ব্রেকিং নিউজ
ফিল্ড ফায়ারিংয়ে আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় মেসি! দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি মাদ্রাসাশিক্ষকের ৩৯ বছরের শিক্ষকতা–জীবনের শেষ দিন ‘জোৎস্না আপাকে’ ঘোড়ার গাড়িতে বিদায় আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দেশ অশান্ত করতেই জামায়াতের লং মার্চ: রাশেদ খান কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায় অনিয়মের অভিযোগে মুগদা হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু শনিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে প্রাণ গেল ৩ শিশুর হাম নিয়ন্ত্রণহীন, সরকার কী করছে, মানুষ জানে না
জাতীয়

দ্বিগুণ থেকে চারগুণ দাম, কম্পিউটারের বাজারে আগুন লাগাল কে?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
এক বছর আগেও যে দামে কম্পিউটার কেনা যেত, এখন একই কনফিগারেশনের জন্য গুনতে হচ্ছে অনেক বেশি টাকা। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে র‌্যাম, এসএসডি ও গ্রাফিকস কার্ডের দাম। কোনো কোনো মডেলের ক্ষেত্রে এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। ফলে নতুন কম্পিউটার কেনা, পুরোনো কম্পিউটার আপগ্রেড কিংবা গেমিং ও গ্রাফিকসের জন্য উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার তৈরিতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বগুড়া শহরের আলতাফ আলী মার্কেট, সাতমাথা, কালিতলা ও আশপাশের কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সব পণ্যের দাম একই হারে বাড়েনি। তবে মেমোরি চিপনির্ভর পণ্য, বিশেষ করে ডিডিআর-৫ র‌্যাম, এনভিএমই এসএসডি এবং উচ্চক্ষমতার গ্রাফিকস কার্ডে দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এর প্রভাব পড়েছে পুরো কম্পিউটার তৈরির খরচেও। হোলসেল প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের বাজারদরের তথ্য অনুযায়ী, ডিডিআর৪ ৮ জিবি র‌্যাম আগে দুই হাজার ১০০ টাকা থাকলেও এখন বিক্রি হচ্ছে আট হাজার টাকায়। অর্থাৎ দাম বেড়েছে প্রায় চারগুণ। ডিডিআর৫ ১৬ জিবি র‌্যামের দাম সাত হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার টাকা। ৫১২ জিবি এনভিএমই এসএসডি চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং এক টেরাবাইটের এসএসডি সাত হাজার থেকে বেড়ে ১৯ হাজার ৫০০ টাকায় উঠেছে। ‘যেসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ বা তিনগুণ হওয়ার দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে আমদানি মূল্য, ডলার বিনিময় হার, আমদানিকারকের মূল্য, পরিবহন ব্যয় ও খুচরা মূল্য তুলনা করলে প্রকৃত মূল্যবৃদ্ধির চিত্র আরও পরিষ্কার হবে। যা আমাদের মতো ক্রেতাদের দেখার সুযোগ নেই’ একই প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, ১২তম প্রজন্মের কোর আই৫ প্রসেসরের দাম ১৬ হাজার টাকা থেকে দাম বেড়ে হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা। কোর আই৩-এর দাম ১০ হাজার থেকে বেড়ে ১৬ হাজার টাকা হয়েছে। আট জিবি আরটিএক্স গ্রাফিকস কার্ড ৩২ হাজার থেকে বেড়ে ৪৮ হাজার টাকা এবং এক টেরাবাইট হার্ডডিস্ক ৩ হাজার ২০০ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে। দুই টেরাবাইট হার্ডডিস্কের দাম চার হাজার ৬০০ থেকে বেড়ে ছয় হাজার ৩০০ টাকা এবং গিগাবাইট বি৭৬০ মাদারবোর্ডের দাম ১৪ হাজার থেকে বেড়ে ১৬ হাজার টাকা