ছবিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫ হাজার রিয়েকশন পড়েছে। কমেন্ট পড়েছে ৮০০-এর ওপরে।
তবে অনেককেই একটি কমন কমেন্ট করতে দেখা যাচ্ছে, মুশফিককে নাকি লাগছে সাকিব আল হাসানের মতো! কেউ কেউ আবার কোকড়া চুল দেখে শচিন টেন্ডুলকারের কথাও বলছেন।
ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামের নিউজফিডে স্ক্রল করতেই চোখে পড়ছে আশির দশকের আদলে এমন সব ছবি। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে নিজেদের সেই নস্টালজিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তারা।
বর্তমানের একটি ছবিকে এআইয়ের সাহায্যে এমনভাবে রূপ দেওয়া হচ্ছে, যেন সেটি কয়েক দশক আগের কোনো স্টুডিও ক্যামেরায় তোলা। পোশাক, চুলের কাট, মেকআপ থেকে শুরু করে আলো, ব্যাকগ্রাউন্ড এমনকি ছবির দানাদার ফিল্ম-টেক্সচার; সবকিছুতেই ফুটে উঠছে আশির দশকের ছাপ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ‘নস্টালজিয়া ফিল্টার’ ট্রেন্ডটি তুমুল জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছে। প্রযুক্তি আর পুরনো স্মৃতির অদ্ভুত এক মেলবন্ধনে মেতে উঠেছেন নেটিজেনরা।
মুশফিকের ছবিতে একজন কমেন্ট করেছেন, ‘সাকিব-মুশফিক হাইব্রিড ক্রসওভার।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এটা মুশফিক নাকি সাকিব বোঝা কষ্ট।’ আরেকজনের কমেন্ট, ‘এআইরে কইছেন মুশফিকুর রহিমের ৮০ সালের পিকচার তৈরি করে দেও। এআই দিছে সাকিবের মতো চেহারা বানাইয়া।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘লুক লাইক সাকিব আল হাসান।’
অনেকে আবার শচিনের সঙ্গে চেহারার মিল পাচ্ছেন। একজন লিখেছেন, ‘শচিন টেন্ডুলকারের মতো লাগছে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘টেন্ডুলকারের একটা ভাইব আছে।’
এমএমআর
বিজ্ঞাপন