ব্রেকিং নিউজ
রাজধানীতে নারীসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার ২৫২ কোটি টাকা দেনা, আদালতের রায়ে দেউলিয়া চালকল ব্যবসায়ী রায় ঘোষণা মঙ্গলবার, কাদের-সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ জিন্নাহর ছবি টানানোয় প্রতিবাদ, ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন পল্লবীতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ২ Mithun Chakraborty: বেঙ্গল ফুটবল অ্য়াকাডেমি গড়ার ঘোষণা মিঠুন চক্রবর্তীর, কলকাতায় তৈরি হবে অ্য়াকাডেমি ফ্ল্যাট প্রতারণার মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে হরিদাস তরণী জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে সিরিয়াজুড়ে বিক্ষোভ সাদিক কায়েমকে পাটওয়ারী ‘আসুন প্রতিযোগিতা হোক’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনের পর চার মৃত্যু, পদদলিত হওয়ার তথ্য নাকচ প্রশাসনের
জাতীয়

রাউটারে এত অ্যান্টেনা কেন, আসলে কতটি প্রয়োজন?

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
  একসময় ওয়াই-ফাই রাউটারে একটি অ্যান্টেনাই যথেষ্ট ছিল। তখন ইন্টারনেটের গতি ছিল তুলনামূলক কম, আর ঘরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ডিভাইসের সংখ্যাও ছিল সীমিত। সময়ের সঙ্গে ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশনসহ বেড়েছে সংযুক্ত ডিভাইসের সংখ্যাও। ফলে রাউটারে অ্যান্টেনার সংখ্যাও বেড়েছে। বর্তমানে আটটি পর্যন্ত অ্যান্টেনাযুক্ত রাউটারও বাজারে দেখা যায়। অনেকের কাছে রাউটারে এত অ্যান্টেনা থাকা শুধু বিপণন কৌশল মনে হতে পারে। তবে এর পেছনে রয়েছে প্রযুক্তিগত কারণ। মূল বিষয়টি হলো ‘মিমো’ প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে একাধিক পথে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। একাধিক অ্যান্টেনা কী কাজে লাগে? সহজভাবে বলতে গেলে, রাউটারের প্রতিটি অ্যান্টেনাকে তথ্য চলাচলের একটি আলাদা লেন হিসেবে ভাবা যায়। একটি লেন দিয়ে সীমিত পরিমাণ তথ্য চলাচল করতে পারে। কিন্তু একাধিক লেন থাকলে একই সময়ে বেশি তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়। আরও পড়ুন রাউটার কেনার আগে ৩ বিষয় মাথায় রাখা জরুরি তবে শুধু রাউটারে বেশি অ্যান্টেনা লাগালেই গতি বেড়ে যায় না। অ্যান্টেনাগুলোকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য রাউটারে উপযুক্ত অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার ও প্রযুক্তি থাকতে হয়। ‘মিমো’ প্রযুক্তি একাধিক অ্যান্টেনাকে কাজে লাগিয়ে আলাদা তথ্যপথ তৈরি করে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ‘বিমফর্মিং’। এর মাধ্যমে রাউটার কোনো নির্দিষ্ট ডিভাইসের অবস্থান শনাক্ত করে সেই ডিভাইসের দিকে ওয়াই-ফাই সংকেতকে আরও কার্যকরভাবে কেন্দ্রীভূত করতে পারে। একাধিক অ্যান্টেনার সংকেত সমন্বয় করে নির্দিষ্ট দিকে তুলনামূলক শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করা সম্ভব হয়। সংযোগ আরও নির্ভরযোগ্য হয় বাসাবাড়িতে ওয়াই-ফাই সংকেত সাধারণত সরাসরি ডিভাইসে পৌঁছায় না। দেয়াল, আসবাবপত্র, ধাতব বস্তু এমনকি মানুষের শরীরেও সংকেত প্রতিফলিত হয়ে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে একটি অ্যান্টেনার সংকেত দুর্বল হলেও অন্য অ্যান্টেনার মাধ্যমে তুলনামূলক ভালো সংযোগ পাওয়া যেতে পারে। একাধিক অ্যান্টেনা থাকার কারণে রাউটার বিভিন্ন সংকেতের মধ্য থেকে কার্যকর সংকেত ব্যবহার করতে পারে। এতে সংযোগের স্থিতিশীলতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়তে পারে। এছাড়া ‘এমইউ-মিমো’ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও একাধিক অ্যান্টেনা গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো রাউটারগুলো সাধারণত একবারে একটি ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত অন্য ডিভাইসে চলে যেত। এমইউ-মিমো প্রযুক্তি রাউটারের অ্যান্টেনা ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে একসঙ্গে একাধিক ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। কতটি অ্যান্টেনা যথেষ্ট? বেশিরভাগ বাসাবাড়ির ব্যবহারকারীর জন্য আট অ্যান্টেনার রাউটার প্রয়োজন হয় না। সাধারণ ব্যবহারে দুই থেকে চার অ্যান্টেনার ভালো মানের রাউটারই যথেষ্ট হতে পারে। তবে রাউটারের কর্মক্ষমতা নির্ধারণে শুধু অ্যান্টেনার সংখ্যা দেখলে হবে না। রাউটারে ব্যবহৃত ওয়াই-ফাইয়ের মান, সফটওয়্যার এবং অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাদের প্রধান সমস্যা ওয়াই-ফাই কাভারেজ, তারা বেশি অ্যান্টেনার রাউটার বিবেচনা করতে পারেন। তবে বড় বাড়ি বা একাধিক কক্ষের ক্ষেত্রে শুধু অ্যান্টেনা বাড়ানোর চেয়ে মেশ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা অনেক সময় বেশি কার্যকর সমাধান হতে পারে। আরও পড়ুন ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত আরাফাত ময়দান অন্যদিকে অফিস, ক্যাফে বা এমন জায়গায় যেখানে একসঙ্গে অনেক মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, সেখানে বেশি অ্যান্টেনা ও বেশি তথ্যপ্রবাহ সক্ষমতার রাউটার উপকারী হতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি-রাউটারে অ্যান্টেনা বেশি থাকলেই ইন্টারনেটের গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায় না। আপনার ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ গতি নির্ভর করবে মূলত ইন্টারনেট সংযোগের প্যাকেজ, রাউটারের সক্ষমতা এবং নেটওয়ার্কের অন্যান্য প্রযুক্তিগত বিষয়ের ওপর। আট অ্যান্টেনার রাউটার কিনলেই ইন্টারনেট সেবাদাতার নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। সূত্র: এনগ্যাজেট শাহজালাল/ কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>