হয়েছে। খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান বগুড়ার কোবাইট কম্পিউটারের দেওয়া বাজারদরেও র‌্যাম ও এসএসডিতে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, ডিডিআর৪ ৮ জিবি র‌্যাম চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে আট হাজার টাকা, ডিডিআর৫ ১৬ জিবি র‌্যাম সাত হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা এবং এনভিএমই এস১২ এসএসডি পাঁচ হাজার থেকে বেড়ে ১২ হাজার টাকা হয়েছে। এক টেরাবাইট এসএসডির দাম ১০ হাজার থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং দুই টেরাবাইট হার্ডডিস্ক পাঁচ হাজার ২০০ থেকে বেড়ে ১২ হাজার টাকা হয়েছে। গিগাবাইট বা আসুস ৪৫০ সিরিজের মাদারবোর্ড ছয় হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে আট হাজার টাকা, ১২তম প্রজন্মের কোর আই৫ প্রসেসরের দাম ১২ হাজার থেকে বেড়ে ১৭ হাজার এবং কোর আই৩ ৯ হাজার থেকে বেড়ে ১২ হাজার টাকা হয়েছে। ২৪ ইঞ্চি মনিটরের দামও ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ১৭ হাজার টাকা হয়েছে। ‘এআই মডেল ও ক্লাউড সার্ভারের জন্য বিপুল পরিমাণ উন্নত মেমোরি ও স্টোরেজ প্রয়োজন হওয়ায় এসব পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। একই সময়ে স্যামসাং, এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রনের মতো বড় নির্মাতারা সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ের ডিডিআর৪/ডিডিআর৫ র‌্যাম ও ন্যান্ড ফ্ল্যাশের উৎপাদন কমিয়ে বেশি লাভজনক হাই ব্যান্ডউইথ মেমোরি (এইচবিএম) ও এন্টারপ্রাইজ এসএসডি উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে সরবরাহের তুলনায় সাধারণ বাজারে মেমোরির প্রাপ্যতা কমছে’ তবে গ্রাফিকস কার্ডের ক্ষেত্রে বাজারভেদে দামের বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কোবাইট কম্পিউটারের তথ্য বলছে, ৮ জিবি আরটিএক্স গ্রাফিকস কার্ডের দাম ৩০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা হয়েছে। একই ধরনের পণ্যের দাম প্রতিষ্ঠানভেদে এতটা ভিন্ন হওয়ার কারণ মডেল, ব্র্যান্ড, জিপিইউ, মেমোরি, ওয়ারেন্টি ও স্টকের ধরনসহ বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। র‌্যামেই সবচেয়ে বড় ধাক্কা কম্পিউটার যন্ত্রাংশের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় র‌্যামের দাম। বিশেষ করে ডিডিআর ৫ র‌্যামের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর দামও বেড়েছে। নতুন প্রজন্মের প্রসেসর ও মাদারবোর্ডে ডিডিআর ৫ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। গেমিং, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিকস ডিজাইন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও এআইভিত্তিক কাজের জন্যও বেশি র‌্যামের প্রয়োজন হচ্ছে। আরও পড়ুন ট্রেন্ডে গা না ভাসালেই কি আপনি ব্যাকডেটেড? বাজারের দেওয়া তথ্যেই এর বড় প্রমাণ মিলছে। একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ডিডিআর ৫ ১৬ জিবি র‌্যামের দাম সাত হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৭ হাজার টাকা হয়েছে। তবে অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বলছে, সাত হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হয়েছে। অর্থাৎ একই ধারণক্ষমতার র‌্যামের দাম কয়েক মাস বা এক বছরের ব্যবধানে তিন থেকে চারগুণের কাছাকাছি বেড়ে যাওয়ার দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। ডিডিআর ৪ র‌্যামের ক্ষেত্রেও চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। ৮ জিবির একটি মডেল দুই হাজার ১০০ টাকা থেকে আট হাজার টাকা এবং অন্য বাজারে চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। এসএসডিতেও বড় মূল্যবৃদ্ধি কম্পিউটারে দ্রুতগতির স্টোরেজ হিসেবে এসএসডির ব্যবহার এখন প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এনভিএমই এসএসডি নতুন কম্পিউটারের জনপ্রিয় স্টোরেজে পরিণত হয়েছে। আরও পড়ুন এআই যেভাবে বদলে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যমের ভবিষ্যৎ গ্লোবাল ব্র্যান্ডের দেওয়া তথ্যমতে, ৫১২ জিবি এনভিএমই এসএসডির দাম চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। এক টেরাবাইটের দাম সাত হাজার থেকে বেড়ে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। আর কোবাইট কম্পিউটারের হিসাবে এনভিএমই এস-১২ এর দাম পাঁচ হাজার থেকে ১২ হাজার এবং এক টেরাবাইট এসএসডি ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। ফলে শুধু র‌্যাম ও এসএসডির মূল্যবৃদ্ধির কারণেই একটি মাঝারি মানের কম্পিউটার তৈরির খরচ কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে। লাখ টাকা ছাড়াচ্ছে গ্রাফিকস কার্ড উচ্চক্ষমতার গ্রাফিকস কার্ডের বাজারেও বড় পরিবর্তন এসেছে। গেমিং, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি ডিজাইন এবং এআইভিত্তিক কাজের জন্য এসব কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। আরও পড়ুন মানবজাতির অস্তিত্ব নিয়ে জুয়া খেলছে এআই কোম্পানিগুলো, দাবি গবেষকদের বর্তমান বাজারে সাধারণ গ্রাফিকস কার্ড কয়েক হাজার টাকা থেকে শুরু হলেও আধুনিক আরটিএক্স সিরিজের উচ্চক্ষমতার কার্ডের দাম আরও অনেকগুণ বেশি। কিছু মডেলের দাম লাখ টাকাও ছাড়িয়েছে। গ্লোবাল ব্র্যান্ডের তথ্যমতে, ৮ জিবি আরটিএক্স গ্রাফিকস কার্ড ৩২ হাজার থেকে বেড়ে ৪৮ হাজার টাকা হয়েছে। অন্যদিকে কোবাইট কম্পিউটারের দেওয়া হিসাবে ৮ জিবির আরটিএক্স কার্ড ৩০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, উচ্চক্ষমতার গ্রাফিকস কার্ডের বাজারে সামগ্রিকভাবেই মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন ৯০ বছরের পুরোনো গণিতের সমস্যা ৮৮ ঘণ্টায় সমাধান করল এআই! প্রসেসর ও মাদারবোর্ডেও বাড়তি খরচ প্রসেসরের দামও বেড়েছে। গ্লোবাল ব্র্যান্ডের তথ্য বলছে, ১২তম প্রজন্মের কোর আই-৫ প্রসেসর ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২২ হাজার ৫০০ টাকা এবং কোর আই-৩ ১০ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা হয়েছে। আর কোবাইট কম্পিউটারের তথ্যমতে, একই প্রজন্মের কোর আই-৫ ১২ হাজার থেকে ১৭ হাজার এবং কোর আই-৩ ৯ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা হয়েছে। মাদারবোর্ডের দাম তুলনামূলক কম বাড়লেও নতুন প্রজন্মের প্রসেসর ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন মাদারবোর্ড প্রয়োজন হওয়ায় ক্রেতার মোট খরচ বাড়ছে। গ্লোবাল ব্র্যান্ডের হিসাবে গিগাবাইট বি-৭৬০ মাদারবোর্ডের দাম ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার এবং কোবাইটের হিসাবে গিগাবাইট বা আসুস ৪৫০ সিরিজের মাদারবোর্ড ৬ হাজার ৮০০ থেকে ৮ হাজার টাকা হয়েছে। আরও পড়ুন চ্যাটজিপিটি-জেমিনির লিমিট শেষ? ফ্রিতে ব্যবহারের কৌশল জানুন যেজন্য বাড়ছে দাম ব্যবসায়ীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মেমোরি চিপের চাহিদা বৃদ্ধি, এআইয়ের জন্য উচ্চক্ষমতার সার্ভার ও চিপের চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়াই বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বাংলাদেশে বেশিরভাগ কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি স্থানীয় বাজারে পড়ে। এর সঙ্গে ডলারের বিনিময়মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয় যুক্ত হয়। