জাতীয়

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ: বাসচালকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার বাসচালক সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ঘটনার বিষয়ে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান। পরে আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল উদ্দীনের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এর আগে তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রিমান্ড শেষে সোহেলকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার। এসময় সোহেল রানা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানালে তদন্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করেন। পরে বিচারক তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে গ্রেফতার বাসটির সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও হেলপার মাহবুব আলম মনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেদিন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই দিন বাসচালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হন ইসমাইল হোসেন। গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নগদ এবং বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যও তার সঙ্গে ছিল। বাবার আসার খবর পেয়ে ছেলে মো. হাসান গাজপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। আরও পড়ুন এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ / বাসে ভাড়া নেওয়ার সময় ইসমাইলের কোমরে টাকা দেখেই হত্যার পরিকল্পনা তবে ইসমাইলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পান হাসান। সকাল ১০টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করেও বাবার দেখা না পেয়ে তিনি বাসায় ফিরে যান। পরে দুপুর ১২টার দিকে বনানী থানা থেকে ইসমাইলের প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে একটি মরদেহ পাওয়ার কথা জানানো হয়। খবর পেয়ে মরদেহের ছবি দেখে সেটি নিজের বাবা ইসমাইল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন হাসান। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, বনানী থানার আওতাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশে ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থান থেকে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইসমাইলের সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা এবং গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন মালামাল পাওয়া যায়নি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়া নাক, মাথা ও ডান হাতের কবজি সাদা কস্টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। এমডিএএ/এমআইএইচএস
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>