ব্রেকিং নিউজ
শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে জামায়াতের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার আইফোনের জন্যে অপ্রিতমকে হত্যা: পুলিশ সুপার পাবনায় শিশু কলি হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ রাজশাহী রেশম শিল্পের পুনরুজ্জীবনে ১০ দফা দাবি আ. লীগ নেতারা ভারত থেকে সহিংসতার নির্দেশনা দিচ্ছেন, গ্রেপ্তার ৪ : ডিবি শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন কাপুর পরিবারে উৎসব উদ্‌যাপন, দেখুন আলিয়ার দেওয়া ১০ ছবিতে ঢাকাগামী বাসের চাপায় অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ নিহত ৪ আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে তৈরি হয় বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব: কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেল
সারাদেশ

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে হিসাব বেড়ে ২৭.২২ মিলিয়ন

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
6 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খোলা হিসাবের সংখ্যা ২০২৬ সালের জুন শেষে বেড়ে ২৭.২২ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এই সংখ্যা ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন, এপ্রিল-জুন ২০২৬’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৩০টি ব্যাংক ১৫ হাজার ৪২৪ জন এজেন্টের মাধ্যমে পরিচালিত ২০ হাজার ৫৯৭টি আউটলেটের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছিল। এ সময়ে এজেন্টের সংখ্যা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং আউটলেটের সংখ্যা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। মোট ২ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার ২৫৬টি এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবের মধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯১৮টি বা প্রায় ৫০ শতাংশ হিসাব নারীদের। আর ২ কোটি ৩০ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৫টি হিসাব বা ৮৫ শতাংশ হিসাব গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের। প্রতিবেদনে বলা হয়, এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ সেবার চাহিদা বৃদ্ধির প্রতিফলন। প্রান্তিকে নারী গ্রাহকদের হিসাব ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা পুরুষ গ্রাহকদের হিসাব বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমানতও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১৯,০৭২.৯২ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ আমানত ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং এক বছর আগের তুলনায় ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণে আরও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জুন শেষে মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৮,৭০৩.৯৭ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৪০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।জুনে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঋণ-আমানত অনুপাত বেড়ে ৭৮ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মার্চে ছিল ৭৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। এতে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে ঋণ বিতরণের গতি বাড়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে যুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৩টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট ঋণের ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ বা ২৬২,২৬৩.৯৯ মিলিয়ন টাকা পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকরা। তবে নারীরা পেয়েছেন মাত্র ৫২,০০২.০৬ মিলিয়ন টাকা বা মোট ঋণের ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। এতে নারীদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ আরও বাড়ানোর যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে প্রতীয়মান হয়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশে আসা রেমিট্যান্স বিতরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে। জুন শেষে এজেন্টদের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,১৪৯.০৪১ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এ পরিমাণ ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে ১৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট রেমিট্যান্সের ৯০ দশমিক ৪৪ শতাংশ পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার সুবিধাভোগীরা। এতে দেশের বড় শহরগুলোর বাইরে বসবাসকারী মানুষের কাছে রেমিট্যান্স পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঋণ-আমানত অনুপাত বৃদ্ধির ফলে এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই) এবং নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করছে। এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্যোক্তা হিসেবেও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৮টি ব্যাংক ১ হাজার ৭৭৬ জন নারী উদ্যোক্তার মালিকানাধীন ২ হাজার ১০৬টি আউটলেটের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, নারী উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন আউটলেটগুলো দেশের মোট এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের ১০ দশমিক ২২ শতাংশ। এসব আউটলেটে ২৩ লাখ ৪০ হাজার হিসাব রয়েছে। এর মধ্যে ১৯ লাখ ৪০ হাজার হিসাব গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের। বাংলাদেশে ব্যাংক ২০১৩ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয়। ভৌগোলিকভাবে দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিকল্প মাধ্যম হিসেবে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকরা আমানত, ঋণ, রেমিট্যান্স, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ এবং সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>