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে এআই ও ডেটা সেন্টারের দ্রুত সম্প্রসারণ বড় ভূমিকা রাখছে বলে জানান গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক আজিজুল করিম। আরও পড়ুন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি / দোকানে মেলে না ৫ টাকার পেনসিল, আকার কমেছে রাবারের তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘এআই মডেল ও ক্লাউড সার্ভারের জন্য বিপুল পরিমাণ উন্নত মেমোরি ও স্টোরেজ প্রয়োজন হওয়ায় এসব পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। একই সময়ে স্যামসাং, এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রনের মতো বড় নির্মাতারা সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ের ডিডিআর৪/ডিডিআর৫ র‌্যাম ও ন্যান্ড ফ্ল্যাশের উৎপাদন কমিয়ে বেশি লাভজনক হাই ব্যান্ডউইথ মেমোরি (এইচবিএম) ও এন্টারপ্রাইজ এসএসডি উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে সরবরাহের তুলনায় সাধারণ বাজারে মেমোরির প্রাপ্যতা কমছে। এর সঙ্গে বাজারে অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য এবং ক্লাউড সেবাদাতা ও বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে বিপুল পরিমাণ মেমোরি ও স্টোরেজ কিনে নেওয়ার কারণে সাধারণ কম্পিউটার ও ল্যাপটপের যন্ত্রাংশের দামও বাড়ছে।’ ক্রেতার বাজেটেও পরিবর্তন বগুড়ার ব্যবসায়ীরা জানান, নির্দিষ্ট বাজেট নিয়ে কম্পিউটার কিনতে আসা ক্রেতারা এখন আগের কনফিগারেশন ধরে রাখতে পারছেন না। কেউ কম ধারণক্ষমতার র‌্যাম বা এসএসডি নিচ্ছেন, কেউ গ্রাফিকস কার্ড বাদ দিয়ে পরে কেনার পরিকল্পনা করছেন। আরও পড়ুন মূল্যস্ফীতির প্রভাবে হাঁসফাঁস শিক্ষাজীবন, খাবারে পুষ্টির ঘাটতি কোবাইট কম্পিউটার বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের মালিক সজিবুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, ছোট ব্যবসায়ী ও সাধারণ অফিস ব্যবহারকারীদের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বেশি। কারণ একটি কম্পিউটারের মোট খরচ শুধু প্রসেসর বা মাদারবোর্ডের ওপর নির্ভর করে না; র‌্যাম, এসএসডি, মনিটর, পাওয়ার সাপ্লাই, কেসিং ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের দাম একসঙ্গে যোগ হয়। ফলে একটি পণ্যের দাম বাড়লে পুরো কম্পিউটার তৈরির খরচও বেড়ে যায়।’ এই মার্কেটে ডেক্সটপ কম্পিউটার কিনতে আসা ব্যাংকার আব্দুল হামিদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘যেসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ বা তিনগুণ হওয়ার দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে আমদানি মূল্য, ডলার বিনিময় হার, আমদানিকারকের মূল্য, পরিবহন ব্যয় ও খুচরা মূল্য তুলনা করলে প্রকৃত মূল্যবৃদ্ধির চিত্র আরও পরিষ্কার হবে। যা আমাদের মতো ক্রেতাদের দেখার সুযোগ নেই।’ এলবি/এসআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>